ছবি: জনকণ্ঠ
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় প্রাইভেট পড়ানোর সময় দশম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৫) শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম নুরুল আমিন। তিনি চাকিরপশার ইউনিয়নের ফুলখাঁ চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক।
গত বুধবার দুপুরে চাকিরপশার ইউনিয়নের ফুলখাঁ চাকলা বাজার এলাকায় আরডিআরএসের উন্নয়ন সমাজকল্যাণ সংস্থা ভবনে প্রাইভেট পড়ানোর সময় এ ঘটনা ঘটে।
নির্যাতিত ছাত্রী ও এলাকাবাসীরা জানান, নুরুল আমিন চাকিরপশার ইউনিয়নের তালুক সাকোয়া গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুলখাঁ চাকলা বাজার সংলগ্ন আরডিআরএসের উন্নয়ন সমাজকল্যাণ সংস্থা ভবনে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াতেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার দুপুরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সেখানে পড়তে যায়।
ওই সময় সুযোগ বুঝে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে একা পেয়ে তাকে স্পর্শকাতর বিভিন্ন স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির পর ধর্ষণের চেষ্টা করলে ভীতসন্ত্রস্ত ছাত্রী সেখান থেকে বের হয়ে বাড়িতে চলে যায় এবং কান্নাকাটি করতে করতে পুরো বিষয়টি তার মাকে জানায়।
বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ঘটনার নিন্দা জানান। ছাত্রীর বাবা অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাজারহাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরদিন তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়ে পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে আমলে নেয়। মামলা নং ১২, তারিখ: ১২/০৩/২৬ ইং। অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুল আমিনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে ফুলখাঁ চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীনেশ চন্দ্র কাজ্জী বলেন, “নুরুল আমিন আমাদের বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক। স্থানীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বসহকারে দেখছি। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”
রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশীদ বলেন, শনিবার নির্যাতিত ছাত্রীকে জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। দ্রুত অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে।
শহীদ








