ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০

ক্যাশলেস যুগে ব্যবসাবাণিজ্য ব্যাংকিং প্রযুক্তিনির্ভর হলেও পাঠ্যসূচি পরিবর্তন হয়নি

প্রযুক্তিতে আগ্রহ ॥ ব্যবসায় শিক্ষার্থী কমছে

আসিফ হাসান কাজল

প্রকাশিত: ২৩:০০, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

প্রযুক্তিতে আগ্রহ ॥ ব্যবসায় শিক্ষার্থী কমছে

উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের বিষয় পছন্দের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন ঘটছে

উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের বিষয় পছন্দের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন ঘটছে। ব্যবসা শিক্ষা ছেড়ে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায়। এক সময় শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দ ছিল ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হওয়া। ফলে বিজ্ঞান শিক্ষাই ছিল শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষে। এক দশক আগে সেই শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন ঘটে। বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তির প্রথম পছন্দ ছিল বিবিএ (ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)।

চাকরির বাজারে কদর থাকায় পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়েও ভালো শিক্ষার্থীরা ঝুঁকত ব্যবসা শিক্ষা ও ব্যবসা প্রশাসনে। তবে গত পাঁচ বছরে এই চিত্র একেবারেই পাল্টে গেছে। চাকরির বাজারের কারণেই শিক্ষার্থীদের বিষয় পছন্দে এই পরিবর্তন ঘটছে। কারণ শিক্ষার্থীরা এখন অনেক বেশি হিসেবি। চাকরির বাজারের বাস্তবতার সঙ্গে মিল রেখেই তারা পড়াশোনার বিষয় পছন্দ করছেন। 
সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি ও বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির পরিসংখ্যান এই তথ্যই তার বড় প্রমাণ। পরিসংখ্যান বলছে, দেশের প্রায় সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গত কয়েক বছরে বিবিএ ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্য জ্যামিতিক হারে কমছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তথ্যমতে, ২০১৩ সালে দেশের ৬৮ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ ডিগ্রিপ্রত্যাশী বা ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ১১২ জন।

বর্তমানে দেশে বেসরকারি পর্যায়ে ১০৫টি বিশ^বিদ্যালয় আছে। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়লেও এসব বিষয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমেছে। বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সর্বশেষ তথ্য বলছে, এখন মাত্র ৭১ হাজার ৩৭১ শিক্ষার্থী বিবিএ পড়ছেন। অর্থাৎ এক দশকেরও কম সময়ে প্রায় ৪৫ ভাগের বেশি শিক্ষার্থী এই বিষয় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
এর বিপরীতে বিজ্ঞান ও প্রকৌশলসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ব্যাপক হারে। ২০১৩ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় বিজ্ঞান, প্রকৌশল, কৃষি ও চিকিৎসা ও ফার্মেসি বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৪ হাজার ৬০৪ জন। ২০২২ সালে এসে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭২৭। এ হিসেবে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৬৮ শতাংশ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম এ বিষয়ে জনকণ্ঠকে বলেন, পৃথিবীতে ব্যবসার আকার কিন্তু বড় হয়েছে। কোন অংশেই ছোট হয়নি। কিন্তু চাকরির বাজারে ব্যবসা শিক্ষার জৌলুস কমছে। এর কারণ, কারিকুলামে শুধু ব্যবসার বিষয়টিই রাখা হয়েছে। সেখানে প্রযুক্তির বিষয়টি সে অর্থে রাখা হয়নি। ফলে ব্যবসার জ্ঞান থাকার পরও তথ্য ও প্রযুক্তির জ্ঞান কম থাকায় তারা চাকরির বাজারে তেমন সুবিধা করতে পারছেন না। আগে যেখানে ১০ জন বিবিএ-এমবিএ পাস করা শিক্ষার্থীর চাকরি ছিল, সেখানে ৬ জন ব্যবসা শিক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থী ও চার জন প্রযুক্তি শিক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ব্যবসা শিক্ষার চাকরি বাজার ক্রমে সংকুচিত হচ্ছে।
এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বিজনেস স্কুল যেভাবে সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হওয়ার দরকার ছিল তা রাখা হয়নি। ১০০ বছর আগের থিওরি এখনো পড়ানো হয়। ব্যবসা এখন ক্যাশলেসও ও অনলাইন নির্ভরও হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত বিবিএ ও এমবিএতে তথ্যপ্রযুক্তি কারিকুলামে সংযুক্ত করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এ সংখ্যা কমতেই থাকবে।
দেশে বিবিএর জন্য সুনাম রয়েছে বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ^বিদ্যালয়ের। এক সময় এখানে মোট শিক্ষার্থীর ৮০ ভাগ ছিল ব্যবসা শিক্ষার। কিন্তু তা ৫০ শতাংশের নিচে নেমেছে। এখন বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ হাজার। ২০১৩ সালে বিজনেস স্কুলে শিক্ষার্থী ছিল ১৩ হাজারের বেশি। এখন তা নেমে এসেছে ১০ হাজার ১৩৩-এ। অর্থাৎ এই বিশ^বিদ্যালয়টিতে ৫০ শতাংশের কম শিক্ষার্থী ব্যবসা শিক্ষা অনুষদে পড়ছেন। 
একইভাবে বিবিএ শিক্ষার্থী কমেছে রাজধানীর সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়েও। ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ হাজার ৫৭৫ জন। ২০১৯ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৭১ জনে। সর্বশেষ ২০২১ সালে এই বিভাগে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৭৫৫ জনে ঠেকেছে। অর্থাৎ বিগত চার বছরে প্রায় ৪০ ভাগেরও বেশি শিক্ষার্থী কমেছে বিশ^বিদ্যালয়টিতে।
ইউজিসি জানায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসা প্রশাসন ও ব্যবসা শিক্ষায় মোট শিক্ষার্থীর ২৩ শতাংশ পড়ছেন। এর পাশাপাশি প্রকৌশল ও কারিগরিতে পড়ছেন ৪৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এর বাইরে বিজ্ঞান, কৃষি ও ফার্মেসি বিভাগে আরও ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী পড়ছেন।

একইভাবে দেশের পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়ে নির্ধারিত আসন থাকলেও বাণিজ্যের বিপরীতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে শিক্ষার্থী বেড়েছে। গ্লোবাল নলেজ ইনডেক্সে বাংলাদেশ ১৩৮টি দেশের মধ্যে ১২৯তম। সার্বিক ইনডেক্সে ১১৪তম। শিক্ষায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চেয়েও পিছিয়ে উচ্চশিক্ষা। তবে এক্ষেত্রে বাংলাদেশে শুধু কারিগরি শিক্ষায় এগিয়ে আছে। যা ১১৪তম এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মানুষের জীবনে প্রযুক্তির প্রভাব ও অনেক কিছু অটোমেশন হওয়ার কারণে যন্ত্র ও প্রযুক্তির প্রতি নির্ভরতাও বেড়েছে। এ কারণে কম্পিউটার বিজ্ঞান, সফটওয়্যার প্রকৌশল, তড়িৎ প্রকৌশলের মতো বিষয়ে চাকরির বাজার ও শিক্ষার্থীদের আবেদন ছিলই। কিন্তু এর পাশাপাশি ডেটা সায়েন্স, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, আইওটি, রোবোটিক্সের মতো বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। বিশে^র শিক্ষা ব্যবস্থায় সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যাথ (স্টেম) একসঙ্গে করা হয়েছে।

অর্থাৎ সব বিষয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত সমন্বিত করে পড়ানো হচ্ছে। সকল ডিগ্রির মধ্যেই এই চার বিষয় আনতে হবে। আমেরিকাতে কলা ও মানবিক বিষয়ও এখন স্টেম করে পড়ানো হচ্ছে। আর এখনো আমরা আর্টস বা কলা বললে শুধু বর্ণনামূলক বিষয়ই বোঝায়। 
এ প্রসঙ্গে নর্থ সাউথ বিশ^বিদ্যালয়ের ব্যবসা অনুষদের সাবেক ডিন ও প্রাইম এশিয়া বিশ^বিদ্যালয়েল সাবেক উপাচার্য প্রফেসর আব্দুল হান্নান জনকণ্ঠকে বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার অবস্থা নয়। প্রতিবেশী দেশেও ১৬২টি বিশ^বিদ্যালয়ে ব্যবসা শিক্ষা পড়ানো বন্ধ হয়ে গেছে। এর কারণ হলো, এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সময় এসেছে। প্রযুক্তি জীবনযাত্রায় অন্যতম প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে। মূলত মেইনস্ট্রিম ব্যবসা গ্র্যাজুয়েটদের তুলনায় যারা বিজনেস টেকনোলজি ম্যানেজমেন্ট পড়ছে (বিটিএম) তাদের চাহিদা চাকরির বাজারে অন্যরকম।
কিন্তু আমাদের এই সমস্যার জন্য বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরও দায় আছে। আমরা এখন পর্যন্ত প্রযুক্তি ও প্রকৌশলকে ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পারেনি। কারণ এখনো আমরা ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের কারিকুলামের আদলে শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছি। এজন্য মার্কেটিং, ম্যানেজমেন্ট, ফাইন্যান্সের মতো ট্র্যাডিশনাল বিষয় পড়ানো হচ্ছে। এর ফলে ব্যবসা শিক্ষায় নতুনত্ব আসছে না।

এখন আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এত শক্তিশালী ও উন্নত যে বিদেশে একাউন্টিং, মানব সম্পদ, ম্যানেজমেন্ট এসব বিভাগে মানুষের প্রয়োজন হচ্ছে না। যদিও বাংলাদেশে অটোমেশন সব জায়গায় কার্যকর হয়নি। কিন্তু আগামী ৫ বছরে এসব চাকরিও প্রযুক্তির কল্যাণে বিলুপ্ত হবে।
দেশের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, বিবিএর চাকরির বাজার এখন নেই বললেই চলে। সমনে চতুর্থ বিপ্লব ও প্রযুক্তির সময়। যে কারণে প্রযুক্তি বিদ্যায় আগ্রহ সকলের। তাদেরই একজন অরণী হাসান। জনকণ্ঠকে তিনি জানান, দেশের একটি পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়ে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ হয়েছিল। কিন্তু সেখানে না পড়ে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে রোবোটিক্স ও আইওটি (ইন্টারনেট অব থিংস) পড়ছি। কারণ সামনের দিনে সবকিছু অটোমোশনে চলে আসছে। 
আইওটি কী জানতে চাইলে অরণী জানান, কোন কৃষক মাটিতে ধানের চারা রোপণ করেছে। কখন পানি লাগবে, কখন সার লাগবে তার জন্য একটি যন্ত্র সিগন্যাল দেবে। শুধু তাই নয় প্রয়োজন অনুযায়ী পানি ও সার ছিটানোর ব্যবস্থাও থাকবে। এর সঙ্গে আবহাওয়ার তারতম্যও দেখা যাবে। এর ফলে যেমন খরচ কমবে এর সঙ্গে বাড়বে উৎপাদন। এভাবেই দেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুফল পাবে।
বড় ভাইয়ের কথায় সফটওয়্যার প্রকৌশলে ভর্তি হয়েছেন আলিফ হোসেন। আলিফ জানায়, আগামী দিনে যত প্রযুক্তি আসবে সবকিছুতেই সফটওয়্যার থাকবে। এই চাকরির বৈশি^ক বাজার ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আছে। তাই ভাইয়ের পরামর্শে এই বিষয়ে একটি বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি।
শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতি নির্ধারকরা এখনো আমাদের দেশের উচ্চশিক্ষার বিষয়ে কিছুটা ভুল পথে আছেন। তারা গ্র্যাজুয়েট তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছেন কিন্তু সে গ্র্যাজুয়েট আন্তর্জাতিক মানের হচ্ছে না। এর ফলে এসব গ্র্যাজুয়েট বিশে^র চাকরির বাজারে জায়গা তো পাচ্ছেনই না, বরং দেশের বাজারে চাকরি না পেয়ে বেকার বসে আছেন। 
উদাহরণ দিয়ে তারা জানান, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিয়টি দেশের একাধিক পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, শুধু সফটওয়্যারের ওপর জ্ঞান নিয়ে পেশাগত উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে ভিন্ন ধরনের একটি বিষয় যুক্ত হচ্ছে ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। এর নাম হচ্ছে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও নেটওয়ার্ক ডিজাইন। এই বিষয়ে শিক্ষার্থীরা যেমন সফটওয়্যার উন্নয়ন নয় নেটওয়ার্কিংয়ের যাবতীয় কাজও শিখতে পারবেন। অর্থাৎ উচ্চশিক্ষা ত্রিমাত্রিক না হলে চাকরির বাজারে গ্র্যাজুয়েটদের সুযোগ পাওয়াটাই দুষ্কর হয়ে পড়বে।
এ বিষয়ে ইউজিসি সদস্য ড. বিশ^জিৎ চন্দ জনকণ্ঠকে বলেন, আমাদের দেশে পড়াশোনার মূল কারণটাই হলো চাকরি। অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা চাকরির জন্যই পড়তে আসে। কি শিখছে সেটি মুখ্য তাদের কাছে থাকে না। ফলে শেখার চেয়ে সনদের দিকেই ঝোঁক থাকে তাদের। এর জন্য দায়ী চাকরিদাতারাও। কারণ কোন শিক্ষার্থীর সনদ না থাকলে আবেদনের যোগ্যতায় রাখা হয় না। প্রযুক্তি ও প্রকৌশলে শিক্ষার্থীদের আগ্রহের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রযুক্তিতে পড়ে দেশের বাইরেও চাকরির অবারিত সুযোগ আছে। যেটা ব্যবসা শিক্ষায় এখন নেই।

এখন শিক্ষার্থী দেশের মধ্যম সারির বিশ^বিদ্যালয়ে পড়েও বিশে^র টেক জায়ান্ট কোম্পানি অ্যাপল, মাইক্রোসফট, ফেসবুকে চাকরির সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু ব্যবসায় পড়ে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চাকরি খবর কম পাওয়া যায়। এসব কারণে তারা ব্যবসা ছেড়ে প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিদ্যায় পড়তে আগ্রহী হচ্ছেন।

×