২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

সম্ভাবনাময় পেশা মেডিক্যাল টেকনোলজি


ক্যারিয়ার প্লানিং বা পেশা পরিকল্পনা ও নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ক্যারিয়ারে সফল হতে হলে তাই উচ্চশিক্ষায় বেছে নিতে হবে এমন একটি বিষয়, যেখানে শিক্ষাব্যয় কম হবে এবং পড়ালেখা শেষে বেকার বসে থাকতে হবে না। বর্তমান সময়ে তেমনি একটি সম্ভাবনাময় পেশা মেডিক্যাল টেকনোলজি।

চাহিদা ও কাজের ক্ষেত্র

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একজন গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকের বিপরীতে ৫/৬ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের প্রয়োজন হয়। সে হিসেবে বাংলাদেশে বর্তমানে ২ লাখেরও বেশি মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট এখনই প্রয়োজন। বর্তমানে দেশে ইউনিয়ন, উপজেলা বা জেলা থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত প্রচুর সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদফতরের তালিকাভুক্ত ক্লিনিক ছাড়াও আছে প্রায় ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক, অসংখ্য বেসরকারী ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি। এসব প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক সংখ্যক মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট দরকার। দেশের বাইরেও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের দেশগুলোতে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের কাজের ব্যাপক সুযোগ আছে।

বেতন কেমন

সরকারী এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা সেবায় টেকনোলজিস্টদের চাকরির বেশ ভাল সুযোগ রয়েছে। একজন শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করার পর মেডিক্যাল টেকনোলজির যে কোন বিষয়ে চার বছরের ডিপ্লোমা শেষ করে যখন বের হচ্ছে, তখন শুরুতে বেতন পাচ্ছে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। পরবর্তীতে কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তা ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন নতুন সেবা যুক্ত হওয়ার ফলে দক্ষ টেকনোলিস্টদের চাহিদাও বাড়ছে।

পড়াশোনা

মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে এসএসসি পাসের পর পছন্দের যে কোন বিষয়ে ভর্তি হতে পারেন। বিষয়গুলো হলো প্যাথলজি, ডেন্টাল, ফার্মেসী, নার্সিং, ফিজিওথেরাপি, রেডিওলজি এ্যান্ড ইমেজিং ও প্যারামেডিক্যাল। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ৪ বছর মেয়াদী মেডিক্যাল টেকনোলজি প্রযুক্তিবিদ্যা কোর্স শেষে ১৮/২০ বছর বয়সেই মর্যাদাপূর্ণ সেবাধর্মী সম্ভাবনাময় পেশা, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া উচ্চশিক্ষার সুযোগ যেমন বিএসসি, এমএসসি করার সুযোগ রয়েছে আমাদের দেশেই।

যোগ্যতা

যে কোন বিভাগ থেকে এসএসসি-তে জিপিএ ন্যূনতম ২.৫০ পেলে পছন্দের একটি কোর্সে ভর্তি হওয়া যাবে। পড়াশোনা করা অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ইন্টার্নশিপের সুযোগ রয়েছে। একাডেমিক রেজাল্টের পাশাপাশি কার্যদক্ষতা যত ভাল হবে তত ভাল অবস্থানে অথবা ভাল প্রতিষ্ঠানে চাকরি হতে পারে।

কোথায় পড়বেন

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনপ্রাপ্ত দেশের সর্বপ্রথম মেডিক্যাল টেকনোলজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সাইন্স (বিমস্) [কলেজ কোড-৫০২১৬] এ বিষয়ে বিভিন্ন কোর্স পরিচালনা করে আসছে। যার মধ্যে রয়েছে-১) ডিপ্লোমা ইন প্যাথলজি, ২) ফামের্সি, ৩) রেডিওলোজি এ্যান্ড ইমেজিং, ৪) ডেন্টাল, ৫) ফিজিওথেরাপি, ৬) নার্সিং ও ৭) প্যারামেডিক্যাল।

যোগাযোগ

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সাইন্স (বিমস), এন/২৩, নুরজাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা মোবাইল: ০১৭১৪৩০১৯২৫

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক