ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২০ আগস্ট ২০২২, ৫ ভাদ্র ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের সমর্থনে বিক্ষোভ

প্রকাশিত: ০৪:০৫, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ  অভিবাসীদের  সমর্থনে বিক্ষোভ

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে ॥ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বসবাসরত অভিবাসীদের গ্রেফতার অভিযানের কঠোর সমালোচনা করে এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার দাবিতে নিউইয়র্ক, টেক্সাস, লসএঞ্জেলেস, ভার্জিনিয়া প্রভৃতি স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে। ‘নো ব্যান, নো রেজিস্ট্রি’, ‘এ্যান্ড হোয়াইট সুপ্রিম্যাসি’ ‘নো ট্রাম্প, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’ সেøাগান ধ্বনিত হয় এসব বিক্ষোভ থেকে। শুক্রবার পর্যন্ত গত ৫ দিনে ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, আরিজোনা, ইলিনয়, জর্জিয়া, নিউইয়র্ক, নর্থ ক্যারোলিনা, ফ্লোরিডা, নিউজার্সি, মিনেসোটা প্রভৃতি অঙ্গরাজ্যে অভিবাসী অধ্যুষিত সিটিতে অভিযান চালায় ‘ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট’ (আইস) এর এজেন্টরা। কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা নির্দিষ্টভাবে জানাচ্ছে না আইস। তবে এসব ধরপাকড়ের মনিটরিংকারী কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবক সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, অন্তত ৭০০ জনকে ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে। হঠাৎ করে অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার অভিযানে পুরো যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী মহলে সন্ত্রস্ত ভাব তৈরি হলেও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী জন কেলী মিডিয়াকে জানান, ‘এটি বিশেষ কোন কর্মসূচী নয়। চলমান স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়ারই অংশ। অবৈধ অভিবাসীর মধ্যে যারা গুরুতর অপরাধে লিপ্ত এবং যাদের বিরুদ্ধে বহুদিন আগেই ইমিগ্রেশন কোর্ট থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ জারি রয়েছে, কেবলমাত্র তাদেরই গ্রেফতার করা হচ্ছে।’ তবে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন যে, গত ২৫ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী ঢালাওভাবে ধরপাকড় শুরু করা হয়েছে। আইসের লসএঞ্জেলেস শাখার কর্মকর্তা ডেভিড মেরিন বলেছেন, আটলান্টা, নিউইয়র্ক, শিকাগো, লসএঞ্জেলেস ও এর আশপাশের এলাকায় নিয়মিত আইনপ্রয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। লসএঞ্জেলেস থেকে ১৬১, জর্জিয়ার আটলান্টাসহ আশপাশের এলাকা-২০০, মিনেসোটা-৯, নিউইয়র্ক থেকে ৬ জনকে গ্রেফতারের তথ্য পাওয়া গেছে আইস অফিস থেকে। ওয়াশিংটন স্কোয়ার পার্কের বিক্ষোভ-আয়োজনকারী ‘আইস ফ্রি-এনওয়াইসি’ মোর্চার সহযোগী সংগঠন ‘দেশীজ রাইজিং আপ এ্যান্ড মুভিং’ তথা ড্রামের সংগঠক কাজী ফৌজিয়া জনকণ্ঠ সংবাদদাতাকে শনিবার রাতে জানান, পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী যারা ফেডারেল প্লাজা তথা ইমিগ্রেশন অফিসে অথবা কোর্টে হাজিরা দিতে, অন্য কোন ডক্যুমেন্ট নবায়ন অথবা সাবমিট করে ওই ভবন থেকে বেরিয়ে আসার সময়েও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।