২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৬ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

আমদানিযোগ্যতা যাচাই করে এলসি খোলার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দেশের আইন অনুযায়ী পণ্যের আমদানিযোগ্যতা যাচাই না করেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনূকুলে আামদানি নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলছে ব্যাংকগুলো। এতে খালাস পর্যায় পণ্য আটকে যাওয়াসহ নানাবিধ জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। এসব এলসির বিপরীতে অর্থায়ন করে ব্যাংকের টাকাও আটকে যাচ্ছে। তাই এলসি খোলার আগে পণ্যের আমদানিযোগ্যতা নিশ্চিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনে নিয়োজিত ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আমদানি ও রফতানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আইন অনুযায়ী বিভিন্ন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে সরকারের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিছু কিছু পণ্যের আমদানী হয় অনেক নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে। কিন্তু বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক এসব নিষিদ্ধ পণ্যের আমদানির জন্য এলসি খুলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আইনে নিষেধাজ্ঞা থাকায় খালাস পর্যায়ের গিয়ে নানা জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি সরকারি বাহিনী নিষিদ্ধ পণ্য আটকও করছে। এতে ওই সব নিষিদ্ধ পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে অর্থায়ন করে বিপাকে পড়ছে ব্যাংকগুলো। ব্যাংকগুলোর গাফিলতির কারণে নিজের অর্থই আটকে যাচ্ছে। তাই শুধু অনুমোদিত পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে যাতে ব্যাংকগুলো অর্থায়ন করে এবং এলসি খোলার আগে পণ্যের আমদানি যোগ্যতা যাচাই করে এমন নির্দেশ দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অনুরোধ করেছে আমদানি ও রফতানি নিয়ন্ত্রক দপ্তর। এজন্য দপ্তর থেকে গত ১৭ আগস্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আমদানিকৃত পণ্য খালাস পর্যায়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসণের লক্ষ্যে ঋণপত্র প্রতিষ্ঠার পূর্বে বিদ্যমান আমদানি নীতি আদেশ/বিধি/এসআরও এর শর্তাবলী আবশ্যিকভাবে প্রতিপালনপূর্বক সংশ্লিষ্ট পণ্যের আমদানিযোগ্যতা নিশ্চিত হয়ে ঋণপত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ সরকারের আমদানি ও রফতানি প্রধান নিয়ন্তকের দপ্তর কর্তৃক প্রেরিত স্মারকের প্রতিলিপি আপনাদের অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়া হলো।