নেত্রকোনার কলমাকান্দায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ ৪জন আহত হয়েছে। পরে বসতবাড়িতেও আগুন দেয় তারা।
এ ঘটনায় শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাতে ভুক্তভোগী মো. কাবিল মিয়া বাদী হয়ে ১৮জনের নাম উল্লেখ সহ আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের চান্দুয়াইল কান্দাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শনিবার সন্ধ্যায় মামলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলমাকান্দা থানার ওসি মো. সিদ্দিক হোসেন।
আহতরা হলেন- মমিনা খাতুন (৩৯), সানোয়ারা খাতুন (৫৯), ভাগনে সায়মন মিয়া (১৭) ও আলী ইসলাম (৩৩)।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কলমাকান্দা উপজেলার চান্দুয়াইল মৌজার একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাবিল মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী রূপচান মিয়ার বিরোধ চলছিল। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। কাবিল মিয়ার ওই জমিতে প্রতিপক্ষকে প্রবেশ না করার জন্য আদালতের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। তারপরও শুক্রবার গভীর রাতে রূপচান মিয়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কাবিল মিয়ার নতুন ভিটাবাড়িতে গিয়ে ঘর তোলার চেষ্টা করেন। বাধা দিলে কাবিল মিয়ার লোকজনের উপর রূপচান মিয়ার লোকজন হামলা করে। এতে নারী সহ চারজন আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এদিকে হামলার পর কাবিলের বসতবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল প্রায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
কাবিল মিয়ার বলেন, ওই জমিতে প্রতিপক্ষকে প্রবেশ না করার জন্য আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও শুক্রবার গভীর রাতে রূপচান মিয়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার নতুন বাড়িতে গিয়ে ঘর তোলার চেষ্টা করেন। বাঁধা দিলে রূপচান মিয়া তার লোকজন নিয়ে হামলা করে। এতে আমার মা, বোন, ভাগ্নে সহ চারজন আহত হয়। পরে আবার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা।
অভিযুক্ত রূপচান মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিক হোসেন বলেন, কাবিল মিয়া বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্ঠা চলছে।
রাজু








