ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০

জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে বিজিবি’র নবনিযুক্ত ডিজি 

সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে

প্রকাশিত: ১৯:৩২, ৩০ জানুয়ারি ২০২৩

সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর নবনিযুক্ত মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান বলেছেন, সীমান্ত দিয়ে দেশে মাদক প্রবেশ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে। এক্ষেত্রে যা যা করণীয় তা অব্যাহত থাকবে। দেশে মাদক প্রবেশ নিয়ে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। 

সোমবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। 

শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে বিজিবি মহাপরিচালক তার অনুভূতি ব্যক্ত করে সাংবাদিকদের বলেন, বিজিবি মহাপরিচালক হিসেবে জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পেরে আমি নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান মনে করছি। ২২৭ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই বাহিনী বাংলাদেশের ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ইপিআর এর ওয়্যারলেসের মাধ্যমেই দেশের সব জায়গায় ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। তখন থেকেই বিজিবি দেশের স্বাধীনতা অর্জনে এবং বিভিন্ন সময়ে দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে কাজ করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী বাহিনীর সক্ষমতা অনেক গুণ বৃদ্ধি করেছেন। তিনি বিজিবিকে একটি বিশ্বমানের আধুনিক ত্রিমাত্রিক সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলেছেন। ফলে বিজিবি এখন জলে, স্থলে ও আকাশপথে যেকোনো অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম হচ্ছে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা এবং প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিজিবি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। 

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিজি মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান বলেন, মাদকের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা দিয়েছেন। বাইরে থেকে মাদক এসে দেশের পরবর্তী প্রজন্মকে নষ্ট করে দেবে, এটি আমরা কখনই চায় না। বিজিবি সবসময়ই জ্বলন্ত অগ্নিকু-ের উপর দিয়ে দায়িত্ব পালন করে। সীমান্তে কখন কী হবে আসলে এটা বলা যায় না। কিন্তু মিয়ানমার সীমান্তের বান্দরবান এলাকায় প্রায়ই উত্তেজনা পরিস্থিতি বিরাজ করে। আমাদের বাহিনীর যে সদস্যরা আছেন, তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের অখ-তা রক্ষা করতে বিজিবির উপর যে বিশাল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তা সব সময় নিষ্ঠার সঙ্গে বিজিবি পালন করে আসছে, ভবিষ্যতেও পালন করা হবে। সীমান্তে অরক্ষিত জায়গা যদি থেকে থাকে, সেসব দুর্বল দিক চিহ্নিত করে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান বিজিবি ডিজি। এসময়  বিজিবি’র একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার আগে সকালে পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তরের ‘সীমান্ত গৌরব’ এ মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নবনিযুক্ত ডিজি। 

 

ফজলু

সম্পর্কিত বিষয়:

×