১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

বিজ্ঞান বিভাগ ॥ মনে রাখবে সূত্র


বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীদের জন্য পদার্থবিজ্ঞান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। একটু কৌশলী হলেই এ বিষয়ে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন সম্ভব। পদার্থবিজ্ঞান বিষয়টি সৃজনশীল, বহুনির্বচনী অভীক্ষা, ব্যবহারিক এই তিন অংশে বিভক্ত। সৃজনশীল অংশে প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০ যা ১+২+৩+৪ পদ্ধতিতে বণ্টন করা হয়। এতে করে প্রতিটি প্রশ্নোত্তরে পুরো নম্বর অর্জনের সুযোগ থাকে। প্রশ্নের জ্ঞানমূলক এবং অনুধাবনমূলক উভয় অংশ সাধারণত পাঠ্যপুস্তক থেকে আসে। প্রয়োগিক অংশে থাকে গাণিতিক সমস্যার সমাধান। উচ্চতর দক্ষতা অংশে গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে সূত্রের প্রমাণ করতে হয়। পদার্থবিজ্ঞানে গোল্ডেন নম্বর অর্জনের জন্য বর্ণনামূলক প্রশ্নের তুলনায় গাণিতিক বিশ্লেষণমূলক প্রশ্নোত্তরের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

বহু নির্বচনী অভীক্ষায় পুরো নম্বর নিশ্চিত করতে হলে পাঠ্যপুস্তক মনোযোগসহ পড়তে হবে। মূলত সৃজনশীল অংশের চমৎকার প্রস্তুতিই হলো বহু নির্বচনী অভীক্ষা অংশের প্রস্তুতি। অর্থাৎ পরীক্ষার্থী যখন পাঠ্যপুস্তকের ওপর দারুণ একটা ধারণা নিয়ে সৃজনশীল পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হয় তখন এমনিতেই নির্বাচনী অংশের জন্য প্রস্তুতি হয়ে যায়। অবশ্য বারবার মূল বইটি ভাল করে পড়ার বিষয়টি ফিরে আসছে। তোমরা যারা গোল্ডেন মার্ক অর্জন করতে চাও তাদের লক্ষ্য রাখতে হবে নির্বচনী অংশে যাতে ৩০ বা তারও উপরে নম্বর নিশ্চিত করা যায়।

পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নগুলো চিহ্নিত করে পরীক্ষার আগে যত বার সম্ভব রিভিশন করবে। যেমন : আলোর প্রতিফলন অধ্যায়ে দর্পণ, গোলীয় দর্পণের সংজ্ঞা। আলোর প্রতিসরণে স্নেলের সূত্র, প্রতিসারঙ্ক। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক্স ভাগে এনালগ, ক্রমবিকাশ, কম্পিউটার বিষয়গুলো বেশি করে পড়তে ও লিখতে হবে।

সবসময়ই পদার্থবিজ্ঞানে কিছু ব্যতিক্রমী প্রশ্ন আসতে পারে। এগুলোর উত্তর প্রদানে সক্ষমতা পরীক্ষার্থী সম্পর্কে পরীক্ষকের ধারণা বদলে দিতে পারে। সর্বোপরি পদার্থবিজ্ঞান হলো সঠিকভাবে কম লিখেও সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার মতো সহজ একটি বিষয়।