ছবি: দৈনিক জনকণ্ঠ।
পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্যহীনভাবে সুষম উন্নয়নের অঙ্গীকারের ঘোষণা দিয়েছেন পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো এটা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাঙ্গামাটি সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে দুপুরে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথমবার নিজ নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গামাটিতে এসে পৌঁছে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এ কথা বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক পার্বত্যবাসীর জন্য উপহার হিসেবে এই দায়িত্ব পাওয়ার পর ওইদিন ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটি সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছান তিনি। এসময় জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন।
রাঙ্গামাটি সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সুষম উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে আমরা সকলকে নিয়ে কাজ করব। পাহাড়ে উন্নয়নে কোনো ধরনের বৈষম্য হতে দেওয়া হবে না। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামোসহ সকল সেক্টরের সামগ্রিক উন্নয়নই আমাদের মূল লক্ষ্য।
সরকারের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, আমাদের নির্বাচিত সরকার ১৮০ দিনের একটি বিশেষ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (টার্গেট) হাতে নিয়েছে। আমরা আগে কাজ করে দেখাতে চাই, তারপর আপনাদের সামনে দৃশ্যমান ফলাফল উপস্থাপন করব। দীর্ঘ বছর ধরে যেসব এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছায়নি, সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করা হবে।
বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, বিএনপি এখন জনগণের সেবক। জনগণের সেবা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ অনুযায়ী জনগণের সেবা ও সুষম উন্নয়নের মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী এবং রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব-সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এর আগে রাঙ্গামাটি প্রবেশমুখ গোদারপাড় এলাকা থেকে শুরু করে ঘাগড়া, মানিকছড়ি, ভেদভেদী ও বনরূপাসহ শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে তার আগমন উপলক্ষে হাজারো মানুষের ঢল নামে। জনমানুষের নেতাকে কাছে পেয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।
এম.কে








