ছবি: সংগৃহীত
উত্তর কোরিয়া–এর নেতা কিম জং উন মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দেশটির পশ্চিম উপকূলে একটি নতুন ডেস্ট্রয়ার থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তদারকি করেছেন বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) বুধবার জানায়, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পরীক্ষা এবং জাহাজটির নাবিকদের দ্রুত নৌবাহিনীতে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত করতে দূরবর্তী স্থান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের নির্দেশ দেন কিম জং উন।
সংস্থাটি জানায়, এই পরীক্ষার আরেকটি উদ্দেশ্য ছিল পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা প্রদর্শন।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর পর বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে বাড়তি নজরদারির মধ্যেই উত্তর কোরিয়া এই পরীক্ষা চালায়।
কেসিএনএ জানায়, নামফো উপকূলের কাছে ‘৫১ নম্বর চো হিয়ন’ ডেস্ট্রয়ার থেকে ধারাবাহিকভাবে একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ‘কোরিয়ার পশ্চিম সাগর’ বরাবর নির্ধারিত ফ্লাইট ট্রাজেক্টরি ধরে প্রায় ১০ হাজার ১১৬ থেকে ১০ হাজার ১৩৮ সেকেন্ড উড়ে গিয়ে একটি দ্বীপ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।
সময় হিসেবে এটি প্রায় ১৬৯ মিনিট, যা ২০২২ ও ২০২৩ সালে পরীক্ষিত ‘হাওয়াসাল কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র’-এর সর্বোচ্চ প্রায় ১৭০ মিনিট উড্ডয়ন সময়ের কাছাকাছি।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, জাহাজটির পেছনে থাকা ভার্টিক্যাল লঞ্চিং সিস্টেম (ভিএলএস) থেকে পশ্চিম দিকে দ্রুত ধারাবাহিকভাবে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। এর আগে ৪ মার্চ একই জাহাজ থেকে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
কেসিএনএ আরও জানায়, কিম জং উন টেলিফোনের মাধ্যমে জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং একটি অপ্রকাশিত দূরবর্তী অভ্যন্তরীণ স্থান থেকে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি জাতীয় কৌশলগত অস্ত্রের সমন্বিত কমান্ড ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করেন।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, কিম জং উনের পাশে তার কনিষ্ঠ কন্যাও উপস্থিত ছিলেন। তবে প্রতিবেদনে তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতেও একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় তারা একই কক্ষে ছিলেন।
সূত্র: এনকে নিউজ
নুসরাত








