মঙ্গলবার ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৭ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা

সোনারগাঁয়ে দুই এসআই হত্যা মামলার আসামি ৯দিন পর গ্রেফতার

সোনারগাঁয়ে দুই এসআই হত্যা মামলার আসামি ৯দিন পর গ্রেফতার
  • চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর

নিজস্ব সংবাদদাতা, সোনারগাঁ ॥ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার দত্তপাড়া এলাকায় পুলিশের দুই উপ-পরিদর্শক (এসআই) হত্যা মামলার পলাতক আসামি আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছেন থানা পুলিশ। বুধবার কক্সবাজারের চকোরিয়া থেকে তাকে গ্রেফতারের পর ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

পরে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) শেখ বিল্লাল হোসেন। গ্রেফতারকৃত আলমগীর হোসেন চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার বাশকানিয়া পাড়া গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে।

জানা যায়, ১৭ জানুয়ারি সোমবার গোপন সূত্রে তথ্যর ভিত্তিত্বে টেকনাফ থেকে ৫০ হাজার ইয়াবার একটি চালান আসছে এমন খবর পেয়ে সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোলপ্লাজায় তল্লাশি চৌকি বসায় পুলিশ। এ সময় আসামির গাড়িকে সিগন্যাল দিলে এক কনস্টেবলকে আহত করে দ্রুত সেটি পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে। পরে পুলিশের আরেকটি টিম মোগড়াপাড়া এলাকায় ধাওয়া করে আসামি আলমগীর হোসেনকে গাড়িসহ ৪২ হাজার ইয়াবা বড়িসহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর আসামিকে নিয়ে তারা সরাসরি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে চলে যায়। পরে এসপি অফিসে তাদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের পর আসামিকে নিয়ে থানায় রওয়ানা দেন দুই এসআই ও এক এএসআই।

তবে, তাদের তিনজনের কেউই গাড়ি চালাতে পারেন না। তাই আসামিকে গাড়ি চালানো জন্য দায়িত্ব দেন। পরে সোনারগাঁয়ের দত্তপাড়া এলাকায় সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পৌঁছালে গাড়ি থেকে কৌশলে লাফিয়ে পড়ে গাড়ি খাদে ফেলে আসামি আলমগীর পালিয়ে যায়। এসময় গাড়িতে থাকা ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার মুনসুরাবাদ গ্রামের কাজী নুরুল ইসলামের ছেলে এস আই কাজী সালেহ আহম্মেদ ও গোপালগঞ্জের চরভাটপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে এসআই এসএম শরীফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে মারা যান এবং একজন এ এস আই আহত হন।

এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) সেই আসামি পালানোর ঘটনায় সভাপতি করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানকে সভাপতি কওে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার খ-জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম শাহরিয়ার হাসান, নারায়ণগঞ্জ ডিএসবি শাখার ডিআইও-২ মো. হুমায়ুন কবির খান দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা পুলিশ।

কমিটিকে ৭ কার্যদিবসে অনুসন্ধান করে সুস্পষ্ট মতামতসহ একটি বস্তুনিষ্ট প্রতিবেদন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলমের নিকট দাখিলের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

শীর্ষ সংবাদ: