ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

ঢাকার দিনরাত

মারুফ রায়হান

প্রকাশিত: ২০:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

ঢাকার দিনরাত

বাংলা নববর্ষ বরণের সবচাইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন রমনার বটমূলে

বাংলা নববর্ষ বরণের সবচাইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন রমনার বটমূলে সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের পরিবেশনা। এটি রীতিমতো ঐতিহ্যে পরিণত। অসাম্প্রদায়িক সর্বজনীন উৎসবের প্রতীকও হয়ে উঠেছে এটি। বিপুলসংখ্যক ঢাকাবাসী এতে যোগ দেন। এর অন্তর্নিহিত সাংস্কৃতিক ও মানবিক শক্তির স্বরূপ চিনেছিল বলেই মৌলবাদীরা সেখানে বোমা হামলা চালিয়েছিল। এর পর থেকেই উৎসবে আগত বিপুল মানুষের নিরাপত্তা দিতে সুবিশাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। তবে বলতেই হচ্ছে, এটি এখন কিছুটা প্রকট ও উৎকট অবয়ব ধারণ করেছে

ঈদের আগের লেখায় বলেছিলাম, হাত ধরাধরি করে আসছে ঈদ ও নববর্ষ। এ এক দারুণ সময়। সত্যিই তাই। জনচাপের জন্য সমালোচিত ঢাকা ঈদে অনেকটা হালকা হয়েছিল, বলতেই হবে। তাই ঈদের দিন স্বচ্ছন্দে চলাফেরা করা গেছে মহানগরীতে। যদিও ঈদের টানা ছুটি শেষ হলো রবিবার, পহেলা বৈশাখে। ওইদিন ঢাকায় সহনীয় পরিস্থিতিই বিরাজ করেছে। তবে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত বৈশাখী আয়োজনে জনসমাগম হয়েছে প্রচুর। বাঙালি যে উৎসবপ্রিয় জাতি সেটি বোঝা গেছে আরও একবার। 
বিষয়টি ছিল নজিরবিহীনই। সংবাদপত্রে ছুটি ছিল টানা ৬ দিনের। তবে কড়ায়গ-ায় হিসাবে বসলে দেখা যাবে সাংবাদিকরা বাড়তি ছুটি পেয়েছেন মোটে একটা দিন। কেননা ঈদে থাকে ৪ দিন ছুটি, নববর্ষে ১ দিন। ৫ দিনের ছুটির সঙ্গে বাড়তি ১টা দিন যোগ করায় হয়ে যায় টানা ৬ দিনের ছুটি। সোমবার যথারীতি আমরা অফিস করছি আগামীকাল সকালে পাঠকের হাতে সংবাদপত্র তুলে দিতে। বসে গেছি এ কলাম লিখতে। 
ঈদের ছুটি শেষ হলেও অনেকে নিশ্চয়ই এখনো ঢাকায় ফেরেননি। আজ সোমবার পর্যন্ত যানজট প্রায় ছিলই না রাজধানীতে। বেশ ফাঁকা ফাঁকা রাস্তা। দেখেও শান্তি। বেড়িয়েও মজা। 

বিপন্নদের ঈদ
যথারীতি ঈদের দিন সকালে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান নিটোরে (পঙ্গু হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত) গিয়েছিলাম। দিনভর সেখানেই ছিলাম। আগারগাঁওয়ের রাস্তাটা বেশ চওড়া আর সুন্দর। দু’পাশে বিশাল বিশাল কয়েকটি নতুন ভবন ইউরোপীয় আবহ নিয়ে এসেছে যেন। হাসপাতালের ওয়ার্ডে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত মনটা ফুরফুরেই থাকল এসব নিয়ে। ইএফ নামের ওয়ার্ডে বর্তমান রোগীর সংখ্যা ৮২ জন। পাশাপাশি দুটি সুবিশাল কক্ষ মিলে একটি ওয়ার্ড।

এটিকে এখন ইনফেকশন ওয়ার্ড করা হয়েছে। পুরোটাই ফ্রি বেডের ওয়ার্ড। হাড় ভাঙা রোগীদের নানা কারণে চোটের স্থানে ইনফেকশন হয়। কারো কারো পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে যে অঙ্গহানির আশঙ্কা দেখা দেয়। গত কয়েক বছর যেমন মনে হয়েছিল সড়ক দুর্ঘটনা বেশ বেড়ে গেছে। ঈদের দিন মোটরবাইকে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে, এবার কি পরিস্থিতির উন্নতি হলো? নাকি অনেক রোগী এখন চলে যাচ্ছেন প্রাইভেট ক্লিনিকে।

দুস্থ রোগীদের অবশ্য বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সামর্থ্য নেই। তাই চিকিৎসা বিলম্বিত হলেও তারা বাধ্য হয়েই পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। বলা দরকার, হাসপাতালের নতুন ভবনটি বেশ পরিপাটি। রোগীদের হাসপাতালবাস অতটা চাপাচাপির দশায় নেই। পুরনো ভবনটায় আগের মতোই রোগীদের বাহুল্য এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সংকট রয়েছে।
আমরা তো জানিই, ঈদের দিনেও ঈদ করার পুরো সুযোগ বা অবকাশ হয় না বহু মানুষের। কেননা, ঈদের দিনও তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হয়। একজন গৃহিণীও ঈদের দিন কম অবকাশ পান। তিনিও দিনভর থাকেন ব্যস্ত। তবু রান্নাবান্না, আপ্যায়নের মাঝেও ঈদের আনন্দ উঁকি দিয়ে যায়। অন্যদের আনন্দে আনন্দিত থাকার মতো মানুষ পরিবারে সবার আগে ওই গৃহিণী বা মা-ই। যা হোক, হাসপাতালেও ঈদ আসে। কিন্তু ঈদের আনন্দ স্পর্শ করে না পীড়িত ব্যক্তি ও তার পাশে থাকা স্বজনদের। 
এক দশক যাবত রোজার ঈদে পঙ্গু হাসপাতালে যাওয়া নিয়ম করে ফেলেছি। করোনাকালে কোনো রেস্টুরেন্ট অর্ডার না নেওয়ায় একবার বাসায় তৈরি দুপুরের খাবার নিয়ে গিয়েছিলাম রোগীদের জন্য। এবার অর্ডার দিই। ঈদের দিন অর্ডার পাওয়া সহজ নয়। দিনভর পঙ্গু হাসপাতালে কাটিয়ে মনে হলো বিত্তহীন, খেটেখাওয়া মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় সাময়িকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়লে পুরো পরিবারটিই অনেকটা পথে বসে যায়।

তাদের পাশে দাঁড়াবার তেমন কেউই থাকে না। এত  সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠন। তবু হঠাৎ বিপদে পড়া একটি পরিবারের পাশে কাউকে পাওয়া যায় না। এমনকি দুর্ঘটনার জন্য যারা দায়ী তারাও চিকিৎসার ব্যয় বহনে এগিয়ে আসে না, তাদের বাধ্যও করা যায় না। আমাদের সমাজ কি আগে এমনটা ছিল? তবে ভালো লাগলো দেখে যে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য এককালীন দুই হাজার টাকা প্রদান করে থাকে। সেজন্যে রোগীকে নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হয়।

অবশ্য অনেক রোগীই এটা জানেন না। নার্স ও ওয়ার্ড বয়দের থেকে তথ্য পেয়ে আর্থিক সাহায্যের জন্য আবেদন করেন। এবার স্বেচ্ছায় বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা বিকেলের দিকে এসেছিলেন দুয়েকজনকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার অভিপ্রায়ে। মূলত পঙ্গু শিশুদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলতে। একজন মায়ের হাতে অর্থ তুলে দিয়ে বললেন, এটা আপনার সন্তানের জন্য ঈদের উপহার। আর্থিক সহায়তা দানের এই অ্যাপ্রোচটি প্রশংসনীয়। এতে দুস্থজনরা অর্থ গ্রহণে সংকোচ বোধ করবেন না, বরং তার মন আনন্দে ভরে উঠবে। কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁকে।
পঙ্গু হাসপাতালে মূলত বিত্তহীন, দুস্থ রোগীদেরই প্রাধান্য। কোনো না কোনো দুর্ঘটনায় সাময়িকভাবে পঙ্গু হয়েই রোগীরা আসেন পঙ্গু হাসপাতালে। সাত-আট বছর আগে দেখেছি বাস-মিনিবাস ছিল দুর্ঘটনার প্রধান একটি কারণ। এ থেকে সমাজ বাস্তবতাও বোঝা যায়। বাস-মিনিবাসের চালকদের অনিয়ম, নেশা করে গাড়ি চালনা, অনেকক্ষেত্রে লাইসেন্সবিহীন কিংবা যথাযথ প্রশিক্ষণ না থাকা চালকের গাড়ি চালানোসহ অনেক কথাই আমরা হাজারবার শুনেছি। এর কোনোটিই যে অসত্য, এমনও নয়। 
পঙ্গু হাসপাতালে থাকতে কিংবা রোগীর সেবা করতে কারই বা ভালো লাগে। আর হাড়ভাঙা রোগের চিকিৎসা দীর্ঘকাল ধরে করা হয়। অনেক সময় অনেকটা অনিশ্চয়তাও থাকে। ভালুকার সোহেল, মনপুরার বাবুল, নোয়াখালীর সানবিরÑ এমন দু’চারজনই শুধু নয়, সবারই দুর্ঘটনার গল্প অত্যন্ত করুণ। শুনতে শুনতে চোখে পানি এসে যায়। সুচিকিৎসা না পেলে এদের কারো কারো আগামী জীবন অনেকটা পঙ্গু দশায় কাটার ঝুঁকি রয়েছে, বুঝতে পেরে মনটা দমে যায়। আমার মজার মজার কথায় সাময়িক আনন্দিত হলেও কিছুক্ষণ পরেই তাদের চোখেমুখে লক্ষ্য করেছি অনিশ্চয়তা আর হতাশা। আমার যৎসামান্য আর্থিক সহায়তায় সবচেয়ে দুস্থ রোগীদের আর কতখানি উপকার হবে?

রমনার বটমূলে পহেলা বৈশাখে ও মহড়ায়
বাংলা নববর্ষ বরণের সবচাইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন রমনার বটমূলে সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের পরিবেশনা। এটি রীতিমত ঐতিহ্যে পরিণত। অসাম্প্রদায়িক সর্বজনীন উৎসবের প্রতীকও হয়ে উঠেছে এটি। বিপুলসংখ্যক ঢাকাবাসী এতে যোগ দেন। এর অন্তর্নিহিত সাংস্কৃতিক ও মানবিক শক্তির স্বরূপ চিনেছিল বলেই মৌলবাদীরা সেখানে বোমা হামলা চালিয়েছিল। এর পর থেকেই উৎসবে আগত বিপুল মানুষের নিরাপত্তা দিতে সুবিশাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। তবে বলতেই হচ্ছে, এটি কিছুটা প্রকট ও উৎকট অবয়ব ধারণ করেছে। অনেকেই এটায় বাড়াবাড়ি খুঁজে পান।

প্রবলভাবে দৃশ্যমান না হয়েও যে নিরাপত্তা বিধান সম্ভব, সেটি বুঝতে পারাটা সূক্ষ্ম রুচি ও স্বাভাবিক দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়। যাহোক, পহেলা বৈশাখের আগেরদিন সকালে ছায়ানটের অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত মহড়া দেখার জন্য রমনায় প্রবেশের আগে বাইরে থেকে সাজ সাজ রব দেখে মনে হলো র‌্যাবের কোনো অনুষ্ঠান আছে বোধহয়। প্রকৃতপক্ষে পরদিন বর্ষবরণে নিরাপত্তা নিশ্চিতের মহড়া দিতেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওই বিশাল জমায়েত ও কর্মযজ্ঞ। 
পহেলা বৈশাখে রমনায় সকাল ছয়টার মধ্যে প্রবেশ করেই দেখি প্রায় অর্ধেকটা জায়গা পূরণ হয়ে গেছে। যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঞ্চের খুব কাছে প্রথম সারিতে বসার সুযোগ পেলাম। তবে শব্দযন্ত্রের ঢাউশ বক্সগুলোর কাছে। কানের সুরক্ষার জন্য সেখান থেকে উঠে মঞ্চের পেছন দিকটায় যেয়ে দাঁড়ালাম পরে। বিটিভি সরাসরি সম্প্রচার করছে অনুষ্ঠানটি যথারীতি। নিঃশব্দে চমৎকারভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছে।

প্রচুর স্টিল ক্যামেরায় ছবি তুলছেন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফাররা। আর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে ছবি তোলেননি বা ভিডিও করেননি এমন মানুষ খুব কমই রয়েছেন। এমনকি ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের যে ভদ্রমহিলা মঞ্চের কাছাকাছি পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত ছিলেন, তিনি নিজেও মোবাইলে ছবি তুলছিলেন। সংস্থারই এক নারী সদস্যকে ডেকে মঞ্চের ঠিক গা ঘেঁষে দাঁড়ালেন। তারপর পোজ দিতে থাকলেন ছবি তোলার জন্য। ছায়ানটের পরিবেশনা শেষ হয় সাড়ে আটটায়। বরাবরের মতোই মানসম্পন্ন ছিল সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশনা। মঞ্চে উপবিষ্ট শিল্পী ও যন্ত্রীদল নির্দিষ্ট পোশাক পরেছিলেন।

প্রতিবছরই নতুন নতুন ডিজাইনের এবং রঙের শাড়ি ও পাঞ্জাবি নির্ধারণ করা হয় বর্ষবরণের এই আয়াজনের জন্য। ফলে চোখ ভরে দেখার মতোও হয় ব্যাপারটা। এবার পহেলা বৈশাখ রোজার মাসে পড়েনি বলে নিজস্ব শিল্পী ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্যে শালপাতার পাত্রে নাস্তা পরিবেশন করা হয়, মিষ্টিও ছিল যথানিয়মে।
প্রসঙ্গত, রমনার বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান শেষে শাহবাগে চারুকলার সামনে গিয়েছিলাম। সে সময় চলছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরুর চূড়ান্ত প্রস্তুতি। র‌্যাবের বহু সদস্য মোটরসাইকেল নিয়ে শোভাযাত্রাটির পুরোভাগে অপেক্ষারত। শোভাযাত্রা শুরুর ইঙ্গিত পেলেই সশস্ত্র চালকরা অগ্রসর হবেন। ভেবেছিলাম এখানেই শেষ। তা কিন্তু নয়। গত বছরের মতো আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়েও র‌্যাবের বহু সদস্য আছেন আরেকটু পেছনেই, মাঝামাঝি অবস্থানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশও আছেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক।

অভিযোগ আগে থেকেই রয়েছে যে, মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বর্ষবরণের দিন চারুকলা থেকে বের হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রার সামনের পুরোটা অংশজুড়ে এভাবে অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে থাকে পুলিশ, র‌্যাব, সোয়াতসহ বিভিন্ন বাহিনীর অগনিত সদস্য। সমালোচকদের মতে, এর ফলে মঙ্গল শোভাযাত্রাটি এর নিজস্ব সৌন্দর্য হারাচ্ছে। টেলিভিশনে দেখে মনে হচ্ছে, এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রদর্শনী। এ ব্যাপারে অনেক বলেও কাজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজকরা। নিরাপত্তা তো কিছুটা দূর থেকেও দেওয়া যায়। সাদা পোশাকেও দেওয়া যায়। বিষয়টি ভেবে দিখতে পারেন নিরাপত্তা প্রদানকারীরা।

সড়কে বৈশাখী আলপনা
পহেলা বৈশাখের আগের রাতে আসাদ গেট থেকে পান্থপথে আসার পথে দেখলাম মানিক মিয়া এভিনিউতে কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আসলে সেখানে ওই সময় চলছিল বৈশাখী আলপনা আঁকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। দুই কিলোমিটার সড়কের উভয়পাশে নান্দনিক আলপনা আঁকা এবারই নতুন নয়। করোনা মহামারির কারণে গত কয়েক বছর এই আয়োজন বন্ধ ছিল। অবশেষে অষ্টমবারের মতো এ বছর আলপনায়  বৈশাখ ১৪৩১ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। 
১৫ এপ্রিল ২০২৪  

[email protected]

×