সোমবার ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৯ নভেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

গলাচিপা পৌরবাসী ভুগছে পার্ক সঙ্কটে

স্টাফ রিপোর্টার, গলাচিপা ॥ পটুয়াখালীর গলাচিপা নামেই প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা। কিন্তু প্রতিষ্ঠার দু’ দশকেও পৌর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি একটি পাঠাগার কিংবা একটি পার্ক। শিশু-কিশোরদের বিনোদনের নেই ন্যুনতম সুযোগ সুবিধা। বয়সীরা হাঁটাচলা কিংবা স্বাস্থ্যচর্চার কোন সুযোগ পাচ্ছে না। অবসর কাটানোর কোন ব্যবস্থা না থাকায় এক শ্রেণীর যুবক ঝুঁকে পড়ছে নানা অসামাজিক কর্মকা-ে। বাড়ছে মাদকাসক্তি। একইভাবে নেই জ্ঞান চর্চার ব্যবস্থা। পৌর কর্তৃপক্ষ পার্ক স্থাপনে জমির সঙ্কট ও প্রশাসনের অসহযোগিতার দোহাই দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করছে।

তিন দশমিক ৩৯ বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে ১৯৯৭ সালের ১৭ মার্চ গলাচিপা পৌরসভার যাত্রা শুরু হয়। ২০১৩ সালের ৭ এপ্রিল গলাচিপা পৌরসভা প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত হয়। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী পৌরসভার লোকসংখ্যা ২২ হাজার হলেও বাস্তবে শহরটিতে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস করে। প্রতিষ্ঠা পরবর্তী ধাপে ধাপে পৌরসভার শ্রেণী উন্নয়ন ঘটেছে। আয়-ব্যয়ের পরিমাণ অনেক বেড়েছে। বেড়েছে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা। কিন্তু সে অনুযায়ী বাড়েনি নাগরিক সুবিধা। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠা পরবর্তী দু’ দশকে নানা বয়সী দুরের কথা, ছোট্ট শিশু-কিশোরদের জন্য একটি শিশুপার্কও স্থাপন করতে পারেনি পৌর কর্তৃপক্ষ। এরশাদ সরকারের আমলে শহরের দীঘিরপাড়ে উপজেলা পরিষদ একটি পার্ক স্থাপন করেছিল। সে সময়ে পার্কটিতে শিশুদের জন্য খেলাধুলার বিভিন্ন উপকরণও স্থাপন করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ওই পার্কের বড় একটি অংশ জুড়ে তুরস্ক-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। ফলে পার্কের অস্তিত্ব বিলীন হয়। এরপরে উপজেলা পরিষদ কিংবা পৌর কর্তৃপক্ষের কেউই আর এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়নি। পার্কের অভাবে অবসর সময় কাটানোর এখন আর কোন বিকল্প সুযোগ নেই পৌরবাসীর। এমনকি নিরিবিলি দু’দ- বিশ্রামেরও জায়গা নেই গোটা পৌর এলাকায়। বিনোদনের ন্যুনতম ব্যবস্থা না থাকায় পৌরবাসী ঘরবন্দী সময় কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। যুব বয়সীদের একাংশ জড়িয়ে পড়ছে নানা অসামাজিক কর্মকা-ে। এমনকি বাড়ছে মাদকাসক্তির সংখ্যা। একইভাবে, গলাচিপা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সর্বশ্রেণীর মানুষের জন্য একটি পাঠাগার গড়তেও ব্যর্থ হয়েছে। পৌরবাসীর নেই অবসরে জ্ঞান চর্চার ব্যবস্থা। এদিকে, গলাচিপা শহরের লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট ও খেয়াঘাট এলাকায় রামনাবাদ নদীর পাড়ের বিশাল অংশ বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। সেখানে প্রচুর জমি বছরের পর বছর অব্যবহৃত পড়ে আছে। মাঝে মধ্যে সে সব স্থানে নানা অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছে। এছাড়া, রিং বাঁধ নির্মাণের কারণে মাঝেরচরের বিশাল ভূখ- পৌর কর্তৃপক্ষের সীমানার মধ্যে এসে পড়েছে। এসব স্থানে পার্ক স্থাপনের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলে পৌরবাসীর অনেকেই মনে করে।

এসব বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পৌর মেয়র আবদুল ওহাব খলিফা পার্ক স্থাপনে চেষ্টা করছেন জানিয়ে বলেন, ‘পৌরশহরে একটি পার্ক স্থাপনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় স্থানীয় প্রশাসনকে পৌর কর্তৃপক্ষ বরাবরে প্রয়োজনীয় ভূমি বরাদ্দের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন কোন জমি দিচ্ছে না। ফলে প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে পার্ক স্থাপন সম্ভব হচ্ছে না।’ লঞ্চঘাট কিংবা খেয়াঘাট এলাকায় অব্যবহৃত পড়ে থাকা জমিতে পার্ক স্থাপনে যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ওই জমি না পাওয়া গেলে কলাবাগান এলাকায় রিং বাঁধ স্থাপনে অনেক জমি বের হয়েছে, সেখানে পার্ক করার চেষ্টা করা হবে।

শীর্ষ সংবাদ:
দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে         ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্লান বোলিং সাফল্য         মিল্কি ওয়ের প্রথম ‘পালক’         সরকারী কাস্টডিতে নেই খালেদা, তিনি মুক্ত         ঢাকায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন ৪ ডিসেম্বর শুরু         ওমিক্রন প্রতিরোধে সতর্ক অবস্থায় সারাদেশ         সাদা পোশাকে দেশে সবার ওপরে মুশফিক         সাগরে জলদস্যুতায় যাবজ্জীবন দন্ড         গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, ৪১ বছর পূর্তির আয়োজন         কুয়েতে পাপুলের সাত বছরের কারাদন্ড         পাকি প্রেম দূরে রাখুন         বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ         ‘মোকাবেলা করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে ’         তৃতীয় ধাপের সহিংসতাহীন নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে দাবি ইসির         করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৩         করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সতর্কবার্তা         পরিবহন সেক্টর কার নিয়ন্ত্রণে : জি এম কাদের         সংসদে নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন আনা হচ্ছে শিগগিরই ॥ আইনমন্ত্রী         বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদির ৩০ কোম্পানি         আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নগর পরিবহন চালু সম্ভব নয় : মেয়র তাপস