ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ১২ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

শাহজালালে দুবাই থেকে আনা সাড়ে ৪ কেজি সোনা উদ্ধার

প্রকাশিত: ০৬:২৪, ১৫ জুন ২০১৭

শাহজালালে দুবাই থেকে আনা সাড়ে ৪ কেজি সোনা উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দুবাই থেকে নিরাপদে ঢাকা পর্যন্ত অনায়াসেই আনা যায় চোরাই সোনা। যত বিপত্তি সব ঢাকাতেই। যে কারণে দুবাই থেকে এত টাকা খরচ করে সাড়ে ৪ কেজি সোনা আনার পরও শেষ রক্ষা হয়নি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণর করার পরই পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে ফ্লাইটে সোনা রেখেই যাত্রীর পলায়ন। পরে সেই সোনা চলে যায় শুল্ক গোয়েন্দার হেফাজতে। মঙ্গলবার গভীরে রাতে দুবাই থেকে আসা আরব আমিরাতের একটি ফ্লাইটে ঘটে এ ঘটনা। উদ্ধার করা ৪০টি সোনার বারের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। এত সোনা কে বা কারা ফেলে গেছে তা নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে একজন যাত্রীকে সন্দেহের আওতায় রেখে অনুসন্ধান চলছে। জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি ফ্লাইট (ই.কে.৫৮৪) দুবাই থেকে ঢাকায় অবতরণ করে। ফ্লাইটটিতে অবৈধ সোনা থাকার গোপন সংবাদ পেয়ে শুল্ক গোয়েন্দারা পুরো ফ্লাইটে তল্লাশি চালায়। একপর্যায়ে ওই ইকোনমি ক্লাসের সিট নং-৩৭ জে এবং ৩৭ কে-এর পেছনের দিকে ৩৮ জে এবং ৩৮ কে নম্বর সিটের জন্য রক্ষিত ট্রে-টেবিলের সামনের সিট কভারের ভেতর থেকে কালো স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় এই সোনাগুলো দেখতে পাওয়া যায়। পরে সেখান থেকে প্রতিটি বারে দশ তোলা করে মোট ৪ কেজি ৬৬ গ্রাম সোনার বার পাওয়া যায়। এগুলো তাৎক্ষণিক উদ্বার করে নিয়ে যাওয়া হয় কাস্টমস হলে। জানা যায়, সোনার বারগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধারের সময় ওই সিটে কোন যাত্রী ছিল না। তবে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের সহায়তায় প্রকৃত চোরাকারবারিকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এদিকে ওই ফ্লাইট শাহজালালে অবতরণ করার পরপরই এক যাত্রীকে খুব ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওই সিটের পাশ থেকে বের হয়ে যেতে দেখা গেছে। তাড়াহুড়ো করে বের হওয়ার সময় অপর যাত্রীর সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিনি পড়ে যান। কি হয়েছে এত অস্থির কেন এমন প্রশ্ন করা হতেই তিনি আরও বেগে সোজা বের হয়ে ফ্লাইট থেকে। এ সম্পর্কে প্রত্যক্ষদর্শী এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, ওই ফ্লাইটের সব যাত্রীর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কেমন ছিল সেটা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই বোঝা যাবে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২