মঙ্গলবার ৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ১৪ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

অশরীরী

  • মহি মুহম্মদ

অন্ধকারটা লাফিয়ে নামে।

বিদ্যুৎ নেই। একটা সাদা পাহাড়ের মতো দাঁড়ানো বাংলোটা। পেছনে গভীর খাদ। ওখান থেকেই বুঝি চিৎকারটা ভেসে এলো। মহুয়ার চিৎকার? না হলে, আর কে? বুধু কি মহুয়ার কোন অনিষ্ট করল! মনে হচ্ছে পেছন থেকে কেউ ঘাড়ের ওপর শ্বাস ফেলছে। বুধুর হাঁক শোনা গেল।

হেই, কে লাগিস? হেই, কে লাগিস? হুঁশিয়ার, সাবধান। হাঁক ছাড়ার মধ্যে অদ্ভুত একটা টান আছে। না শুনলে বোঝানো সম্ভব নয়! ওর গলা তেজি। ভয়হীন। কিন্তু যার কানে ঢুকবে, সে ভয় পাবে নিশ্চিত। মনে হবে হাজার বছরের পুরনো ইতিহাস থেকে উঠে এসেছে এই কণ্ঠ। আর হবেই না কেন! বুধুর গলাটাও বাজখাই। চোলাই গিলে গিলে একেবারে খড়খড়ে বানিয়ে ফেলেছে। এখন আওয়াজ করলেই টং টং বাজে। সুমিত জিজ্ঞেস করেছিল, বুধু এত চোলাই খেলে তুমি তো বাঁচবে না।

বুধুর হলুদাভ চোখ দুটো ধক ধক করে উঠেছিল। বলল, কে বাঁচতে চাইচ্ছে? কী হবে বাবু বাইচে কনে? চা, বিস্কুট, ভাত, বিড়ি, সিগরেট, তামাক, পানি কে কাকে দিবে? তারতুন মইরে গেলে ভালা নাই! হে হে...।

হাসির এই ‘হে হে’ ধরনটা একটানা রেলগাড়ির মতো চলতে থাকে। বেশ ছন্দময়।

অন্ধকারে কুয়াশার রূপ চোখে পড়ছে না। মাঝে মধ্যে কাঁপুনি দিচ্ছে শীত। নাকে মুখে একটা ঝামটা মারছে হিমেল ভেজা হাওয়া। ঘড়ি দেখল সুমিত সময় হয়ে গেছে। এখন না গেলে বাঁচানো সম্ভব হবে না। বেরিয়ে এলো সে। এত গাঢ় অন্ধকার মনে হয় আঁধারের দেয়ালের সঙ্গে ধাক্কা লাগবে।

দরজাটা লাগাতে ভুল হয়নি তো! সংশয়টা অনেক পুরনো! বাইরে বের হলে মনে হবে এটা নেয়নি, ওটা নেয়নি, দরজায় তালা লাগায়নি। কখনও কখনও মনে হয় চুলা নেভায়নি! এসব নানা সংশয় তাকে একেবারে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। আশপাশে বুধুকে দেখতে পাচ্ছে না। না জানি কোনদিকে ঘাপটি মেরে আছে। সময় হলেই বের হয়ে আসবে। কিন্তু ওকে খোঁজ করার প্রয়োজনবোধ করল না সুমিত। তাতে দেরি হবে। হাতে একদম সময় নেই। বেল্টটা ভালো করে কোমরে বাঁধল। জুতোর ফিতায় শক্ত গ্যাড়ো কষাল। যাতে দৌড় ঝাঁপে জুতো খুলে না যায়। মাথায় হ্যাটটা দিল। কুয়াশা থেকে সহজেই বাঁচা যাবে। খয়েরি রঙের হ্যাটটা মাথায় আট হয়ে গেল। কাউবয়ের মতো মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে, কোন অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে সে। চার পাশে চোখ বুলাল। না, বুধুর বাচ্চাটাকে কোথাও নড়াচড়া করতে দেখল না। তারপরও চোখ পেতে রাখল। অন্ধকার ফুড়ে বেরিয়ে এলে ভয় পেয়ে যাবে। তার চেয়ে আগে ভাগে ওর অবস্থান জেনে নেয়া ভালো।

লাল করোলিযুক্ত পাহাড় আস্তে আস্তে নামতে লাগল। পায়ের নিচে করোলিগুলো শ্লিপ কাটতে পারে। আর একবার শ্লিপ কাটলে রক্ষা নেই। চিৎপটাং। তাতে হাড়গোড় না ভাঙলেও চামড়ার ছাল-নুন উঠে যাবে। তারপর শুরু হবে অসহ্য জ্বলুনি। মনে হবে কেউ চামড়া ছুলে বাটা মরিচ লাগিয়ে দিয়েছে। কিছুদিন আগে সে অমন আছাড় একটা খেয়েছিল। পাতির মেয়েরা খিলখিল হাসছিল। মনে হয়েছিল কিছুই হয়নি। ওমা পরে দেখা গেল প্যান্ট ভিজে উঠেছে। ত্বকের ছাল-নুন উঠে গিয়ে রক্ত ঝরছে। তাই সাবধানতা প্রয়োজন।

চারপাশে প্রচুর গর্জন গাছ থাকায় অন্ধকারটা বেশ জমকালো। মনে হচ্ছে চারপাশে আলকাতরা চুঁইয়ে পড়ছে। আজ কি অমাবস্যা? সুমিতের সংশয় জাগে। এমন অন্ধকার কেন? আসলে এ চা-বাগানে এসে তার কোন কিছুই মনে থাকে না। না তারিখ। না দিন-মাস-ক্ষণ। এর পেছনে মহুয়াই দায়ী। মুহূর্তেই ওর চোখে মহুয়ার অদ্ভুত সুন্দর দেহখানি সাপের মতো বাঁক নিয়ে ফণা তুলে ধরল। কল্পনায় ওর হাসিতে সাদা দাঁতের ঝলকানি দেখে মাথা পাগল হওয়ার যোগাড়।

অসাবধানে পা বুঝি একবার হড়কে গেল! শিশির পড়ে রাস্তা ভিজে আছে। আকাশের দিকে তাকিয়ে মøান নক্ষত্ররাজি চোখে পড়ল। গাছগুলো যেন আস্তে আস্তে জীবন্ত হয়ে উঠছে। আকাশি, মালাকানা, মিনজিরি। মিনজিরিটাকে দিনের বেলাতেই ভয় লাগে। আর রাতের এই সময় যেন সে প্রাণ ফিরে পায়। মনে হচ্ছে সুমিতকে এক্ষুণি পিছু টেনে ধরবে। সুমিত ত্বরিত বেগে একবার পেছেনে ফেরে। না গাছটি এখনও ঝাঁপিয়ে পড়েনি। যথাস্থানে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু মনের ভেতর শুধু কু ডাকছে। কি জানি কি হয়!

ঠিক এই সময়ে ছাতিমের পাগলপারা ঘ্রাণটা নাকে মুখে ঝামটা মারল। এত তীব্র যে মগজের ভেতর রি রি করে ওঠে। সুমিতের এমন কড়া ঘ্রাণ পছন্দ নয়। সে আরেকটু কোমল, হালকা ঘ্রাণ পছন্দ করে। মনোগিরির টিলাটা কাছাকাছি চলে এসেছে সে। গর্জন গাছের সারির ফাঁক দিয়ে গর্জনটিলার বাড়িগুলো চোখে পড়ছে। এখন আর কোন বাড়িতে আলো জ্বলছে না। সবাই ঘুমে বিভোর। কিন্তু একটা খোলের শব্দ যেন বুকের ভেতর ঘা মারছে। কলজের বোটা খসিয়ে দেবে মনে হচ্ছে।

খোলের শব্দ ভেসে আসছে। অদ্ভুত মাদকতা আছে বোলে। শরীরের ভেতর থেকে থেকে কী যেন করে। মোচড়াতে থাকে। মাদকতা ছড়ায়। শব্দটা আসছে গর্জনটিলা থেকে। মধু খোল বাজায়। দিন নেই, রাত নেই সুযোগ পেলে ছেলেটা খোলে হাত ঠুকে। ওকে খোল টানে।

শালার পুত, তোর গলায় খোল বেঁধে ঢ্যাবার পানিতে চুবিয়ে মাইরতে পারলে ভালো হতো। এই ধরনের একটা কথা বুঝি বুধু বলেছিল। কেউ কেউ বলে মধুর মাথায় সমস্যা আছে। কি সমস্যা? সে কথা কেউ সহজে বলে না। তবে বুধু দিয়েছিল ভিন্ন তথ্য। বলে ছেলেটা একটা মেয়েকে ভালোবাসত। সেই মেয়েটা ওকে ফেলে চলে যাবার পর ওর এই অবস্থা। তবে বয়োবৃদ্ধ বলরাম সরকার বলেন ভিন্ন কথা।

তিনি বলেন, কালি পুজোর রাতে খোল বাজাতে গিয়ে মধু খেই হারিয়ে ফেলেছিল। তারপর ওর মরণ দশা। আর কয়েক মিনিট দেরি করলেই ওর প্রাণবায়ু বেরিয়ে যেত। কিন্তু ওর ভাগ্য ভালো। হঠাৎ ছেলেটা সম্বিৎ ফিরে পায়। আর তার হাত আবার কাজ করতে থাকে। সে হাতে জাদু খেলতে থাকে। আর খোলের ভেতর থেকে অদ্ভুত মাতম বেরিয়ে আসে। ওর খোলের বোল শুনলে বুকের ভেতর হৃদপি-টা লাফাতে থাকে। সেই থেকে কি যেন অলৌকিক স্পর্শে মধুর অবস্থা এমন। এখন ওকে পাক্কা ওস্তাদ মানতে হবে। খোলের ওপর ওর আঙুলের খেলা দেখার জন্য অনেকে ভিড় জমায়। তবে সে যার তার সামনে টোকা দেয় না। রাত গভীর হলে ওর খোলের বোল বাজতে থাকে। নিশিরাত শোনে ওর খোল। অনেকেই বলে নিশিরাতে অন্য কেউ থাকে ওর সঙ্গে খোলের বোল শুনতে। অতি উৎসাহী হয়ে কেউ কেউ উঁকি দিয়েছিল। তারা নাকি ভয়ও পেয়েছে। তাই যারা জানে, তারা এখন কেউ মাথা ঘামায় না ওর ব্যাপারে। ওর খোল বাজতে থাকে সবাই ঘুমিয়ে গেলে। ওর খোল জাদু খেলে রাত নিশুতি হলে। চরাচর নিস্তব্ধ হয়ে ওর খোল শোনে।

সুমিত ধেত্তেরি বলে উড়িয়ে দিয়েছিল। যত্তোসব আজগুব কথা। এমনধারা হয় নাকি! তারপর নিজেই একদিন বুধুকে নিয়ে গিয়েছিল যাচাই করতে। বুধু সব কিছু বুজিয়ে বলল। বলল, সাহেব এইসেছে তোর খোল বাজনা শুইনবে।

কিন্তু মধু মনে হয় পাত্তা দিল না। সুমিতের ইচ্ছে হচ্ছিল পাছার ওপরে বেত দিয়ে দু’ঘা লাগায়। আদিখ্যেতা পছন্দ হচ্ছিল না। যত্তোসব বলে মনে মনে বিরক্ত হলো। কিন্তু বাস্তবে ধৈর্য ধরল সে। অবশেষে সেই অদ্ভুত বাদন শুনল। কিছু একটা ভর করে যেন ওর ওপর। অন্যজগতে চলে যায়। পুরোটাই অলৌকিক মনে হয়। হাতের আঙুলগুলোতে কি যেন একটা ঝড় বয়ে গেল। দেখে গা শিউরে উঠল সুমিতের। শুধু ভাবল, ওর আলাদা একটা শক্তি আছে নিশ্চয়ই!

প্রথম যেদিন মহুয়ার সঙ্গে দেখা হলো সেদিনটির কথা মনে পড়ল সুমিতের। অনার্যকন্যার পাকা গমের মতো রং। ব্যতিক্রম নাকটা চ্যাপ্টা। চোখ দুটো বড় নয়। তাতে শুধু হালকা করে কাজল টানা। শরীরে বাধভাঙা উচ্ছ্বাস। কথা বললে চোখ নাচে। সুমিতের ভালো লেগে গেল। বাংলোতে যদিও তার কাজের লোক ছিল, তারপরও মহুয়া আসত। সবার সামনেই আসত। কিন্তু কেউ কখনও মহুয়াকে নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। শুধু বুধুই তাকে প্রথম সতর্ক করে। মহুয়ার সঙ্গে মিশতে নিষেধ করে। সুমিতের মাথা গরম হয়ে উঠেছিল। ভেবেছিল বুধুকে কড়া করে কিছু বলবে। কিন্তু নিষেধ করল মহুয়া। বলল, বাবু উয়াকে কিছু নাই বলিস।

সুমিত আশ্চর্য হলো। কেন, ওকে কিছু বলবে না! ও কি? বাঘ, না ভাল্লুক?

মহুয়া বলল, উয়ে তুকে বাঁইচতে দিবে লাই। উয়ে খুব খারাপ আছে। সেই থেকে সুমিত বুধুকে এড়িয়েই চলত। কিন্তু বুধুটা কেমন যেন আঠার মতো তার পেছনে লেগে আছে। যে কোন কিছুতেই সন্দেহ হলে সে পেছনে ফেরে। মনে হয় বুধু তার দিকে তাকিয়ে আছে। বাংলোতে মহুয়ার অবাধ যাতায়াত দেখে সংশয় জেগেছিল সুমিতের। তখন একদিন মহুয়াই সব খুলে বলল।

বুনো ফুলে খোঁপা সাজাতে ভালবাসতো মহুয়া। একদিন সেই খোঁপাতে হাত পড়ল কালা আসগরের। কালা আসগর এই বাগানে আসে। কন্ট্রাকে কাজ করে। পার্টি করে। খুব ক্ষমতাধর। ওর নজর থেকে কেউ কখনও ছাড়া পায় না। একদিন কব্জা করে নিল মহুয়াকে। সাঙ্গোপাঙ্গ নিয়ে মহুয়ার লালিত্য নষ্ট করে দিল। মহুয়া ছেড়ে দেবার পাত্রি নয়। সেও পুরো বাগানজুড়ে হই চই বাধিয়ে দিল। কোণঠাসা হয়ে পড়ল কালা আসগর। প্রতিশোধ সে নিল মহুয়াকে খতম করে। সন্ধ্যার আগে আগে যখন সূর্যটা লাল বলের মতো লটকে ছিল তখন ঘটনাটা ঘটল। মন্দিরের কাছেই এসেছিল সে ছাগলটাকে খুঁজতে। মৃত্যুর আগে মহুয়া বলে যায়, দু’জন লোক এসে মুখ চেপে ধরে, মন্দিরের বেল গাছটার নিচে। আর আসগর ওর পেটে একটা ছুরি ঢুকিয়ে দিল। দু’হাতে চেপে ধরেও রক্তকে বাঁধ দেয়া যায়নি। সেই রক্ত ক্ষরণেই মহুয়া মরে গেল।

তবে সেও বসে থাকেনি। প্রতিশোধ নিয়েছে। আর প্রতিশোধ নিতে তাকে সাহায্য করেছে এই বুধু। বুধুর কালো কুচকুচে দেহ। কেমন পাকানো শরীর। ওর ওপরে ভর করে মহুয়া। ওকে দিয়েই এই চা-বাগানে কালা আসগরকে খুন করিয়েছে মহুয়া। অবশ্য সে কথা কেউ জানে না। পুলিশ এখনও কালা আসগরের খুনিকে খুঁজছে। সুমিত এটা মনে রেখেছিল। যদি বুধু তার কোন ক্ষতি করতে চায় তবে ওকে পুলিশে ধরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু কি কারণে যেন মহুয়া বিষয়ে আর কোন কথা বলেনি বুধু।

নাক টেনে গন্ধ নেয় সুমিত। রাত্রির ঘ্রাণ। নাকি মহুয়ার ঘ্রাণ! রাতের গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। মহুয়া নেই। কোথাও নেই। সুমিত চিৎকার করে ডাকবে কিনা বুঝতে পারল না। যেন কোনদিন তার মহুয়ার সঙ্গে দেখা হয়নি। অথচ মনে হয় অনেক রাত সে মহুয়ার কোলে এখানে মাথা রেখে শুয়েছে। সত্যি যেন সে মহুয়াকে ছুঁয়ে দিতে পেরেছে। কিন্তু মহুয়া নেই কেন। মহুয়া এভাবে হারিয়ে যেতে পারে না। এই তো ঘাসগুলো। কতদিন বসেছে এখানে। মনে হচ্ছে মহুয়া এখানেই যেন বসে আছে। সুমিত ঘাসের গন্ধ নেবে। উপুর হয়ে সে ঘাসগুলোকে আলিঙ্গন করল। ঘাসের ঘ্রাণ হয় নাকি! তারপরও আজ যেন ঘাসের ঘ্রাণ পাচ্ছে। কেন, মহুয়া আর আসবে না? মহুয়া অশরীরী হতে পারে না।

মহুয়া। মহুয়া। মহুয়া।

পাহাড়ের কাঁখে কাঁখে সুমিতের চিৎকার প্রতিধ্বনি তুলল। সুমিত জানতেও পারল না কেউ একজন পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে।

চোখ দুটো হিংস্র হয়ে উঠল আগন্তুকের।

মহুয়াকে তুই লিয়ে যাবি। যা বাবু যা। মহুয়ার কাছে যা।

সুমিতকে পেছন থেকে শক্ত হাতের ধাক্কা মারল কেউ। তারপর হাসিতে ফেটে পড়ল। তার দরাজ গলা থেকে সেই অদ্ভুত হাসি ঠা ঠা শব্দে ধ্বনি প্রতিধ্বনি তুলল পাহাড়ের কাঁখে কাঁখে।

শীর্ষ সংবাদ:
আশুলিয়ায় পত্রিকা এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ         খুলনায় হচ্ছে শেখ হাসিনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়         পঙ্কিলতায় পূর্ণ সাবরিনার জীবন         অপরাধীর অপরাধকেই বিবেচনা করে সরকার ॥ কাদের         বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সব কার্যক্রম সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে ॥ তাপস         করোনাপরবর্তী বিশ্বে টিকে থাকাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ         অনলাইনে কোরবানির পশু কেনাবেচার পরামর্শ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর         অনিয়ম ও প্রতারণার দায়ে আরেকটি হাসপাতাল সিলগালা         যমুনা গ্রুপ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলের ইন্তেকাল         ঈদের ছুটিতে সব চাকরিজীবীকে কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ         যশোর-৬ ও বগুড়া-১ আসনের উপনির্বাচন আজ         মাঠে নামছে হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা দল ॥ ঈদে মহাসড়কে চাঁদাবাজি         ৮৩ হাসপাতালে তরল অক্সিজেন ট্যাঙ্ক বসানো হচ্ছে         আজম ও তার সহযোগী ডায়মন্ডের আদালতে স্বীকারোক্তি         লাজ ফার্মার কাকরাইল শাখা থেকে বিপুল নকল ওষুধ জব্দ         সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা         যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক         ভারত থেকে ৩৮৪ টন শুকণো মরিচ নিয়ে দেশে আসলো পার্সেল ট্রেন         সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যেই সকল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হবে : মেয়র তাপস         আগামীকাল বনানীতে নুরুল ইসলাম বাবুলের দাফন        
//--BID Records