১৭ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

মহাপরিকল্পনা ॥ বস্তির অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে

প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯
 মহাপরিকল্পনা ॥ বস্তির অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে
  • ছোট ছোট ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে
  • আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উদ্যোগ
  • কয়েক বছরের মধ্যে কাউকে বস্তিতে থাকতে হবে না

গাফফার খান চৌধুরী ॥ নাগরিক জীবনে বস্তি একটি অভিশপ্ত নাম। শুধু মানবেতর জীবন-যাপনই নয়, এই বস্তিকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে নগরকেন্দ্রিক অপরাধ চক্র। ধ্বংস হয়ে যায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানবসম্পদ। এক শ্রেণীর প্রভাবশালী মানুষের তত্ত্বাবধানে তৈরি হয় নগরকেন্দ্রিক এই অভিশাপ বস্তি। নদী ভাঙ্গন, অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার অসহায়ত্ব এবং আরও কিছু পারিপার্শ্বিক কারণে বস্তিতে ঠাঁই নেয় সাধারণ মানুষ। বাসস্থান পাওয়ার পর এই মানুষগুলো অন্নের সংস্থানে যোগ দেয় নানা পেশায়। এর মধ্যে অপরাধ জগত এবং অনৈতিক কর্মকা-ও থাকে। ধীরে ধীরে এই বস্তিই হয়ে ওঠে নগরীর ক্যান্সার। বস্তি নামের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বস্তিবাসীদের জন্য ছোট ছোট ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। বাসস্থানের পাশাপাশি তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন সুবিধা শতভাগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বস্তিবাসীদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে কারিগরি প্রশিক্ষণ, সেলাই শিক্ষা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল পালন ও মাছ চাষের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষিতদের সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এ খাতে সরকার কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের উদ্যোগ নিয়েছে।

সারাদেশের বস্তির শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, সুপেয় পানিসহ অন্যান্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, ইউএনডিপি, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন, যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা কাজ করছে। প্রকল্পের কৌশলগত সহায়তা দিচ্ছে ইউএনডিপি (জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থা)। স্থানীয় সরকারের অধীন ৩০টি সংস্থা, সুশীল সমাজ, এনজিও ও বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত। ইতোমধ্যেই আড়াই লাখ বস্তিবাসীর জীবনমানের কিছুটা উন্নয়ন হয়েছে। যার মধ্যে অর্ধেকই নারী ও শিশু। উপার্জনক্ষম নারীদের অনেকেই বস্তি ছেড়ে মোটামুটি ভাল জীবন-যাপন করছেন। ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বস্তি উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। সকল উদ্যোগের একটি লক্ষ্য, বস্তিবাসীদের জীবনের মান উন্নয়ন এবং বস্তি ছেড়ে কর্মসংস্থান নিয়ে নাগরিক জীবনে ফিরে যাওয়া। সরকার আশা করছে, এসব উদ্যোগের ফলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বস্তির অভিশাপ থকে মুক্তি পাবে বাংলাদেশ।

বিশেষজ্ঞদের সংজ্ঞা মোতাবেক, কোন সরকারী বা বেসরকারী জায়গায় একত্রে পাঁচটি দরিদ্র পরিবার বসবাস করলেই সেটি বস্তি হিসেবে বিবেচিত হবে। সেই সংজ্ঞায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইউপিপিআর (আরবান পার্টনারশিপস ফর পোভার্টি রিডাক্সন প্রজেক্ট)-এর জরিপ অনুযায়ী দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার শতকরা ২১ ভাগ। এর মধ্যে ৮ শতাংশ মানুষ হতদরিদ্র। যাদের সত্যিকার অর্থেই বাড়িঘর নেই। এমনকি ন্যূনতম থাকার কোন জায়গা পর্যন্ত নেই। হতদরিদ্র মানুষরাই বস্তিগুলোর স্থায়ী বাসিন্দা। এছাড়া বস্তিতে নানা শ্রেণী পেশার মানুষ বসবাস করেন। যাদের অনেকেরই থাকার মতো জায়গা আছে। তারা বিভিন্ন কাজের জন্য, মাদক ব্যবসাসহ নানাভাবে অর্থ রোজগার করতে বস্তিতে থাকেন। তারা সত্যিকার অর্থে বস্তির প্রকৃত বাসিন্দা নন। তারা বস্তিতে বসবাস করায় তাদের বস্তিবাসী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

জরিপ মোতাবেক, দেশের ২৪ জেলার ২৯ শহরে ৪৫ হাজার বস্তি আছে। এসব বস্তি গড়ে উঠেছে প্রায় ৫ হাজার একর সরকারী জমির ওপরে। বস্তিগুলোর বেশির ভাগই ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, রাজশাহী, টঙ্গী, ময়মনসিংহ, রংপুর, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, যশোর, কুমিল্লা, দিনাজপুর, নবাবগঞ্জ, বগুড়া, টাঙ্গাইল, সাভার. গাজীপুর, নওগাঁ, গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, হবিগঞ্জ, পাবনা, চাঁদপুর, ফেনী, নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ ও ফরিদপুরে অবস্থিত। এর মধ্যে টঙ্গী ও সাভার থানাধীন এলাকায় বস্তির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

বস্তিবাসীদের জীবনমানের উন্নয়ন সম্পর্কে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি জনকণ্ঠকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের জীননমানের উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন। তার মধ্যে বস্তিবাসীরাও আছেন। তাদের জীবনমানের উন্নয়নের নানা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। বস্তিবাসীদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সুবিধা দেয়া হচ্ছে। নারীদের নানাভাবে প্রশিক্ষিত করে আত্মনির্ভশীল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনা মোতাবেক দেশের কোন মানুষ গৃহহীন থাকবে না। এমনকি বস্তিবাসীরাও না। বস্তিবাসীদের জন্য ছোট ছোট ফ্ল্যাট তৈরি করে তাদের নামে বরাদ্দ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জনকণ্ঠকে বলেন, সর্বশেষ ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর করা তালিকা মোতাবেক উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ১৬৩৭ বস্তি আছে। এসব বস্তিতে প্রায় ৩৫ হাজার পরিবার বাস করছে। এসব পরিবারের সদস্য সংখ্যা প্রায় পাঁচ লাখ। বস্তিগুলোকে চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। পাঁচ থেকে পঁচিশ, ছাব্বিশ থেকে একান্ন, বায়ান্ন থেকে এক শ’ ও এক শ’ এক থেকে ততোধিক ঘর নিয়ে গড়ে ওঠা বস্তি রয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বস্তিবাসীদের সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণ করা হয়।

তিনি বলছেন, বস্তিবাসীদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ছাড়াও ৭০টি এনজিও কাজ করছে। বস্তিবাসী ছেলে-মেয়েদের জন্য স্কুলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে স্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ হেলথ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। নারীদের বিভিন্ন হাতের কাজ শেখানোর প্রকল্প চালু আছে। এছাড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ, সেলাই শিক্ষা, চকোলেট, মোম, আগরবাতিসহ ছোট ছোট জিনিসপত্র তৈরির শিক্ষা ছাড়াও হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল পালন, মৎস্য চাষের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। যাতে তারা স্বাবলম্বী হতে পারে। বস্তিবাসীদের উন্নয়নের জন্য নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে এক শ’ কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। বস্তিতে সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার কাজ চলছে। কর্মক্ষম যুবকদের নানা কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার কাজ চলছে। যুবকদের সহজ শর্তে বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। যাতে যুবকরা আত্মনির্ভরশীল হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রায় ১৮শ’ বস্তি আছে। এসব বস্তিতে প্রায় ৪০ হাজার পরিবার বসবাস করছে। সবমিলিয়ে প্রায় সাত লাখ লোকের বসবাস। এসব বস্তি উন্নয়নে এবং বস্তিবাসীদের জীবনমানের পরিবর্তন করার জন্যও একই ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ চলছে। সিটি কর্পোরেশন, ইউএনডিপি, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন এনজিও এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

ফায়ার সার্ভিস এ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সদর দফতরের হিসেব অনুযায়ী, ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অধীনে ১১০টি বড় বস্তি আছে। প্রত্যেকটি বস্তিই গড়ে উঠেছে সরকারী জায়গায়। এর মধ্যে শুধু রেলওয়ের জায়গার ওপরই গড়ে উঠেছে ৭০টি বস্তি। অন্য বস্তিগুলো সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জায়গার ওপর গড়ে উঠেছে।

পুলিশ ও র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, বস্তিবাসীদের মধ্যে শতকরা ৪০ ভাগই কোন না কোন অপরাধে জড়িত। বস্তি ঘিরে মাদক ব্যবসা, গ্যাং কালচারসহ নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া এ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, বস্তির কারণে মাদক নির্মূল করা কঠিন হয়েছে। বস্তির মাদক ব্যবসা ঘিরে ছিনতাই, খুনোখুনি, ডাকাতি, রাহাজানিসহ নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। সম্প্রতি মাদকের সঙ্গে কিশোর গ্যাং কালচার গড়ে উঠেছে। কিশোর গ্যাংয়ের অধিকাংশই গড়ে উঠেছে বস্তি ও তার আশপাশের এলাকায়। যা শহরের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। এক সময় বস্তি ছিল সারাদেশের গাড়ি চোর সিন্ডিকেটের প্রধান আস্তানা। এই পুলিশ কর্মকর্তা বলছেন, সার্বিকভাবে বিবেচনা করলে বস্তি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য একটি বড় ধরনের বাধা। বস্তির কারণে অনেক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সরকারের অনেক দেরি ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এছাড়া বস্তি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

র‌্যাবের লিগ্যাল এ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক ও র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. সারওয়ার-বিন-কাশেমও এমনটাই দাবি করে বলছেন, বস্তি সত্যিকার অর্থেই একটি বড় সমস্যা। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও বস্তি একটি বাধা। কারণ বস্তিতে মাদক, গ্যাং কালচার, চোরাই সিন্ডিকেট, অপহরণকারী চক্র থেকে শুরু করে নানা ধরনের অপরাধীদের নিরাপদ আবাসস্থল। অনেক সময়ই এসব সিন্ডিকেট উন্নয়ন কাজের জন্য রাস্তায় রাখা সামগ্রী চুরি বা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এতে উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এই কর্মকর্তা বলছেন, বিশেষ করে সড়ক মহাসড়কে তৈরি পোশাক ছিনতাইয়ের সঙ্গে বস্তি কেন্দ্রিক চোরাই ও ছিনতাইকারী চক্র জড়িত থাকে। তৈরি পোশাক ছিনতাই হওয়ার কারণে সঠিক সময়ে সেগুলো বিদেশে রফতানি করা সম্ভব হয় না। এতে বিদেশী ক্রেতারা অনেক সময়ই বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ব্যবসায়ীদের ভুল বুঝে থাকেন। বেশির ভাগ সময়ই বিদেশীরা এসব কারণে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নেন। অন্য দেশ থেকে তারা তৈরি পোশাক কেনেন। এতে দেশ বৈদেশিক মুদ্রা আয় থেকে বঞ্চিত হয়। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ব্যবসায়ীদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে বিদেশে। এমন বহু অভিযোগ তিনি শুনেছেন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। ওইসব ব্যবসায়ীরা বলেছেন, শুধু মালামাল ছিনতাই হওয়ার কারণে সময় মতো মালামাল রফতানি করতে না পারায় বিদেশে তাদের কোম্পানি ব্ল্যাক লিস্টেড হয়েছে। যা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

গোয়েন্দা সূত্র বলছে, বাংলাদেশ থেকে বস্তি উচ্ছেদ করা কঠিন। এমনকি দুরূহ কাজও বটে। কারণ বস্তি ঘিরে বহু এনজিও বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। বস্তি উচ্ছেদ করতে গেলেই এসব এনজিও সবার আগে বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের কথা বলে নানা ঝামেলার সৃষ্টি করে। পাশাপাশি এনজিওগুলোর লোকজন গোপনে বস্তিবাসীদের সংগঠিত করে। স্থানীয় প্রভাবশালী, মাদক ব্যবসায়ী, জমির দালাল, ভূমিদস্যুরা বস্তিবাসীদের সংগঠিত করে উচ্ছেদকারীদের বিরুদ্ধে কাজে লাগায়। তাদের দিয়ে বিক্ষোভ করায়। অতীতে রাস্তা অবরোধ করার ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা সমাবেশে লোকের জোগান দেয়া হয় বস্তি থেকে।

প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

২১/০৯/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ: