শনিবার ১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ০৪ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

উইঘুর মুসলমানদের জন্ম নিয়ন্ত্রণে বাধ্য করছে চীন ॥ এপি

উইঘুর মুসলমানদের জন্ম নিয়ন্ত্রণে বাধ্য করছে চীন ॥ এপি

অনলাইন ডেস্ক ॥ জাতিগত সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠী উইঘুরদের জন্মহার নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে চীন। নতুন এক তদন্তে দেখা গেছে, মুসলমান জনসংখ্যা সীমিত রাখতে উইঘুর নারীদের বিস্তৃত ও কাঠামোগতভাবে জন্ম নিয়ন্ত্রণে বাধ্য করা হচ্ছে। এমনকি হাজার হাজার নারীকে গর্ভপাতেও বাধ্য করা হচ্ছে। সরকারি পরিসংখ্যান, রাষ্ট্রীয় নথি, সাবেক বন্দি, পরিবারের সদস্য এবং ডিটেনশন ক্যাম্পের সাবেক পরামর্শকের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই তদন্ত চালিয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি। তবে একে ‘ফেইক নিউজ’ আখ্যা দিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।

উইঘুর জনগোষ্ঠীকে ডিটেনশন ক্যাম্পে আটক রাখায় বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মধ্যে রয়েছে চীন। ধারণা করা হয় পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং প্রদেশে প্রায় দশ লাখ উইঘুর ও অন্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের এসব ক্যাম্পে আটক রেখেছে চীন। বেইজিং কর্তৃপক্ষ এগুলোকে ‘পুনঃশিক্ষা কেন্দ্র’ আখ্যা দিয়ে থাকে। সন্ত্রাস দমনে এগুলোর প্রয়োজন রয়েছে বলে দাবি তাদের। তবে এসব ক্যাম্পে নিপীড়নের বহু অভিযোগ রয়েছে।

গত চার বছরের বেশি সময় ধরে পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং প্রদেশে চীন যে অভিযান চালাচ্ছে তাকে অনেক বিশেষজ্ঞই ‘জনতাত্ত্বিক গণহত্যার’ একটি ধরণ বলে মনে করেন। এপি’র তদন্তে দেখা গেছে, চীন নিয়মিতভাবে সংখ্যালঘু নারীদের গর্ভ পরীক্ষা করেছে এবং বন্ধ্যাকরণ করতে বাধ্য করেছে। এমনকি হাজার হাজার নারীকে গর্ভপাতেও বাধ্য করা হয়েছে।

এপি’র অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বহু মানুষকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানোর অন্যতম কারণ বেশি সন্তান থাক। তিন বা তার বেশি সন্তান থাকলে বিপুল পরিমাণ জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে বাবা-মায়েদের ডিটেনশন সেন্টারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আবার লুকিয়ে রাখা সন্তান খুঁজে বের করতে পুলিশ বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালায়, বাবা-মাকে ভয়ও দেখায়।

এপি’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চীনা বংশোদ্ভূত কাজাখ নারী গুলনার ওমিরজাখ জানিয়েছেন, তার তৃতীয় সন্তান জন্মের পর চীন সরকার তাকে আইইউডি প্লান্ট (জন্মনিয়ন্ত্রণের স্থায়ী পদ্ধতি) গ্রহণের নির্দেশ দেয়। দুই বছর পর ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সামরিক পোশাকের চার কর্মকর্তা তার বাড়িতে হাজির হয়। তারা সবজি বিক্রেতার স্ত্রী ওমিরজাখকে দুই সন্তানের বেশি থাকায় তিন দিনের মধ্যে দুই হাজার ৬৮৫ ডলার জরিমানা পরিশোধের নির্দেশ দেয়। না দিতে পারলে তাকে তার স্বামীর সঙ্গে ডিটেনশন সেন্টারে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।

চীন সরকারের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দেখা গেছে, উইঘুর অধ্যুষিত হোতান এবং কাসগার অঞ্চলে জন্মহার ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ৬০ শতাংশ কমে গেছে। জিনজিয়াং প্রদেশ জুড়ে গত বছরই জন্মহার কমেছে ২৪ শতাংশ।

শীর্ষ সংবাদ:
করোনার মধ্যে বন্যা মোকাবেলায় মানুষ হিমশিম         পাটকল শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা হবে         অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে চালের দাম বাড়ছে         করোনা মোকাবেলায় এখন নজর চীনা ভ্যাকসিনে         করোনা মোকাবেলায় বহুপাক্ষিক উদ্যোগ জোরদারে গুরুত্বারোপ         ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলার রায় আগস্টে         আগামী মাসে করোনা টিকা বাজারে আনবে ভারত         আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে ভারত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াল         দক্ষিণ সুদানে ‘বাংলাদেশ রোড’ ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে         মিয়ানমার থেকে ইয়াবা আসা থামছেই না         এবার রাজধানীর ওয়ারী লকডাউন         করোনার নকল সুরক্ষা পণ্যে বাজার সয়লাব!         সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগকারী দস্যুদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান শুরু         কাল থেকে ওয়ারী ‘লকডাউন’         প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ‘ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’ গঠন         সোমবার থাইল্যান্ডে নেওয়া হচ্ছে সাহারা খাতুনকে         এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে শনিবার থেকে ফের চিরুনি অভিযান ॥ আতিকুল         করোনা ভাইরাসে একদিনে আরও ৪২ মৃত্যু, শনাক্ত ৩১১৪         নিম্ন আদালতের ৪০ বিচারক সহ ২২১ জন করোনায় আক্রান্ত         সৌদি থেকে ফিরলেন ৪১৫ জন, মিসর গেলেন ১৪০ বাংলাদেশি        
//--BID Records