শনিবার ১১ আশ্বিন ১৪২৭, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

গাইবান্ধার কামারজানি ইউনিয়নের গো-ঘাট গ্রামটি ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনে বিপন্ন

গাইবান্ধার কামারজানি ইউনিয়নের গো-ঘাট গ্রামটি ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনে বিপন্ন

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়ন সদর সংলগ্ন গো-ঘাট গ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদে ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে এ গ্রামের ১শ’ ৫৫টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। আরও শতাধিক ঘরবাড়ি মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত সাত বছর ধরে গোঘাট গ্রামটিতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। পার্শ্ববর্তী কামারজানি বন্দর রক্ষায় সিসি ব্ল¬ক দ্বারা তীর সংরক্ষণের কাজ করা হলেও এ গ্রামটি রক্ষায় কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ফলে প্রতিবছরই এ গ্রামটি নদী ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছে। একসময় অর্থনৈতিকভাবে সম্বলিত গোঘাট গ্রামটিতে প্রায় ৮ হাজার পরিবারের বসবাস ছিল। গ্রামটি চার ভাগের একভাগ এলাকা ভানের মুখে টিকে রয়েছে। বর্তমানে এ গ্রামটিতে মাত্র এক হাজার পরিবার ভয়ভীতি নিয়ে বসবাস করছে। এভাবে ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে আগামী দু’ থেকে তিন বছরের মধ্যে কামারজানির এ ঐতিহ্যবাহি গো-ঘাট গ্রামটির অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

এ গ্রামের বাসিন্দা পুরোহিত প্রতাপ চক্রবর্ত্তী জানান, গত এক সপ্তাহে তার ৩টি ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অন্য ঘরগুলো ভাঙ্গনের মুখে। কামারজানি বন্দরের ব্যবসায়ি গোঘাট গ্রামের বাসিন্দা তাপস কুমার সাহা জানান, তার চারটি ঘর ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রবীণ শিক্ষক অমুল্য চন্দ্র সাহার ৫টি ঘর নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। তিনি এখন ঘরবাড়ি হারিয়ে এখন প্রায় নিঃস্ব। চরম দুর্দশার মধ্যে তার দিন কাটছে। এরকম আরও অনেকের ঘরবাড়ি ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। ফলে গ্রামটির অস্তিত্ব এখন বিপন্ন।

ওই গ্রামের লোকজন জানান, বিভিন্ন সময়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কাছে নদী ভাঙন ঠেকানোর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু ভাঙ্গন ঠেকানোর জন্য কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, গোঘাট এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্রহ্মপুত্রের তীরে বালির বস্তা স্থাপন করে ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, কামারজানি থেকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর, লালচামার, কাপাসিয়া ও ছয়ঘড়িয়া পর্যন্ত সাড়ে ৫ কিলোমিটার জুড়ে তিস্তা নদীর ভাঙ্গন ঠেকাতে সিসি ব্লক দ্বারা তীর সংরক্ষণের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে একনেকে এ প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এজন্য নতুন করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৪০২ কোটি টাকা। কাজ শুরু হলে গো-ঘাটসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব হবে।

শীর্ষ সংবাদ:
সোমবার প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ১০ টিভিতে ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’         ভাঙলো গণফোরাম ॥ ২৬ ডিসেম্বর কাউন্সিলের ঘোষণা সাইয়িদ-মন্টু পক্ষের         ডোপ টেস্ট পজিটিভ হওয়ায় ২৬ পুলিশ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হবে-ডিএমপি কমিশনার         করোনা ভাইরাসে আরও ৩৬ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১১০৬         ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ ॥ প্রতিবাদে উত্তাল এমসি কলেজ         দেশকে উন্নয়নের পথে এনেছেন আজকের প্রধানমন্ত্রী॥ পররাষ্ট্রমন্ত্রী         পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন ॥ বাতিলের দাবি বিএনপি প্রার্থীর         অতিরিক্ত সচিবে পদোন্নতি করা হল ৯৮ যুগ্ম-সচিবকে         এমসি কলেজে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা         বাংলাদেশিসহ ২২ জন উদ্ধার, ১৬ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা         আগামী ৩ দিন ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা         জাতীয় সংসদের হুইপ, শেরপুর-১ আসনের সাংসদ আতিক করোনায় আক্রান্ত         হয়তো কয়েক মাসেও জানা যাবে না জয়ী কে ॥ ট্রাম্প         নীলা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিজানুর গ্রেফতার         পাবনার উপনির্বাচনে কেন্দ্রে বিএনপির এজেন্ট প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি- রিজভী         ইউক্রেনে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ২৫         করোনা ভাইরাসের টিকা মিললেও বিশ্বজুড়ে মৃত্যু ২০ লাখ ছাড়াতে পারে         মার্কিন বিচারপতির মনোনয়ন পেলেন অ্যামি কোনি ব্যারেট         শিনজিয়াংয়ে হাজারো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে চীন