ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১

মির্জাপুরে নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতি

নিজস্ব সংবাদদাতা, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ২১:২৪, ২৩ জুন ২০২৪

মির্জাপুরে নদীর ভাঙনে  বিলীন হচ্ছে  বসতি

নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ফতেপুর ইউনিয়নের বানকাটা গ্রাম

মির্জাপুরে চার গ্রামে ঝিনাই নদীর ভাঙন শুরু হয়েছে। উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর, সুতানড়ী, বানকাটা থলপাড়া গ্রামে এই নদী ভাঙনে ইতোমধ্যে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রবল ভাঙনে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে শতাধিক পরিবার, মসজিদ, মন্দির, বাজার কবরস্থান।

এদিকে ভাঙনের খবর পেয়ে শনিবার টাঙ্গাইলের এমপি খান আহমেদ শুভ এবং টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

রবিবার বানকাটা সুতানড়ী গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, ঝিনাই নদীর প্রবল স্রোতে কিছুক্ষণ পর পর নদীর কূলঘেঁষা বাড়ির মাটি ভেঙে নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। গত কয়েক দিনের ভাঙনে সুতানড়ী, থলপাড়া বানকাটা গ্রামের অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ছাড়া একটি বাজার, একটি মসজিদ, কবরস্থান সুতানড়ী শিবমন্দিরসহ শতাধিক পরিবার ভাঙনের ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। অনেকে বসতঘর ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। হিলড়া বাজারটিও রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে।

বানকাটা গ্রামের বিল্লাল হোসেন, শামছু মিয়া, বেলায়েত হোসেন কাশেম ঘটক বলেন, আমাদের বাড়ির প্রায় সবটুকুই ভেঙে নদীতে চলে গেছে। এখন আমাদের মাথা গোঁজার আর জায়গা নেই। সরকার যেন আমাদের রক্ষা করে।

সুতানড়ী শিবমন্দিরের সহ-সভাপতি রবীন্দ্র কুমার বলেন, জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেললে সার্বজনীন শিবমন্দিরটি রক্ষা পাবে। এমপি খান আহমেদ শুভকে বিষয়ে নজর রাখার অনুরোধ জানান তিনি। 

ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজি আব্দুর রউফ বলেন, গত কয়েকদিন যাবৎ ঝিনাই নদীতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে কয়েকটি গ্রামে একসঙ্গে ভাঙন শুরু হয়েছে। বিষয়টি জানানোর পর খান আহমেদ শুভ এমপি টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম শনিবার ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। শীঘ্রই ভাঙনকবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা করা হবে বলে এমপি খান আহমেদ শুভ এলাকাবাসীকে আশ্বাস দিয়েছেন। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাত হোসেন বলেন, ফতেপুর এলাকার নদী ভাঙনের খবর আমরা জেনেছি। দ্রত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×