দিনে দিনে আমার কবিতা বেশি সাহসী হয়ে উঠছে-
সে আমার চোখরাঙানো ভাব এড়িয়ে চলে;
আমি অনেকবার তাকে খাতা থেকে ছুড়ে ফেলবো,
আমি অনেকবার তাকে শহর ছাড়া করবো,
আমি অনেকবার তাকে দেশ ছাড়া করবো,
সেসব ভয় দেখিয়েও কোনও লাভ হয় নাই!
সে বলছে, আমি মানুষকে ভালোবেসে-
তার দু:খের পাশে বসে থাকি;
তার মায়াপ্রপঞ্চ চোখে অতীত দিনের ফাগুন দেখি,
তার পুরোনো স্মৃতি উসকে ঝরঝর কান্না ঝরাই,
তার ব্যথিত হৃদয়ে উপশম দিই,
অথচ আমি তাকে বারবার অতকিছু থেকে বিরত-
সংকুচিত হতে বলেছি;
প্রায় ৫১ কোটি বর্গ কিলোমিটারের পৃথিবীতে-
তার নাকি থাকার জায়গা, অভাব হবে না!
মরে গেলে মন পড়ে থাকে ধূসর পাণ্ডুলিপি
সুমন রায়হান
ভালোবাসা নয় করুণা! পৃথিবী পলাতক আসামির মতো ঘুরে মরে...
বকুল ঝরে যায়, শিউলি তার স্নিগ্ধতা ছড়িয়ে রাখে ঘাসের ওপর
তুমি একদিন নিশ্চিত জেনে যাবে প্রণয়ের ফুল
তন্দ্রতুর, মেঘাচ্ছন্নতায় মোহময় ছিলো যে আকাশ,
সে আকাশে ঘুড়ি ওড়ানো ছিলো ভুল!
সুগভীর খাদ থেকে তুলে নিতে আশার আফিম!
তীব্র স্রোত বুকে নিয়ে সন্ধ্যা নেয় নিরাপদ ভ্রমণ...
ভুল পথে হেঁটে গেছে চাঁদ।
বেদনার ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে যে প্রেম বসে আছে চুপচাপ;
তারে আমি বলি মায়া! ননীরপুতুল।
যন্ত্রণার ছায়া মাড়িয়ে যে পাখি উড়ে গেছে কাল-
তার জন্য জমা রইলো একটি বৃষ্টি ভেজা বিনিদ্র রজনী...
মরে গেলে মন পড়ে থাকে ধূসর পাণ্ডুলিপি।
চৌঠান্তর
আফিফা জান্নাত
যদি কখনো শোনা হয়
শেষ পথ, শেষ গলি, নয়তো শেষ বাক্য
যদি মনে হয়
শেষ কথা, না হয় ছেঁড়া-ফাটা ডায়রির শেষ কোনো বাক্য,
যদি লেখা হয় ভাগ্যের খাতায়
এইতো শেষ দেখা, সৌভাগ্যের শেষ লিখন।
যদি হারানো হয়
ছন্দের সুর কিংবা গাঁথা কোনো মালা,
যদি বলা হয়
জীবনের একটি ভুল উহু, একটি ফুল বা একটি স্মারকচিহ্ন
এইতো চৌঠান্তর, এইতো প্রথমার শেষান্তর।
প্যানেল/মো.








