ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০

প্রধান বিচারপতি

মামলার জট নিরসনে চলছে নতুন বিচারক নিয়োগের কার্যক্রম

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেহেরপুর 

প্রকাশিত: ১৭:৪৭, ১১ এপ্রিল ২০২৩

মামলার জট নিরসনে চলছে নতুন বিচারক নিয়োগের কার্যক্রম

ন্যায়কুঞ্জ নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, দেশে মামলার তুলনায় বিচারকের সংখ্যা খুবই কম। ফলে বাড়ছে মামলার দীর্ঘসূত্রতা। তারপরও বিচারকরা সাধ্য মতো চেষ্টা করছেন মামলার জট কমানোর। চলছে নতুন বিচারক নিয়োগের কার্যক্রম। 

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১০ টার সময় মেহেরপুর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে ন্যায়কুঞ্জ নামক বিচার প্রার্থীদের বিশ্রামাগার নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনের সময় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। 

তিনি আরো বলেন, এই দেশে ৪০ লাখ মামলার জন্য বিচারকের সংখ্যা মাত্র দুই হাজার। এ বিচারকের সংখ্যা একবারেই কম। ইতিমধ্যেই ১০২ জন বিচারকের নিয়োগের কাজ চলছে। যা পুলিশি তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে। আরোও একশো বিচারক নেওয়ার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, এ রাষ্ট্রের মলিক জনগণ। কোর্টে আগত বিচার প্রার্থীদের কষ্ট লাঘবের জন্য কাজ করছি আমরা। এজন্য জেলায় জেলায় নির্মাণ করা হচ্ছে ন্যায়কুঞ্জ। আমরা ঠিকাদারদের বলবো এটি নির্মাণে যাতে কোন রকমেই অপব্যবহার না হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রেজিস্টার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রেজিস্টার (বিচার) এস কে এম তোফায়েল হাসান, মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ শহিদুল্লাহ, জেলা প্রশাসক আজিজুল ইমলাম, পুলিশ সুপার রাফিউল আলম, জেলা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. পল্লব ভট্টাচার্য, জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি অ্যাড. কামরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খ.ম ইমতিয়াজ বিন হারুন জুয়েলসহ জেলার আইনজীবীরা।

পরে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী জেলার আইনজীবী সমিতির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মেহেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনাতনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মেহেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

দুপুরে দিকে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী মেহেরপুরের মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে তিনি মুজিবনগর আম্রকাননে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
 

এসআর

×