গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার রাজস্ব ও উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ে ইতোমধ্যে একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, সচিব এস এম মাজহারুল আনোয়ার এবং হিসাবরক্ষক আশরাফুল মওলার বিরুদ্ধে ভুয়া প্রকল্প (পিআইসি) ও ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে পৌর তহবিল থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজস্ব ও উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের অর্থ একাধিক প্রকল্প দেখিয়ে বিল-ভাউচার তৈরি করে উত্তোলন করা হয়।
নথিপত্র পর্যালোচনায় দুদকের প্রধান কার্যালয়, ঢাকা এবং সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রংপুর-এর স্মারক ও ইআর নম্বরভুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু হয়। দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রংপুরের উপসহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রায়হান বকসীকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলরদেরকে বক্তব্য প্রদানের জন্য তলব করা হয়েছে। তাদেরকে আগামী ১ মার্চ দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রংপুরে উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপিসহ লিখিত ও মৌখিক বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের নথি, বিল-ভাউচার, ব্যাংক লেনদেন ও অর্থ উত্তোলনের প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছামিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে আমাদের কাছে একটি নোটিশ এসেছে। সাবেক মেয়র আব্দুল্লাহ আল মামুন ও দুইজন কর্মকর্তার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। আমরা উপস্থিত হয়ে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরব।'
রাজু








