ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

স্ত্রীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে যুবককে হত্যা

প্রকাশিত: ১১:৩৪, ২২ মার্চ ২০২৪

স্ত্রীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে যুবককে হত্যা

শফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী কুলসুমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)

গত ১২ মার্চ নাটোরের লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী গ্রামে রাস্তার পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল সোহেল হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককের লাশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে লালপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সেই মামলায় শফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী কুলসুমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেপ্তারের পর সোহেল হোসেনকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন শফিকুল ইসলাম।

সোহেল হোসেন পুরাতন ঈশ্বরদী গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় টেকনিশিয়ান ছিলেন।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন পিবিআই, নাটোর জেলার পুলিশ সুপার জনাব মো. শরিফ উদ্দীন।

মো. শরিফ উদ্দীন বলেন, রহস্যময় এই মামলার তদন্তভার পুলিশ পরিদর্শক মো. ফরিদুল ইসলামকে দেওয়া হয়। মামলার ৭ দিনের মধ্যে ঘটনায় জড়িত স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা সোহেল হোসেনকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। 

মামলার তদন্ত সূত্রে জানা যায়, শফিকুলের স্ত্রী মোছা. কুলসুমা খাতুনের সঙ্গে সোহেল হোসেনের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। ঘটনার দিন ১১ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে  কুলসুমা খাতুন তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে সোহেলকে ফোন করে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। এদিকে শফিকুল তার বাড়ির কাছের চায়ের দোকানে চা খেয়ে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে তার বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় সোহেলকে স্ত্রীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখতে পান শফিকুল ইসলাম। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সোহেলের জামার কলার ধরে তাকে ঘুসি মারেন। পরে হাতের কাছে থাকা গামছা দিয়ে সোহেলের গলায় ফাঁস লাগান। এত সোহেল মারা গেলে শফিকুল তার পা ধরে টেনে নিয়ে বাড়ির কাছের ভুট্টা ক্ষেতের আইলের (রাস্তার) ওপর লাশ ফেলে রেখে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেপ্তারের পর তার দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গামছাটি আসামির বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান পিবিআই এর পুলিশ সুপার।

বারাত

×