ছবি: দৈনিক জনকণ্ঠ।
আমরা পাহাড়ে দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবো। কোন অবস্থাতেই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না। পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান রাঙ্গামাটিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সৌজন্য মত বিনিময় সভায় এ কথা বলেছেন।
বুধবার (৪ মার্চ) রাঙামাটি পার্বত্য জেলাপরিষদ সম্মেলন কক্ষে অর্ধশত সংবাদ কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেছেন।
তিনি বলেন আমরা পাহাড়ে সু সমবণ্টন নীতিতে উন্নয়ন করবো। আমরা কাপ্তাই লেকে ড্রেজিং সহ খাল খনন করবো। অনুষ্ঠানে সাংবাদিকরা মন্ত্রীকে জেলা পরিষদ জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিভাগে অনিয়ম, গায়ের জোরে বিভিন্ন সংস্থার পদ পদবি দখল করা, শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের কাজে পুকুর চুরি, বিভিন্ন সংস্থার সিন্ডিকেটের দাপট, প্রথম শ্রেণির কিছু কর্মকর্তা বছরের পর বছর একই কর্মস্থলে থেকে নানা অনিয় করা, শহরের বাজার ফান্ডের ভূমি জটিলতা ও পাহাড়ে ভূমি বন্দোবস্তী খুলে দেয়ার বিষয় সহ নানা অনিয়ম নিয়ে মন্ত্রী খোলা মেলা আলোচনা করেন এবং এই সব বিষয়ে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন বলে সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেছেন।
পাহাড়ের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বালেন পাহাড়ে বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সকল সম্প্রদায় দীর্ঘকাল ধরে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সাথে বসবাস করছে। এই সম্প্রীতিকে অটুট রেখে আগামীতে সকল সম্প্রদায়ের সামাজিক উৎসবগুলো যেন আরও সার্বজনীনভাবে পালন করা যায়, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি সভাপতি দীপু তালুকদার, সহ সভাপতি সাইফুল ইলাম ভুটো, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড ভোকেট মামুনুর রশিদ, এ্যাডভোকেট সাইফুর ইসরাম পনির ও মানুষ মুকুর চাকমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এই আগে মন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যেতিরিন্দ্র বোধি প্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সকালে মন্ত্রীর বাসভবনে রাঙামাটির এপিবিএন এর ডিআইজি সালমা বেগম সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বিকালে মন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশ্য রাঙামাটি ত্যাগ করবেন।
এম.কে








