বাগেরহাটের রামপালে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাফর আহমেদ জনকণ্ঠকে দুর্ঘটনার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল পৌনে ৫ টার দিকে খুলনা-মোংলা মহা-সড়কের রামপাল উপজেলার গোনাইব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।
তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিহতদের লাম রয়েছে বলে পুলিশ ও মেডিকেল সূত্রে জানা গেছে।
রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল বলেন, হাসপাতালে শিশুসহ চারজনকে নিয়ে আসা হয়। এখানে আসার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ এখন হাসপাতালে আছে।খুলনা মেডিকেলে সূত্রে জানা গেছে, সেখানে ৮ জনের মরদেহ আছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাগেরহাটের রামপালে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে। এসময় উভয় পরিবহন ক্ষতিগ্রস্থ হলেও মাইক্রোবাসটি চুর্ণবিচুর্ন হয়ে যায়।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জনের মরদেহ রয়েছে। বাকি মরদেহগুলো খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।
আজ খুলনা-মোংলা মহাসড়কে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনা ঘটে।
মোংলা পৌর ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আঃ রাজ্জাকসহ তার পরিবারের ৭/৮ জন নিহত বলে জানা গেছে। গুরুতর আহত ২ জন খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রী জেলা প্রশাসক ও পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি শোকার্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন।
রাজু








