ছবি: সংগৃহীত
খ্রিস্টধর্মের শুরু থেকেই বিভক্তি ছিল। চার্চের ইতিহাসে দুটি বড় বিভাজন ঘটে — ১০৫৪ সালের গ্রেট স্কিজম, যা ক্যাথলিক ও অর্থোডক্স চার্চকে আলাদা করে, এবং ১৫১৭ সালের রিফরমেশন, যা প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চের উদ্ভব ঘটায়।
যে বিষয়গুলোতে একমত
তিনটি শাখাই ত্রিত্ববাদ, যিশুর ঈশ্বরত্ব, পুনরুত্থান এবং যিশুর মাধ্যমে মুক্তিতে বিশ্বাসী। তারা কুমারী মেরির মাধ্যমে যিশুর জন্মেও একমত, তবে ক্যাথলিক ও অর্থোডক্সরা মেরির চিরকুমারীত্বে বিশ্বাস করেন।
মূল পার্থক্য
তিনটি শাখার মধ্যে মতভেদ রয়েছে মুক্তির ধারণা, বাপ্তিস্ম ও ঐতিহ্যের ভূমিকা নিয়ে। ক্যাথলিক ও অর্থোডক্সরা বাইবেলের পাশাপাশি চার্চের ঐতিহ্যকেও সমান গুরুত্ব দেয়, যেখানে প্রোটেস্ট্যান্টরা কেবল বাইবেলকেই সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব বলে মনে করে।
তিনটি শাখার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
ক্যাথলিক চার্চ: পোপকে সেন্ট পিটারের উত্তরসূরি হিসেবে মানে। তারা ট্রানসাবস্টানসিয়েশন-এ বিশ্বাস করে, যেখানে ইউকারেস্ট যিশুর প্রকৃত শরীর ও রক্তে রূপান্তরিত হয়।
অর্থোডক্স চার্চ: ঐতিহ্যবাহী আচার-অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় চিত্র (আইকন) ব্যবহারে গুরুত্ব দেয়। তারা নিজেদের শাসন পরিষদ পরিচালনা করে, পোপের নেতৃত্ব মানে না।
প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ: কেবল বাইবেলকে সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব হিসেবে মানে এবং বিশ্বাসের মাধ্যমে মুক্তির উপর জোর দেয়।
আজকাল মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও, তিনটি শাখাই একে অপরকে খ্রিস্টের অনুসারী ও ভাই-বোন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
তথ্যসূত্র: https://www.premierunbelievable.com/articles/protestant-catholic-and-orthodox-whats-the-difference-and-does-it-matter/14994.article
আবীর








