ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

কেমিক্যালে পাকানো আম চিনার উপায়

প্রকাশিত: ২০:০০, ১৩ মে ২০২০

কেমিক্যালে পাকানো আম চিনার উপায়

অনলাইন ডেস্ক ॥ আম এমন একটি ফল যা সবাই খেতে পছন্দ করে। বছরের এই সময়ে সবেমাত্র আম পাকতে শুরু করেছে। এরইমধ্যে বাজারে মিলছে পাকা আম। বেশি দাম পাওয়ার আশায় অনেক অসাধু ব্যবসায়ী কাঁচা আম কৃত্রিমভাবে কার্বাইড দিয়ে পাকিয়ে বাজারে বিক্রি করছে। কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো আমে প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের স্বাদ থাকে না। এই আম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। বাজারে পাওয়া সুন্দর হলুদ পাকা আম দেখে কিনে থাকেন। তবে এই ফলগুলো খাওয়ার মাধ্যমে দেখা দিতে পারে বিভিন্ন অসুখ। তাই চেষ্টা করুন গাছ পাকা আম খাওয়ার। পাশাপাশি অন্যান্যদেরও সচেতন করুন। কেন ক্ষতিকারক? ক্যালসিয়াম কার্বাইড, অ্যাসিটিলিন গ্যাস, কার্বন-মনোক্সাইডের মতো রাসায়নিকগুলো ব্যবহার করে কাঁচা আম ও অন্যান্য কাঁচা ফল পাকানো হয়। রাসায়নিকগুলো এতটাই ক্ষতিকারক যে, ফলের মাধ্যমে তা শরীরে গেলে ত্বকের ক্যানসার, কোলন ক্যানসার, জরায়ুর ক্যানসার, লিভার ও কিডনির সমস্যা, মস্তিষ্কের ক্ষতির মতো মারাত্মক রোগ হওয়ার ঝুঁকি দেখা যায়। কীভাবে চিহ্নিত করবেন - ফলের চেহারা হবে উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয়। - কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো আমের সবদিকটাই সমানভাবে পাকবে। কিন্তু গাছ পাকা ফলের সবদিক কখনোই সমানভাবে পাকে না। - রাসায়নিক দিয়ে পাকানো ফলে স্বাভাবিক পাকা ফলের মতো মিষ্টি গন্ধ থাকবে না। - প্রাকৃতিকভাবে পাকা ফলের চামড়ার ওপর এক ফোঁটা আয়োডিন দিলে তা গাঢ় নীল অথবা কালো বর্ণের হয়ে যাবে। কিন্তু কেমিক্যাল দ্বারা পাকানো ফলে আয়োডিনের রং অপরিবর্তিত থাকে। খাওয়ার জন্য যা করবেন - ফলের মৌসুমের আগে ফল কিনবেন না। কারণ, সময়ের আগে পাওয়া ফলগুলো কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হয়ে থাকে। - খাওয়ার আগে পানি দিয়ে দুই মিনিট ভিজিয়ে রাখবেন। - তারপর ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে খাবেন। - গোটা ফল সরাসরি খাবেন না।
×