ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ০২ মার্চ ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০

অর্থনৈতিক মুক্তিই বাঙালির লক্ষ্য

প্রকাশিত: ১৭:০৭, ২৬ মার্চ ২০২৩

অর্থনৈতিক মুক্তিই বাঙালির লক্ষ্য

উপাচার্য ড. মশিউর রহমান

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান বলেছেন, ‘শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তিই আমাদের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার। বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাধারণ মানুষের মুক্তি হচ্ছে আসল কথা।

রবিবার সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর আবদুস সালাম হাওলাদার, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন দপ্তরের বিভাগীয় প্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। 

খেটে খাওয়া, শ্রমজীবী মানুষ- তার যে দারিদ্রের বলয় সেটিকে ভেঙে অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে উল্লেখ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, পুরো বিশ্বব্যবস্থা সম্পর্কে আমরা জানি। সেখানে যদি মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা তৈরি না হয়, তাহলে সে ঝড়ে পরতে পারে। আমাদের মূল জায়গা একটি মানুষও যেন ঝড়ে না পরে।

সমাজবিজ্ঞানী ড. মশিউর রহমান বলেন, ‘স্মৃতিসৌধে আসার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নিজেদের সমৃদ্ধ করা, শাণিত করা। আর মুক্তিযুদ্ধের মূল জায়গা প্রতিটি মানুষের মুক্তি। বঙ্গবন্ধু শোষণহীন, বঞ্চনাহীন একটি সমাজের কথা ভেবেছিলেন। যদি সমতাভিত্তিক সমাজ সৃষ্টি করা যায়, যেখানে বৈষম্য থাকবে না। তাহলে প্রতিটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে পারবো। এটিই স্বাধীনতার মূল জায়গা। পাশাপাশি আমরা অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চেয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লব কর্মসূচিতে সমাজতান্ত্রিক সমাজের একটা সমন্বয় করতে চেয়েছিলেন। এগুলোর প্রকৃত অর্থ হচ্ছে- বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষণে যে দুটি শব্দের কথা বলেছিলেন-স্বাধীনতা এবং মুক্তি।’

কাজল

×