ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে আগুন লেগেছে। প্রতিবেদকদের ধারণা অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ শোধনাগারে পড়ে এতে আগুনের সূত্রপাত হয়। শোধনাগার থেকে ধোঁয়া উঠে আসার দৃশ্যও দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাত পর্যন্ত শোধনাগারের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আল-জাজিরা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সঙ্গে সঙ্গে উত্তর ও মধ্য ইসরায়েল ও জেরুজালেমে বিমান হামলার সতর্ক সংকেত বাজানো হয়েছে। হামলার কারণে কোনও হতাহতের তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
ইতোমধ্যে এ ধরনের হামলা প্রথম নয়; গত বছর ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ১২ দিনের উত্তেজনার সময়ও হাইফার তেল শোধনাগারটি লক্ষ্যবস্তু ছিল।
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে আরও একাধিক তেল ও গ্যাস সংক্রান্ত লক্ষ্যবস্তুতে হামলার খবর পাওয়া গেছে। কুয়েতে মিনা আবদুল্লাহ শোধনাগারে ড্রোন হামলার ফলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, যদিও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া কুয়েতের মিনা আল আহমাদি শোধনাগারেও একই ধরনের হামলা ঘটেছিল।
এই সংঘর্ষের জবাবে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলার খবরও পাওয়া গেছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সের একটি অংশে আগুন লেগেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি, যা বৈশ্বিক তেলের বাজারে দামের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
Mily








