ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ১৯ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১

পলাশ উপজেলা সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের আয়োজন

পদ্মা-মেঘনার লড়াইয়ে ড্র

প্রকাশিত: ১৯:৫০, ১ অক্টোবর ২০২৩

পদ্মা-মেঘনার লড়াইয়ে ড্র

মেঘনা একাদশের ফুটবলাররা সমানতালে লড়াই করেছেন।

নরসিংদীর পলাশের ওয়াপদা গেইটে পলাশ উপজেলা সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবটি প্রতিষ্ঠিত হয় এ বছরের ১৭ জুন। তবে ক্লাবটির নির্বাহী পরিষদ এবং পরিচালনা পরিষদ গঠিত হয় গত ২৯ সেপ্টেম্বর (ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্লাব মিলনায়তনে)। বিকেলে ওয়াপদার অদূরে অবস্থিত কো-অপারেটিভ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। যাতে পলাশ উপজেলা সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের ৩২ ফুটবলার পদ্মা এবং মেঘনা নামের দুটি দলে ভাগ হয়ে অংশ নেন। আকর্ষণীয় এবং তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ফুটবল ম্যাচে কেউ জেতেনি, কেউ হারেওনি, আবার কোন দলই গোল করতে পারেনি। অর্থাৎ ম্যাচটি পর্যবসিত হয় গোলশূন্য ড্রয়ে (০-০)। তবে গোল না হলেও উভয় দলই গোল করার একাধিক ভাল সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় সেগুলো কাজে আসেনি। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের পসরায় সাজানো উপভোগ্য এই ম্যাচটি দেখতে উপস্থিত ছিলেন বিপুল সংখ্যক দর্শক। 

ম্যাচের রেফারি ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। প্রাণবন্ত ধারাভাষ্য দেন এম.এ. হাসেম। প্রধান অতিথি হিসেবে খেলার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক ফুটবলার আওলাদ হোসেন লিটন (১৯৮৯ সালে প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ লাল দলের খেলোয়াড়)। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ফুটবল কোচ ইমতিয়াজ খান লাবু। আরও ছিলেন সাবেক ফুটবলার জাহাঙ্গীর হোসেন ইকবালসহ পলাশ উপজেলার সাবেক একাধিক ফুটবলার ও অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গ ।পদ্মা একাদশের ফুটবলারা, দারুণ খেলেছেন তারা। পলাশ উপজেলা সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের স্লোগান হচ্ছে- “ক্রীড়াই শক্তি, ঐক্যের ভিত্তি।” এটি একটি অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও অসাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ক্রীড়া সংগঠন। সংগঠনটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো পলাশ উপজেলার সব সাবেক ফুটবলার ও ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়ামোদী ব্যক্তিদের একত্রিত করে ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনা করা, নব প্রজন্মকে ফুটবল খেলায় উৎসাহিত করা, প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা, ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা, দেশের অন্যান্য স্থানে অবস্থিত সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা, দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠিত সোনালী অতীত ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করা, ফুটবলের হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারে সচেষ্ট থাকা এবং বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করা। এ পর্যন্ত ক্লাবের সদস্য প্রায় ৬০ জন। ইতোমধ্যেই সংগঠনটির লিখিত গঠনতন্ত্র, মনোগ্রাম, বিশেষ টি-শার্ট এবং দুই ধরনের জার্সি তৈরি করা হয়েছে। খেলা উপভোগ করছেন ১৯৮৯ সালে প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপজয়ী বাংলাদেশ লাল দলের সাবেক ফুটবলার আওলাদ হোসেন লিটন (বা থেকে পঞ্চম)।পাঁচ ধরনের সদস্য আছে ক্লাবটির-পৃষ্ঠপোষক সদস্য, আজীবন সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাধারণ সদস্য এবং  প্রবাসী সদস্য। 

* মেঘনা একাদশ : মোখলেস, ফারুক, মামুন, আইনুল, কামাল, জাকির, সংগ্রাম, হাসনাত, রুমেল, রাসেল (অধিনায়ক), শরিফ, মহিউদ্দিন, সিহাব, উজ্জ্বল, মাসুদ, স্বপন।
* পদ্মা একাদশ : বাচ্চু গাজী, আসনু, কামরুল, জহির, সম্রাট, আবু বকর, টিপু, একরামুল, নয়ন, নাজমুল, শফিক (অধিনায়ক), জাহাঙ্গীর, মাসুম, ফারুক, ইতি, জাহাঙ্গীর বাচ্চু।
 

রুমেল খান

×