ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

কবিতা

ঈদের লেখা

জুলফিকার শাহাদাৎ

প্রকাশিত: ২০:৫৯, ৬ মার্চ ২০২৬; আপডেট: ২১:০২, ৬ মার্চ ২০২৬

ঈদের লেখা

গল্প লেখায় ধুম পড়েছে, ছড়াতেও ধুম-
লেখক-কবি সবার চোখে একটুও নেই ঘুম
নেই বিশ্রাম কারোর এখন, নেই অবসর খানিক
রাত্রি জেগে বই লিখছেন প্রিয় উপন্যাসিক।

রম্য লেখক ব্যস্ত ভীষণ, ক্রীড়া লেখক আরো
ফিচার লেখক কী যে খুশি, কারণ পোয়াবারো-
লিখতে লিখতে ক্লান্ত তিনি, এত্তো লেখার চাপ!
আঁকতে বসে শিল্পীরাও বলছে বাপরে বাপ্।

নাটক লেখক কী লিখবেন? প্লট খুঁজে হয়রান
না লিখলে একটা নাটক, বড্ড অপমান
তাই বসেছেন কলম নিয়ে, ‘একদেশে এক রানী’
লিখতে লিখতে নাট্যকারের দু’চোখজুড়ে পানি!

ভ্রমণ লেখক ভীষণ খুশি, যাচ্ছে জাবর কাটা
নতুন করে অতীত প্যাঁচাল হচ্ছে এখন ঘাটা
আর ওদিকে লেখক খাতায় বাড়ছে নামের লিস্ট
শেষ অবধি যুক্ত হলেন মডার্ণ কার্টুনিস্ট।

লেখক, কবি, শিল্পীরা আজ ব্যস্ত ভীষণ কাজে
এই সময়ে ঘুমিয়ে থাকা কেমন করে সাজে?
দু’দিন পরে ঈদ উৎসব, ঈদ আসবে তাই-
সবার হাতে নতুন নতুন ঈদসংখ্যা চাই।

স্বাধীনতার বাঁশি 
মোখতারুল ইসলাম মিলন 

দোয়েল শ্যামা গান গেয়ে যায়
সবুজ বনের ধারে,
স্বাধীনতার সুরের বাঁশি 
বাজে বারে বারে। 

সবুজ ঘাসে রক্ত ভাসে 
লালচে রঙে মাখা,
বীর সেনাদের স্মৃতিগুলো 
বুকের ভেতর রাখা।

লাখো মায়ের চোখের জলে 
ভেজা দেশের মাটি,
তাদের ত্যাগেই স্বাধীনতার 
পেলাম আপন ঘাঁটি।

স্বাধীনতার সেই পতাকা 
ধারণ করি শিরে,
নতুন দিনের স্বপ্ন দেখি 
সেই প্রেরণা ঘিরে।

ঈদের পদ্য
শঙ্খশুভ্র পাত্র

একফালি চাঁদ ঈদের নিদর্শন-
যেখানে সূর্য অস্তাচলেই থামে।
সন্ধ্যা থেকেই উতলা হয়েছে মন,
ঈদের পদ্য লিখছি তোমার নামে।

প্রথমেই প্রীতি-শুভাশিস নিও তুমি,
আশা করি ভালো বাড়ির সকলে আজ।
জেনেছ, সবার আগেই জন্মভূমি
ঈদে কি এবার পরাবে না তাকে সাজ?

কিছু দিন পরে  ঈদ তো আসবে গাঁয়ে
শহরেও তার আসতে নেই তো মানা।
একফালি চাঁদ হাসবে যখন নায়ে
নদী যে তখন আহ্লাদে আটখানা!

এই ঈদে চাই— নয় কোনও ভেদাভেদ।
এক হয়ে যাক ধনী-নির্ধন, সব।
সাম্যের পাশে থাকাটাই হল জেদ
ঈদ হল সেই মিলনের উৎসব।

প্যানেল/মো.

×