১৯ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৩ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ব্রেক্সিট বিপর্যয় ॥ একসঙ্গে কাজ করবে জার্মানি ও ফ্রান্স


ব্রেক্সিট বিপর্যয় ॥ একসঙ্গে কাজ করবে জার্মানি ও ফ্রান্স

অনলাইন ডেস্ক॥ ব্রেক্সিট বিপর্যয় মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদে। ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বৃটেনের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে ওঁলাদে বলেছেন, যুক্তরাজ্য বা বৃটেন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা থেকে পিছিয়ে আসার উপায় নেই। এক সময় যা ছিল অচিন্তনীয়, তা এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে আজ সোমবার দিন শেষে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের আহ্বানে বৈঠকে বসছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ওঁলাদে, ইতালির প্রধানমন্ত্রী মাত্তিও রেনজি ও ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক। আজই মন্ত্রীপরিষদের এক বৈঠক আহ্বান করেছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। তিনি বৃটিশ পার্লামেন্টের একটি অধিবেশন আহ্বান করবেন। অন্যদিকে বৃটেনকে ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া কনজার্ভেটিভ পার্টির নেতা ও লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন বলেছেন, ইউরোপিয় ইউনিয়নের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহতভাবে জোরদার করবে বৃটেন। বিরোধী লেবার দলের অন্তর্কলহ থামছেই না। এ দলের নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, দলীয় নেতা নির্বাচনের যেকোন নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির লন্ডন ও ব্রাসেলসে গিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে। তিনি রোববার ইতালির রোম থেকে ব্রেক্সিট সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করেন। কেরি বলেন, ইউরোপিয় ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ট সম্পর্ক বজায় রাখবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, বৃটেনের সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। এরই মধ্যে ইউরোপিয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাঁ ক্লাউডি জাঙ্কার বলেছেন, অবিলম্বে ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বৃটেন সরে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। ইউরোপিয় ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বৃটেনকে ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে দ্রুততম সময়ে বেরিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড ইঙ্গিত দিয়েছেন এখনই কিছু ঘটছে না। তার এ কথাকে সমর্থন করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের চিফ অব স্টাফ পিটার আলতমেয়ার। তিনি বলেছেন, ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিণতি পর্যালোচনা করার জন্য বৃটিশ রাজনীতিবিদদের কিছুটা সময় প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন আগামী অক্টোবরে তিনি পদত্যাগ করবেন। ওদিকে স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জেন বলেছেন, বৃটেনের ব্রেক্সিট সিদ্ধান্ত আটকে দিতে পারে স্কটিশ পার্লামেন্ট।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: