ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

দুদকের দায়েরকৃত মামলা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে সিকদার গ্রুপের বক্ত

বিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত: ২২:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৪

দুদকের দায়েরকৃত মামলা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে সিকদার গ্রুপের বক্ত

দুদকের দায়েরকৃত মামলা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে সিকদার গ্রুপের বক্ত

গত ৩১ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক সিকদার গ্রুপের পরিচালক রিক হক সিকদার ও রন হক সিকদারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিদেশে অর্থপাচারের মামলা সম্পর্কে সিকদার গ্রুপের বক্তব্য। দীর্ঘদিন যাবৎ লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, দেশের স্বনামধন্য বৃহৎ শিল্প ও বাণিজ্য গোষ্ঠী সিকদার গ্রুপের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জয়নুল হক সিকদার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এ গ্রুপের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা নানা রকম বিভ্রান্তি ছড়িয়ে তাদের ব্যবসায়িক ক্ষতি করার হীন চেষ্টা করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় তারা ন্যাশনাল ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড মাধ্যমে বিদেশে অর্থপাচারের একটি ভিত্তিহীন বিষয়কে সামনে নিয়ে এসেছে।

অথচ সিকদার গ্রুপের পরিচালকগণ ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বিদেশে ৯.৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী খরচকৃত অর্থ পরিশোধ সাপেক্ষে সুদ ও অন্যান্য চার্জ বাবদ অতিরিক্ত আরও ২.০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছেন। এর মাধ্যমে বিষয়টি সেখানেই চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার বাবদ ব্যাংকের সকল পাওনা সিকদার গ্রুপের বৈদেশিক ব্যবসায়িক আয় হতে পরিশোধ হওয়ায় এক্ষেত্রে অর্থপাচারের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

সিকদার গ্রুপ দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে দেশে-বিদেশে ব্যবসা করে আসছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে রয়েছে সিকদার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম জয়নুল হক সিকদারের অসামান্য অবদান। সিকদার গ্রুপের মাধ্যমেই এদেশে গড়ে উঠেছে প্রথম মহিলা মেডিক্যাল কলেজ। জয়নুল হক সিকদার প্রতিষ্ঠা করেছেন অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ মাদ্রাসা। হোটেল-টুরিজম, পোর্ট, পাওয়ার প্ল্যান্টসহ বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণেও রয়েছে সিকদার গ্রুপের বিশাল ভূমিকা।

সিকদার গ্রুপ ঢাকার পূর্বাচলে দক্ষিণ এশিয়ার সু-উচ্চ ১১১তলা বিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ার, যা পৃথিবীর পঞ্চম সু-উচ্চ ভবন, নির্মাণ করছে। আর এই কারণে সিকদার গ্রুপ কতিপয় স্বার্থন্বেষী মহলের টার্গেটে পরিণত হয়েছে। সিকদার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জয়নুল হক সিকদারের ইন্তেকালের পর এই ষড়যন্ত্রকারীরা আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পিতার মৃত্যুর পর তার দুই সুযোগ্য সন্তান রিক হক সিকদার ও রন হক সিকদার যখন গ্রুপটিকে আরও ব্যাপক উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে এই গ্রুপের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে ওই স্বার্থান্বেষী মহল নানাভাবে অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

দেশের কয়েকটি বৃহৎ প্রকল্পে বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য সিকদার গ্রুপ যখন ব্যাপকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ঠিক তখনই এই ষড়যন্ত্রকারীরা সেগুলো ব্যাহত করার লক্ষ্যে সিকদার গ্রুপের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে সংবাদ পত্রের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কাজে লিপ্ত হয়েছে। সিকদার গ্রুপ এসকল ষড়যন্ত্রকারীর মিথ্যা প্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে। -বিজ্ঞপ্তি

×