ছবি: সংগৃহীত।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) “বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখা” এর শিক্ষকতা পেশার প্রবেশ পদ ১০ম গ্রেড থেকে উন্নীত করে ক্যাডারভুক্ত ৯ম গ্রেডে উন্নীত করা হবে না কেন জানতে রুল জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কলেজ শাখার মতো বিদ্যালয় শাখার শিক্ষকদের জন্য ৪-৬টি পদসোপান প্রবর্তন করার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার উচ্চ আদালত এ রুল জারি করেন।
বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখার ১৫ জন সংক্ষুব্ধ শিক্ষকের দায়েরকৃত এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. শফিকুল ইসলাম (সোহেল) বলেন, এই রুল জারির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখার সহকারী শিক্ষক/সহকারী শিক্ষিকাদের দীর্ঘদিনের বৈষম্যমূলক অবস্থার একটি ন্যায়সঙ্গত ও আইনগত সমাধানের পথ উন্মোচিত হয়েছে।
সরকারি মাধ্যমিকের শিক্ষকরা জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কলেজ শাখার শিক্ষকতা পেশার প্রবেশ পদ যেখানে নবম গ্রেড (ক্যাডার), সেখানে, বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখার শিক্ষকতা পেশার প্রবেশ পদ দশম গ্রেডের ননক্যাডার পদ। আবার ১৯৯১ সাল হতে সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগ যোগ্যতা দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। এর সাথে সহকারী শিক্ষকদেরকে পদের সাথে সংশ্লিষ্ট পেশাগত ডিগ্রি বিএড/বিপিএড অর্জন করতে হয়, যা বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কলেজ শাখার সাধারণ কলেজের প্রভাষক পদের নিয়োগ যোগ্যতা দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর হতে একটি বেশি এবং টি.টি কলেজের প্রভাষক পদের নিয়োগ যোগ্যতার (স্নাতকোত্তর -২য় শ্রেণি, বিএড) এর সমান।
এম.কে








