ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ১২ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

টাইটানিকে বিপর্যয় বয়লারের আগুনে

প্রকাশিত: ০৪:০১, ৬ জানুয়ারি ২০১৭

টাইটানিকে বিপর্যয় বয়লারের আগুনে

দুর্ঘটনার কারণ শুধু হিমশৈলই নয়। ১৫ এপ্রিল, ১৯১২ সাল। ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে আটলান্টিক মহসাগরে বিরাট এক হিমশৈলের ধাক্কায় ডুবে যায় বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল জাহাজ টাইটানিক। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় নারী ও শিশুসহ দেড় হাজারেরও বেশি যাত্রীর। ১০৪ বছর আগের এই দুর্ঘটনা নিয়ে রহস্য এখনও ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু সম্প্রতি আইরিশ সাংবাদিক, লেখক ও টাইটানিক গবেষক সেনান মলোনি বলেছেন, হিমশৈলের ধাক্কায় নয়, টাইটানিক ডুবে যাওয়ার পেছনে রয়েছে অন্য এক কারণ। তদন্ত প্রতিবেদনে টাইটানিক ডুবে যাওয়ার কারণ হিসেবে ‘এ্যাক্ট অব গড’ বা আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগকেই দায়ী করা হয়েছে। কিন্তু তা মানতে নারাজ মলোনি। ‘আগুন, বরফ ও অপরাধমূলক অবহেলা’ এই কারণ টাইটানিক ডুবে যাওয়ার জন্য দায়ী বলে তিনি তার নতুন তথ্যচিত্র ‘টাইটানিক : দ্য নিউ এভিডেন্স’ এ যুক্তি দেখিয়েছেন। উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট ছাড়ার পরই আগুন লেগে যায় জাহাজের একটি বয়লারে। কিন্তু পুরো বিষয়টি চেপে রাখা হয়। তার দাবি, সাউদাম্পটন বন্দরে পৌঁছানোর পরও জাহাজের বয়লারটির মেরামত করার কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। টাইটনিকের ক্যাপ্টেন এডওয়ার্ড স্মিথও জানতেন এই আগুন লাগার কথা। কিন্তু হোয়াইট স্টার লাইনের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর জে ব্রুস ইসমের কড়া নির্দেশে গোটা বিষয় আগাগোড়াই চেপে রাখতে হয় ক্যাপ্টেনকে। পুরো জাহাজে আগুন লেগে যাওয়ার আগে কোন রকমে নিউইয়র্কে পৌঁছতে চেয়েছিলেন ক্যাপ্টেন। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে বাড়ানো হয় জাহাজের গতি। দুর্ঘটনার কিছু আগে টাইটানিকের গড় গতিবেগ ছিল ৩৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। জাহাজের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ৩৯ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। যেখানে আজকের আধুনিক জাহাজগুলোর আটলান্টিকে গতিবেগ সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটারের বেশি নয়। গবেষণায় মলোনি দেখেন, ৫-৬ দিন ধরে জ্বলন্ত বয়লার নিয়ে প্রচণ্ড গতিতে চলতে গিয়ে হিতে বিপরীত হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বয়লার রুমে। জাহাজের বয়লার সেকশন সংলগ্ন জাহাজের ধাতব দেয়াল প্রচণ্ড উত্তাপে (আনুমানিক ১০০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস) এমনিতেই নরম হয়ে গিয়েছিল। তাই হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কায় সহজেই ফেটে যায়। তবে মলোনির দাবি মানতে নারাজ ব্রিটিশ টাইটানিক সোসাইটির সাবেক অনারারি সেক্রেটারি ডেভিড হিল। তিনি যুক্তি দেখান যে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজের ইস্পাতের কাঠামো এই বিপর্যয়কে ত্বরান্বিত করলেও ‘আগুন’ই টাইটানিক ডুবির মূল কারণ নয়। হিল ১৯৫০’ এর দশক থেকে টাইটানিক ডুবির কারণ নিয়ে গবেষণা করেন। মলোনির তথ্যচিত্রে আরও বলা হয়েছে, টাইটানিকে যাত্রী-কর্মচারীসহ মোট ৩৩২৭ জন ছিলেন। কিন্তু জাহাজে ২০টি লাইফ বোট ছিল, যা সর্বোচ্চ ১১৭৮ জন যাত্রী বহনে সক্ষম। অর্থাৎ যথাযথ যাত্রী সুরক্ষার ব্যবস্থাও ছিল না টাইটানিকে। তিনি দাবি করেন, জাহাজের কর্মীদের দুর্ঘটনা সংক্রান্ত তেমন কোন প্রশিক্ষণ ছিল না। দুর্ঘটনা ঘটলে কী করা উচিত তা শেখাতে টাইটানিকের যাত্রার আগের দিন যাত্রীদের নিয়ে ছোট একটা ট্রেনিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাতিল করা হয়। Ñনিউইয়র্ক টাইমস দুর্ঘটনার কারণ শুধু হিমশৈলই নয়। ১৫ এপ্রিল, ১৯১২ সাল। ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে আটলান্টিক মহসাগরে বিরাট এক হিমশৈলের ধাক্কায় ডুবে যায় বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল জাহাজ টাইটানিক। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় নারী ও শিশুসহ দেড় হাজারেরও বেশি যাত্রীর। ১০৪ বছর আগের এই দুর্ঘটনা নিয়ে রহস্য এখনও ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু সম্প্রতি আইরিশ সাংবাদিক, লেখক ও টাইটানিক গবেষক সেনান মলোনি বলেছেন, হিমশৈলের ধাক্কায় নয়, টাইটানিক ডুবে যাওয়ার পেছনে রয়েছে অন্য এক কারণ। তদন্ত প্রতিবেদনে টাইটানিক ডুবে যাওয়ার কারণ হিসেবে ‘এ্যাক্ট অব গড’ বা আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগকেই দায়ী করা হয়েছে। কিন্তু তা মানতে নারাজ মলোনি। ‘আগুন, বরফ ও অপরাধমূলক অবহেলা’ এই কারণ টাইটানিক ডুবে যাওয়ার জন্য দায়ী বলে তিনি তার নতুন তথ্যচিত্র ‘টাইটানিক : দ্য নিউ এভিডেন্স’ এ যুক্তি দেখিয়েছেন। উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট ছাড়ার পরই আগুন লেগে যায় জাহাজের একটি বয়লারে। কিন্তু পুরো বিষয়টি চেপে রাখা হয়। তার দাবি, সাউদাম্পটন বন্দরে পৌঁছানোর পরও জাহাজের বয়লারটির মেরামত করার কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। টাইটনিকের ক্যাপ্টেন এডওয়ার্ড স্মিথও জানতেন এই আগুন লাগার কথা। কিন্তু হোয়াইট স্টার লাইনের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর জে ব্রুস ইসমের কড়া নির্দেশে গোটা বিষয় আগাগোড়াই চেপে রাখতে হয় ক্যাপ্টেনকে। পুরো জাহাজে আগুন লেগে যাওয়ার আগে কোন রকমে নিউইয়র্কে পৌঁছতে চেয়েছিলেন ক্যাপ্টেন। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে বাড়ানো হয় জাহাজের গতি। দুর্ঘটনার কিছু আগে টাইটানিকের গড় গতিবেগ ছিল ৩৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। জাহাজের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ৩৯ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। যেখানে আজকের আধুনিক জাহাজগুলোর আটলান্টিকে গতিবেগ সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটারের বেশি নয়। গবেষণায় মলোনি দেখেন, ৫-৬ দিন ধরে জ্বলন্ত বয়লার নিয়ে প্রচণ্ড গতিতে চলতে গিয়ে হিতে বিপরীত হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বয়লার রুমে। জাহাজের বয়লার সেকশন সংলগ্ন জাহাজের ধাতব দেয়াল প্রচণ্ড উত্তাপে (আনুমানিক ১০০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস) এমনিতেই নরম হয়ে গিয়েছিল। তাই হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কায় সহজেই ফেটে যায়। তবে মলোনির দাবি মানতে নারাজ ব্রিটিশ টাইটানিক সোসাইটির সাবেক অনারারি সেক্রেটারি ডেভিড হিল। তিনি যুক্তি দেখান যে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজের ইস্পাতের কাঠামো এই বিপর্যয়কে ত্বরান্বিত করলেও ‘আগুন’ই টাইটানিক ডুবির মূল কারণ নয়। হিল ১৯৫০’ এর দশক থেকে টাইটানিক ডুবির কারণ নিয়ে গবেষণা করেন। মলোনির তথ্যচিত্রে আরও বলা হয়েছে, টাইটানিকে যাত্রী-কর্মচারীসহ মোট ৩৩২৭ জন ছিলেন। কিন্তু জাহাজে ২০টি লাইফ বোট ছিল, যা সর্বোচ্চ ১১৭৮ জন যাত্রী বহনে সক্ষম। অর্থাৎ যথাযথ যাত্রী সুরক্ষার ব্যবস্থাও ছিল না টাইটানিকে। তিনি দাবি করেন, জাহাজের কর্মীদের দুর্ঘটনা সংক্রান্ত তেমন কোন প্রশিক্ষণ ছিল না। দুর্ঘটনা ঘটলে কী করা উচিত তা শেখাতে টাইটানিকের যাত্রার আগের দিন যাত্রীদের নিয়ে ছোট একটা ট্রেনিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাতিল করা হয়। -নিউইয়র্ক টাইমস
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২