ছবি: সংগৃহীত।
নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাগদাদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মোঃ ফেরদৌস খান আলমগীর। সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশের ব্যবসা বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, ছাত্র- জনতার গণ অভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘ ১৭ বছর পর শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় নির্বাচনে জনগণের ভোটে দুই- তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হউন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, নতুন সরকারের অধীনে একটি স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ী সমাজ। শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান তৈরিতে ইতোমধ্যে বিএনপি সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আসছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে সরকার। আশা করছি, জাতীয় বাজেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন আগামী বাজেট যেন ব্যবসা-বান্ধব উপহার দেন তাহলে আমরা জাতিকে একটি সুন্দর সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ গঠনে সহযোগিতা করতে পারবো।
ফেরদৌস খান আলমগীর বলেন, ইরান- ইসরায়েল- মার্কিন যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বৈশ্বিক এই সঙ্কট থেকে মুক্ত নয় বাংলাদেশও। এজন্য সঙ্কট উত্তরণ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়নে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্য অস্থিরতা, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিও ডলার সংকট, উচ্চ সুদহার ও বন্দর জটিলতার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের নীতিগত সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে শুল্ক কাঠামো যৌক্তিক করা, এলসি খোলায় প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তার মতে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন খাতে ব্যয় কমবে এবং বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দেশীয় শিল্প সুরক্ষা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর মনিটরিং জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।
ফেরদৌস খান আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অর্থনৈতিক সংস্কার, বাণিজ্য সহজীকরণ ও শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হবে। তিনি ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমে বাস্তবভিত্তিক নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানান, যাতে সরকার ও বেসরকারি খাত যৌথভাবে টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করতে পারে।
সবশেষে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আবারও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে ব্যবসায়ী সমাজ সরকারের পাশে থাকবে।
তিনি বলেন, একটি জাতি কিংবা দেশকে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে নিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে অর্থনীতি খাত। এই খাতটিকে এগিয়ে নিতে বিচক্ষণ, কর্মঠ ও নেতৃত্বগুণ সম্পন্ন লোকের বিকল্প নেই।
উল্লেখ্য, আলহাজ্ব মোঃ ফেরদৌস খান আলমগীর-যিনি নানা সংকটের মধ্যেও অবদান রাখছেন দেশের অর্থনীতিতে। দেশের ব্যবসা খাতে পরিচিত মুখ এই কর্মবীর। বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু হয় তার। পড়ালেখার পাঠ চুকিয়েই নাম লিখিয়েছিলেন ব্যবসায়। এরপর থেকে নিরলস শ্রম ও মেধা খরচ করে যাচ্ছেন। ফলস্বরূপ আজ ব্যবসা খাতে একটি নেতৃস্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম বাগদাদ গ্রুপ। তার অভিজ্ঞতা ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে সামনের দিকে এগিয়ে চলছে প্রতিষ্ঠানটি।
একাধিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব কাঁধে ফেরদৌস খান আলমগীরের। তিনি বাগদাদ ট্রেডিং কোম্পানী, বাগদাদ এক্সি কর্পোরেশন ও আলমগীর ট্রান্সপোর্ট লিমিটেডের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। এর বাইরেও ইউনিয়ন ইন্সুরেন্স কোম্পানী লিঃ, সাউদার্ন ইউনির্ভাসিটি ও কর্ণফুলী বিজনেস কর্পোরেশনের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এই সফল ব্যবসায়ী বাগদাদ এক্সপ্রেসের প্রোপাইটার। ফেরদৌস এন্টারপ্রাইজ, আলমগীর ব্রাদার্স, ট্রান্সপোর্ট, মনোয়ারা এন্টারপ্রাইজ এবং খান এন্টারপ্রাইজেরও স্বত্বাধিকারী তিনি। সম্মানিত এ ব্যবসায়ী আরও একাধিক প্রতিষ্ঠান অ সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সফল পরিচালক। ডাচবাংলা চেম্বার এন্ড কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারী তিনি।
এম.কে








