বুধবার ৮ বৈশাখ ১৪২৮, ২১ এপ্রিল ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র যমুনা ও তিস্তার নাব্যতা সংকট

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র যমুনা ও তিস্তার নাব্যতা সংকট

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ নৌ চ্যানেলগুলো ড্রেজিং না করায় গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও তিস্তার নাব্যতা সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চরাচলের মানুষের যাতায়াত মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে। এছাড়া উল্লেখিত নদীপথগুলোতে নৌ চলাচল হুমকির মুখে পড়েছে। এতে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে নদী নির্ভর সেচ সংকট সৃষ্টি হওয়ায় কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

মার্চের শুরু থেকেই তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনাসহ গাইবান্ধার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সবগুলো নদ-নদীর পানি কমে গিয়ে সেগুলো শাখা-প্রশাখায় ভাগ হয়ে এখন শীর্ণকায় রূপ নিয়েছে। আকস্মিক পানি শূন্যতায় প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা নৌ ঘাটগুলোর অস্তিত্ব এখন বিপন্ন। ইতোমধ্যে অনেক নৌ ঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। যে সব নৌ ঘাট এখনও কোন রকমে টিকে রয়েছে সেগুলোরও এখন বেহাল দশা।

মূলত: পানি সংকটের কারণে নৌ যোগাযোগ এখন হুমকির মুখে। যে সব রুটে এখনও যান্ত্রিক নৌকাগুলো চলছে জেগে ওঠা চরের কারণে ঘুর পথে চলাচল করতে হচ্ছে বলে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে সময় লাগছে দ্বিগুণেরও বেশি। অপরদিকে ছোট ছোট নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় ওইসব নদীতে ইতোপূর্বে স্থাপিত সেচ যন্ত্রগুলো এখন পানি সংকটের মুখে পড়েছে। ফলে সংশ্লি¬ষ্ট সেচ যন্ত্রের আওতাধীন বোরো জমি পানির অভাবে এখন শুকিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে নদীগুলো নাব্যতা হারানোর ফলে নৌ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক রুটে যান্ত্রিক নৌকাগুলো চলাচল করতে পারছে না। ব্রহ্মপুত্রে সবচেয়ে বড় ঘাট হচ্ছে বালাসী নৌ ঘাট। এরপরও এই ঘাট এলাকায় নদী পাড় থেকে ১৫টি রুটে যাত্রীবাহী যান্ত্রিক নৌকা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। অথচ আগে ২৮টি রুটে এখান থেকে অবাধে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল করতো। বর্তমানে এ ঘাট থেকে যে সব রুটে নৌ চলাচল করছে সেগুলো হচ্ছে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর ও কর্তীমারী, সদর উপজেলার মোল্লার চর, কুন্দেরপাড়া ও পারদিয়ারা, ফুলছড়ির সানন্দবাড়ী, ফুটানী বাজার, জিগাবাড়ী, হরিচন্ডি, খোলাবাড়ী, খাটিয়ামারী এবং জামালপুর জেলার বাহাদুরাবাদ, ঘুটাইল ও দেওয়ানগঞ্জ। আগে যেখানে একেক রুটে ৪টি করে নৌকা চলাচল করতো এখন সেখানে মাত্র দু’টি করে নৌকা চলাচল করছে।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানানো হয়েছে, এ অবস্থা চলতে থাকলে নদীগুলো আরও ভরাট হয়ে যাবে এবং নাব্যতা সংকটের সৃষ্টি হবে। সেজন্য অবিলম্বে নৌ চ্যানেলগুলো ড্রেজিং না করলে এ জেলার চরাঞ্চলের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। তবে দেশের নদীগুলো ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা ফিরিয়ে আনার সরকারের একটি মহাপরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

শীর্ষ সংবাদ:
করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৯৫, নতুন শনাক্ত ৪২৮০         ঢাকায় পৌঁছেছে মেট্রোরেলের প্রথম কোচ         এবার জনপ্রতি ফিতরা ৭০ টাকা         লিপ সার্ভিস না দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান ॥ বিএনপিকে কাদের         ‘সীমিত পরিসরে’ চালু হল অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট         হাইকোর্টের আরও ২টি বেঞ্চ বাড়ালেন প্রধান বিচারপতি         ফিলিপিন্সে বঙ্গবন্ধু-রিজাল যৌথ শিল্পকর্ম উন্মোচন         ডিএনসিসি করোনা হাসপাতালে তিনদিনে ১৩ জনের মৃত্যু         ভাসানচর ইস্যুর সমাধান হয়ে গেছে : শাহরিয়ার আলম         চলমান লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ         করোনা ভাইরাস কেড়ে নিল কবি শঙ্খ ঘোষকে         জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য বিষয়ক কমিশনের সদস্য হলো বাংলাদেশ         টিসিবি’র পণ্য বিক্রিতে প্যাকেজ বিড়ম্বনা         ৯০ টাকার স্যালাইন ১২০ টাকা         বরিশালের করোনা রোগীরা পাচ্ছেন বিনামূল্যে অক্সিজেন         করোনায় তরুণদের সংক্রমণ ও মৃত্যু উদ্বেগজনক         লকডাউন ॥ এখনও শুরুই হয়নি সরকারী ত্রাণ বিতরণ         ফোন পেলেই জরুরি স্বাস্থ্য সেবা টিম যাচ্ছে বাসায়         খালেদা জিয়ার সঙ্গে বাবুনগরীর কোনোদিন দেখা হয়নি ॥ প্রতিবাদলিপিতে হেফাজত         মাদারীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার ॥ স্বামী পলাতক