ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯

সৈয়দা রুবি রাজ্জাক

সুস্থভাবে বাঁচার জন্য...

প্রকাশিত: ০৬:২৯, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯

সুস্থভাবে বাঁচার জন্য...

নিরাপদ সড়ক বলতে প্রতিটি মানুষের বিবেক-বুদ্ধি-জ্ঞান বোঝায়। এছাড়া আর কিছুই নয়? আইনী কথা! এখানে সে কথা বলে লাভ নেই। দেশের জনসাধারণ যদি নিজের বিবেকের তাড়নায় শুদ্ধি অভিযান চালান, তবেই আইন সেখানে প্রযোজ্য ও সার্থক। দরিদ্র দেশে নানা রকম সমস্যা, তারপরও চালক ও পথচারী দুজনকেই ধৈর্য ও সহনশীল হতে হবে। তাতে অন্যদিকে কিছু ক্ষতি হলেও জীবন আগে। জীবন থাকলেই না- পাওয়ার বাসনা। সেটাই যদি না থাকে, তড়িঘড়ি, তাড়াতাড়ি করে বিপদে ফেলে লাভ কী? যারা যে গাড়ির চালক তাদের এ বিষয়ে ভালভাবে ট্রেনিং দিতে হবে। আর দেখতে হবে (ক) কোন্ ধরনের গাড়ি কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটায়, (খ) কোন্ শ্রেণীর লোকেরা এ সকল দুর্ঘটনার কবলে পড়ে, (গ) কোন্ সময় বেশি দুর্ঘটনা হয়, (ঘ) তাদের শাস্তি দিলে সারাজীবন মনে থাকবে; এমন শাস্তি নির্ধারণ করা উচিত, (ঙ) কোন্ গোষ্ঠীর লোককে শাস্তি দিলে অন্যরা হরতাল, অবরোধ করে; তাতে জনসাধারণ দুর্ভোগ পোহায়। সেই জন্য মালিকপক্ষ সরকারের সঙ্গে একমত হলে, চালক গোষ্ঠীর মনে ভয় থাকবে এবং নীতি মেনে ধৈর্যসহকারে কাজ করবে। সর্বশেষ গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা কঠোরভাবে ঠিক রাখতে হবে, যাতে অন্য গাড়ির প্রবেশ পথ থাকে, যানজট না হয়। আমরা কিছুদিন নিয়ম মেনে চলি আবার ঢিলেঢালা নিয়মে ফিরে যাই। এখন থেকে তা চলবে না। যদি সবাই মিলে কঠোর ব্যবস্থা করতে পারি তবেই নিরাপদ সড়ক হবে। যাদের উদ্দেশে নিরাপদ সড়ক তারা অন্য প্রাণী নয়। তাদের বোধ জ্ঞান আছে, তারা মানুষ। তাদের এই জ্ঞান সুপ্তাবস্থায় মাথা ও মনে ঘুমিয়ে আছে। এটাকেই জাগ্রত করতে হবে কঠোরাঘাতে। বারিধারা, ঢাকা থেকে