ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৩, ১৬ অগ্রাহায়ণ ১৪৩০

জাবিতে দেশের প্রথম বায়োটেকনোলজি অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত

জাবি সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ২১:২৬, ১১ নভেম্বর ২০২২

জাবিতে দেশের প্রথম বায়োটেকনোলজি অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত

অলিম্পিয়াডের পরীক্ষা। ছবি: জনকণ্ঠ

‘জীবন ধারায় নতুন বেগ, সমৃদ্ধির জন্য বায়োটেক’ এই স্লোগানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের প্রথম বায়োটেকনোলজি অলিম্পিয়াড। 

জাবি’র বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বায়োটেক ক্লাবের আয়োজনে শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজে অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন করেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান খান। 

সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত অলিম্পিয়াডের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অলিম্পিয়াডে অন্তত ৫০টি স্কুল-কলেজ ও ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী তিনটি ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করেন।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে দুপুর ১২টায় জাবি’র বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক উম্মে সালমা যোহরা-এর সভাপতিত্বে জহির রায়হান মিলনায়তনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রশ্নত্তোর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এই পর্বে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান খান, জাবির জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. নুহু আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সাবিনা ইয়াসমিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক নাজনীন নাহার ইসলাম, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এ্যানিমেল সায়েন্স ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আশুতোষ দাস, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মতিউর রহমান, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আশরাফ হোসেন তালুকদার, জাবি মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. সালেকুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বিজ্ঞান আগ্রহী  শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দেন। 

দুপুর আড়াইটায় ‘পপুলার টক’ শীর্ষক সেমিনারে  প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. হাসিনা খান। এরপর বিকেল ৪টায় অলিম্পিয়াডে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জাবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

অলিম্পিয়াড প্রসঙ্গে বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক উম্মে সালমা যোহরা বলেন, ‘১৯৯৫ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বায়োটেকনোলজি বিভাগ খোলা হয়। আমরা দেখি যে দেশে বায়োলজি অলেম্পিয়াড আছে, গণিত অলিম্পিয়াড আছে কিন্তু বায়োটেকনোলজি অলিম্পিয়াড নেই। তাই এবছর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এই অলেম্পিয়াডের আয়োজন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের মাঝে বায়োটেকনোলজির একটি পরিষ্কার ধারণা দেওয়াই এর উদ্দেশ্য।’

এমএইচ

সম্পর্কিত বিষয়: