আর মাত্র একদিন পরেই পবিত্র ঈদ। তাই শেষ মুহুর্তে ঘর মুখো মানুষের ঢল নেমেছে। এর ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর সকাল থেকে মহাসড়কের টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। ধীর গতিতে চলে যানবাহন। তবে বিকেলের পর থেকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। এদিকে যমুনা সেতু’র ওপর দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৫১ লাখ ৮২ হাজার ৬শ' টাকা। এদিকে যানজট নিরসনে মহাসড়ক পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও নিরসলভাবে কাজ করছে।
জেলা পুলিশ জানায়, শেষ মুহুর্তে মহাসড়কের মানুষের ঢল নেমেছে। এতে করে মহাসড়কের যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগ বেড়েছে যাত্রীদের। এদিকে বৃহস্পতিবারও (১৯ মার্চ) কয়েক ধাপে গার্মেন্টস ছুটি হবে। এর ফলে মহাসড়কের আরো চাপ বাড়বে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১২টা থেকে বুধবার (১৮ মার্চ) রাত ১২ টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫১ হাজার ৫৪৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ১৮ হাজার ৭৪৪ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ টাকা। অপরদিকে উত্তরবঙ্গগামী ৩২ হাজার ৮৪০ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীত টোল আদায় ১ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার ৬৫০ টাকা।
এ ব্যাপারে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, আগের থেকে মহাসড়কে যানবাহনের কয়েকগুন যানবাহন বেড়েছে। ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে । এর মধ্যে দুইপাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষনিক টোল বুথ চালু করার চেষ্টা করছি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ স্পুার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে এখন পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়নি। যানজট নিরসনে আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি।
জানা যায়, বিগত ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করে আসছে। বিগত সময়ে সেতুর টোল আদায় করে কমিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক (সিএনএস)। সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর বিগত ২৪ সালের শেষের দিক থেকে বর্তমানে চায়না রোড ব্রিজ কর্পোরেশন টোল আদায় করছে।








