বৃহস্পতিবার ৭ কার্তিক ১৪২৭, ২২ অক্টোবর ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

নড়াইলে একটি সেতু নির্মাণে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

নড়াইলে একটি সেতু নির্মাণে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা, নড়াইল ॥ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভার্ট নির্মাণ কর্মসূচীর আওতায় নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার আমাদা গ্রামে একটি সেতু নির্মাণে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদিত নকসা পরিবর্তন করে মনগড়া নিয়মে দরপত্রে উল্লেখিত নিয়ম অনুসারণ না করে সেতুটি নির্মাণে লাখ লাখ টাকা হরিলুট করা হয়েছে।

গ্রামবাসীসহ সংশ্লিষ্টদের অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে নড়াইলের লোহাগড়ায় ১৬ টি সেতু নির্মাণে দরপত্র আহবান করা হয়। ওই দরপত্রের প্যাকেজ নং-৪ এ আমাদা হাজরাখালী খালের উপর গোলাম নবীর বাড়ির পাশে সেতুটি নির্মাণ করবার কথা থাকলেও স্থান পরিবর্তন করে নির্ধারিত স্থানের অন্তত তিন-চার শত ফুট দূরে হাসান মৃধার বাড়ির পাশে ৩০ লাখ ৭৯ হাজার ৩৬৪ টাকা ব্যায়ে ৩৬ ফুট দৈর্ঘ্য সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।

নির্মিত সেতুটির গভীরতা বা মোট উচ্চতা ১৯ ফুট করবার কথা থাকলেও করা হয়েছে সর্বসাকুল্যে ১৫ ফুট। যে কারনে সেতুটির ভিত্তি অত্যন্ত দূর্বল। তাই দুর্ঘটনার আশংকা করছেন গ্রামবাসীরা। তাছাড়া সেতুটির দুপাশে সংযোগ সড়ক এখনো নির্মাণ করা হয়নি। অথচ সংযোগ সড়ক করা বাবদ বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ উত্তোলন করে মেসার্স ফারহান এন্টারপ্রাইজের মালিক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস,এম,এ করিম ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। সেতুটির উইং ওয়াল তৈরীতে দরপত্রের পরিমাপ মানা হয়নি। সেতুটির নিচের অংশের বেজ ঢালাইয়ে রড ও বালুর ব্যবহার দপরপত্র অনুয়ায়ি হয়নি বলেও অভিযোগ।

আমাদা গ্রামের আব্দুর ওহাব গাজীর ছেলে সিদ্দিকুর রহমান গাজী অভিযোগ করেন, সেতুটির গভীরতা ১৯ ফুট করবার কথা থাকলেও ঠিকাদার ও পিআইও যোগসাজসে করেছেন ১৫ ফুট। সেতুটি যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে। এখনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। বৃদ্ধরাসহ স্কুল-কলেজ গামী শিক্ষার্থীরা চলাচল করছেন ঝুঁকি নিয়ে।

একই গ্রামের সিন্টু সরদার বলেন, সেতুটি যত টুকু গভীর থেকে করবার কথা তা করা হয়নি। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন মূলত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস,এম,এ করিমের সহযোগিতায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সেতু নির্মাণে অনিয়ম করেছেন। লাখ লাখ টাকা াÍ¥সাৎ করেছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস,এম,এ করিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সেতুটির স্থান পরিবর্তন করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ গ্রামবাসী। সেতুর ডিজাইন উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে পরিবর্তন করা যায়।

মসার্স ফারহান এন্টারপ্রাইজের মালিক ঠিকাদার মোঃ আশরাফ মুন্সী এ বিষয়ে বলেন, আমার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে সেতুটির কাজ হয়েছে কিন্তু আমি কাজটি করিনি। করেছেন উজ¦ল নামে এক ব্যাক্তি। সাব- ঠিকাদার উজ¦ল বলেন, আমি দরপত্র মোতাবেক কাজ করেছি।

শীর্ষ সংবাদ:
ইরান-রাশিয়ার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের তথ্য আছে ॥ এফবিআই         প্রথম সমাবেশে ওবামা বললেন, এবারের ভোট জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ!         এবার মেঘালয়ের সব বাঙালীকে বাংলাদেশি দাবি!         নিরাপদ হয়নি সড়ক ॥ উদ্যোগের কমতি নেই         সাগর ও নদীতে ভাসছে ২০ লাখ টন পণ্য ॥ উৎকণ্ঠায় ব্যবসায়ীরা         ধর্ষণের অপরাধে সালিশ কেন অবৈধ নয়?         বাইডেনকেই পছন্দ ভোটারদের         রাতারাতি বড়লোক হওয়ার চিন্তা করবেন না         স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না, অটো প্রমোশন         বগুড়া থেকে ঢাকায় পৌঁছা যাবে সাড়ে ৩ ঘণ্টায়         দেশে করোনায় আরও ২৪ জনের মৃত্যু         করোনার বাংলাদেশী ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের দিনক্ষণ অনিশ্চিত         এসআই আকবর এখনও লাপাত্তা, হাসান সাসপেন্ড         সৌর সেচে ঝুঁকছে কৃষক, হাসছে ফসলের মাঠ         মীরসরাই-কক্সবাজার ২৩০ কিমি মেরিন ড্রাইভ সড়ক হচ্ছে         সাতক্ষীরা ও গাইবান্ধায় দুই স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার         সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর         দুর্গোৎসবের কার্যক্রম স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির         লাইফ সাপোর্টে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক         কক্সবাজারের সড়ক উন্নয়নে ২৭৪ কোটি টাকা অনুমোদন