ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০ আশ্বিন ১৪২৯

উহান ওপেনে রাদওয়ানস্কা-হ্যালেপের জয়

প্রকাশিত: ০৬:৪০, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬

উহান ওপেনে রাদওয়ানস্কা-হ্যালেপের জয়

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ চীনের উহান ওপেন টেনিসে মেয়েদের সিঙ্গেলসে সহজ জয়ে তৃতীয় রাউন্ডে উঠেছেন এ্যাগ্নিয়েস্কা রাদওয়ানস্কা। উইলম্বডনের সাবেক রানারআপ এই পোল্যান্ড তারকা ৬-৪, ৬-১ সেটে হারিয়েছেন রাশিয়ার একতারিনা মাকারোভাকে। মাকারোভা একমাস আগেই রিও অলিম্পক ডাবলসের স্বর্ণ জিতেছেন। এই জয় তাই র‌্যাঙ্কিংয়ের চার নাম্বারে থাকা রাদওয়ানস্কার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে, ‘চীনের আবহাওয়া, পরিবেশে এভাবে শুরু করতে পেরে ভাল লাগছে। গত একবছর অনেক পরিশ্রম করেছি। দ্বিতীয় রাউন্ডে নিজের খেলা নিয়ে খুশি আমি। এটা খুব প্রয়োজন ছিল। কারণ সামনে অনেক কঠিন ম্যাচ অপেক্ষা করছে।’ জয়ের পর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ২৭ বছর বয়সী পোলিশ রাদওয়ানস্কা। পরের রাউন্ডে সত্যি কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। যেখানে তার প্রতিপক্ষ সদ্য টোকিও ওপেনের শিরোপা জয় করা তুখোড় ক্যারোলিন ওজনিয়াকি। সোমবার একইদিনে ডেনিশ কন্যা ওজনিয়াকি অস্ট্রেলিয়ান তারকা সামান্থা স্টোসারকে হারিয়েছেন ৬-৩, ৬-২ সেটে। টোকিও ওপেনে শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধারের মাত্র দুদিনের মাথায় তার এই ফর্ম রাদওয়ানস্কার জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠবে। এক কথায় জমাট এক ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে উহান ওপেনের দ্বিতীয় রাউন্ডে জয় পেয়েছেন রোমানিয়ান সিমোনা হ্যালেপ, সার্বিয়ান জেলেনা জাঙ্কোভিচ, সেøাভাকিয়ান ডোমিনিকা সিবুলকোভাসহ প্রায় সব তারকাই। তবে ইউএস ওপেনের ফাইনালিস্ট ইটালিয়ান ভিঞ্চি অখ্যাত কাজাখের কাছে হেরে গেছেন ৭-৫, ৬-২ সেটে! গত কয়েক বছর ধরেই বিশ্ব টেনিসের পাদপ্রদীপের আলোয় রাদওয়ানস্কা। ২০১২ উইম্বলডনের ফাইনাল ছাড়া ২০১৩ সালে খেলেছেন ফ্রেঞ্চ ওপেনের কোয়ার্টারে। ২০১৪ ও এবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের সেমিতে উঠেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য এখন পর্যন্ত কোন গ্র্যান্ডসøাম জেতা হয়নি। তবে স্বপ্ন দেখছেন বড় কিছুর। এজন্য গত বছরের শুরুর দিকে জীবন্ত কিংবদন্তি মার্টিনা নাভ্রাতিলোভাকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। নাভ্রাতিলোভা সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১৮টি গ্ল্যান্ডসøাম জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। ‘আমার লক্ষ্যই এখন গ্র্যান্ডসøাম টুর্নামেন্ট জেতা। আর গ্রান্ডসøাম টুর্নামেন্ট জয়ের জন্য মার্টিনা নাভ্রাতিলোভার মতো কারও সঙ্গ পাওয়া মানে দারুণ এক ব্যাপার। এটা আমাকে নিঃসন্দেহে অতিরিক্তি সাহস জোগাবে।’ তখন বলেছিলেন রাদওয়ানস্কা। আর শিষ্যকে নিয়ে নাভ্রাতিলোভার মূল্যায়ন ছিল, ‘ওর মধ্যে টেনিসের সকল গুণই রয়েছে। প্রয়োজন কেবল বড় একটি সাফল্য। বয়স ২৭। এখনও সুযোগ আছে। আমার বিশ্বাস অচিরেই সে গ্র্যান্ডসøামের স্বাদ পবে।’ চার বছরের ব্যবধানে দুটি সেমি ও একটি ফাইনাল খেললেও ভাগ্য এখনও সহায় হয়নি। ছোট ছোট এই সাফল্য হয়তো তার আশা বাচিয়ে রাখবে।