শুক্রবার ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২০ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

অগ্নিকাণ্ডের খতিয়ান

দেশে প্রতিবছর অগ্নিকাণ্ডের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে। ২০২১ সালে সারা দেশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ২২ হাজার ২২২টি। যা ২০২০ সালের চেয়ে ১ হাজার ৪৯টি বেশি। অর্থাৎ, ১ বছরে বেড়েছে ৪ দশমিক ৭২ শতাংশ। আর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩৩০ কোটি ১৫ লাখ ৩৩ হাজার টাকার বেশি। জীবনহানির ঘটনা ঘটেছে ১৫০৪ জনের। অগ্নিদগ্ধ ও আহতের সংখ্যা ১১ হাজার ৯৯৯ জন। দেশে আগুনে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা অপ্রতুল। রাজধানী ঢাকা ছাড়া আর কোথাও নেই পোড়া রোগীর চিকিৎসা। নতুন বছরের শুরুতে শুধু ঢাকাতেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে কমপক্ষে ৫টি। কাপ্তানবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুরগির মার্কেট পুড়ে যাওয়াসহ নিহত হয়েছেন ১ জন। সর্বশেষ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। এতে ক্ষয়ক্ষতি হলেও হতাহত হয়নি কেউ। ইন্টারন্যাশনাল ফায়ার সেফটি এ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপোর মতে, সারা দেশে প্রতিবছর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। পোশাক শিল্প বাদে অন্যান্য শিল্প-কারখানা, বহুতল ভবন ও সুপার মার্কেটে অগ্নিনির্বাপণের যথাযথ ব্যবস্থা প্রায় নেই বললেই চলে। থাকলেও অপ্রতুল, অপর্যাপ্ত অথবা অকেজো। যানবাহন যেমন- লঞ্চ-স্টিমার, দূরপাল্লার বাস এমনকি ট্রেনেও অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা আশানুরূপ নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জরুরী নির্গমনের ব্যবস্থাও নেই। ফলে বেড়েই চলেছে অগ্নিকাণ্ডের পরিমাণ। গণমাধ্যমসহ সর্বত্র ব্যাপক জনসেচতনামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রাখা জরুরী ও অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। অগ্নিকা-ের শতকরা ৩৫ ভাগ ঘটে থাকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে। অথচ রাজধানীসহ অধিকাংশ শিল্পকারখানা ও ভবনে এ নিয়ে তেমন দেখভাল ও নজরদারি নেই। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে বিভিন্ন সংস্থা ও ভবন কর্তৃপক্ষের সমন্বয়েরও প্রচ- অভাব। ফলে অগ্নি দুর্ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছেই।

রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অগ্নিদুর্ঘটনা যে মাত্রায় সংশ্লিষ্ট মানুষের জীবন ও জনপদকে আতঙ্কিত আর বিপর্যস্ত করে দেয়, তার সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় যাপিতজীবনের যে দুঃসহ চিত্র তা অনাকাক্সিক্ষত ও অনভিপ্রেত। সবচেয়ে অসহনীয় পরিস্থিতির সূত্রপাত ঘটে যখন কোন বহুতল ভবন কিংবা বস্তিতে আগুন ধরে যায়। উপস্থিত সঙ্কট মোকাবেলার চেয়েও বেশি দৃশ্যমান হয় অগ্নিকা- নিয়ে হরেক রকম অসংলগ্ন আলোচনা। এমন দুঃসহ মুহূর্তে কিছু মানুষের যুক্তি বুদ্ধি ও ক্ষমতা লোপ থাকে। আগুন নেভানোর চেয়েও গুজব রটাতে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় কিছু মানুষকে। সেক্ষেত্রে সাধ্য ও প্রয়োজন মতো আধুনিক অগ্নিনির্বাপক প্রযুক্তি ও সামগ্রী আবাসিক এলাকা থেকে শুরু করে বৃহত্তর বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রাখার ব্যবস্থা করা অত্যাবশ্যক। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সবার হাতের নাগালে থাকলে পরিস্থিতি সহজেই নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় না। সর্বোপরি অগ্নিনির্বাপক ও নিরাপত্তার সরঞ্জাম আমদানি করার পরিবর্তে দেশেই সাশ্রয়ী মূল্যে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ অত্যাবশ্যক। এর পাশাপাশি প্রয়োজন নিয়মিত প্রশিক্ষণ।

শীর্ষ সংবাদ:
কৃষক ও যুবকসহ বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু         বৃত্তির ফল নিয়ে ভোগান্তিতে জবি শিক্ষার্থীরা         যে অপরাধ করবে তাকেই শাস্তি পেতে হবে ॥ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ একটি মাইলফলক : সেতুমন্ত্রী         ইভিএম পদ্ধতির ভুল প্রমান করতে পারলে পুরস্কৃত করা হবে ॥ ইসি আহসান হাবিব         অভিবাসীদের জীবন বাঁচাতে প্রচেষ্টা বাড়াতে হবে         অস্ত্র মামলায় ছাত্রলীগ নেতা সাঈদী রিমান্ডে ॥ জোবায়েরের জামিন         ইসলাম বিদ্বেষ, নারী বিদ্বেষকে ঘুষি মেরে বক্সিং-এ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জারিন         স্ত্রীর কবরের পাশে চিরশায়িত হবেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী         শিগগিরই সব দলের সঙ্গে সংলাপ : সিইসি         চাঁদপুরে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দুই পরীক্ষার্থী নিহত         তীব্র জ্বালানি সংকটে শ্রীলঙ্কায় স্কুল ও অফিস বন্ধ         মঠবাড়িয়ায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আহত ২         নগর ভবনে দরপত্র জমা দেওয়ার চেষ্টা         রাজধানীর বাজারে প্রায় সব পণ্যের দাম বৃদ্ধি         শনিবার গ্যাস থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়         আজ ২০ সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে ‘পাপ-পুণ্য’         সারাদেশে চলছে ভোটার তালিকার হালনাগাদ         দৌলতখানে বাবা-ছেলে চেয়ারম্যান প্রার্থী         হাইকোর্টের নির্দেশে ভারতে অবৈধ ভাবে নেওয়া চাকরি হারালেন মন্ত্রী কন্যা