সোমবার ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৯ নভেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা

পরিচিত মানুষদের নিয়ে ব্যান্ড করার ইচ্ছে আছে

  • -তৌসিফ মাহবুব

ঈদে কী কী নাটকে কাজ করেছেন?

এবারের ঈদে মোট দশ নাটকে কাজ করেছি। নাটকগুলো হলো- জলকলঙ্ক, দুই অংশের শেষ এখানে, কানামাছি, বিকেল বেলার গল্প, ইতি ফরহাদ, সিক্রেট সারপ্রাইজ, ক্যামেলিয়া, বয়স আঠারো, টমেটো কেচাপ, চুপ! ভাই কিছু ভাবছেন।

বর্তমানে ব্যস্ততা কী নিয়ে?

আপাতত ধারাবাহিক নাটক নিয়ে কাজ চলছে। দহন, থ্রি সিস্টারস নামে দুটি ধারাবাহিকে কাজ করছি। সামনে ক্যান্ডি ক্রাশ নামে একটি ধারাবাহিক আসবে। এছাড়াও করছি ইমরাউল রাফাতের একটি ধারাবাহিকে কাজ ।

ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে অভিনয়ে আসার মূল রহস্য কী?

আসলে ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে ওভাবে আসা হয়নি। আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেক্ট্রিকাল ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক শেষ করে একটি কোম্পানিতে জব শুরু করি। এর মধ্যে আদনান আল রাজিবের কিছু বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করার সুযোগ এসে যায়। কাজগুলো করে বেশ সাড়া পাই। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ভালবাসা দিবসে একই পরিচালকের ‘অলটাইম দৌড়ের উপর’ নাটকে কাজ করার সুযোগ আসে কিন্তু এ নাটকের জন্য ঢাকার বাইরে টানা ২০ দিন শূটিং করতে হবে। শেষ পর্যন্ত চাকরি ছেড়ে দিয়ে নাটকে কাজ করি এবং অনেক ভাল রেসপন্স পাই। তারপর থেকেই মূলত নাটকে নিয়মিত হওয়া।

বিজ্ঞাপনচিত্র নাকি নাটক, কোনটিকে বেশি প্রাধান্য দেন?

অবশ্যই নাটক। নাটকে কাজ করে অনেক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তবে দুটোতেই কাজ করে যেতে চাই।

বিজ্ঞাপনচিত্র বা নাটকে এমন কোন দৃশ্য আছে, যা করতে গিয়ে আপনাকে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে?

এমন অনেক দৃশ্য আছে। এর মধ্যে একটা দৃশ্যের কথা বলি। চ্যানেল আইতে প্রচারিত ধারাবাহিক নাটক ‘অর্কিড’-এর জন্য থাইল্যান্ডে গিয়েছিলাম। ওখানে গালফ অফ থাইল্যান্ডে জাহাজের ভেতর দীর্ঘ ১ মাস শূটিং করতে হয়েছিল। অনেক উঁচু উঁচু ঢেউ ছিল। বেশ অস্বস্তিবোধ হচ্ছিল। পানি আর বিস্কুট ছাড়া খাওয়ার মতো আর কিছু ছিল না। এর মধ্যে জাহাজ থেকে বন্দী অবস্থায় পানিতে লাফ দেয়ার একটা দৃশ্য ছিল। অতটা ভাল সাঁতার জানতাম না, ভয় কাজ করছিল অনেক। পরে সাহস করে অনেক কষ্টে ঐ দৃশ্যে অভিনয় করেছিলাম।

গানের প্রতি ছোটবেলা থেকে আপনার বেশ আগ্রহ ছিল। আপনার ভবিষ্যতে গান নিয়ে কিছু করার ইচ্ছে আছে ?

হ্যাঁ, প্ল্যান আছে গান নিয়ে কিছু একটা করব। পরিচিত মানুষদের নিয়ে ব্যান্ড করার ইচ্ছে আছে।

শর্টফিল্মে আপনাকে প্রায়ই দেখা যায়। আপনার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কাজ করার ইচ্ছে আছে?

কেন নয়? অবশ্যই। ভাল কাজ আর মনের মতো স্ক্রিপ্ট পেলে ফিল্মে অবশ্যই কাজ করব।

বর্তমানে আপনার কাজ নিয়ে দর্শকদের কাছ থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

কিছুদিন আগেই তো ঈদ গেল। প্রতি ঈদে চারটার বেশি নাটক করতাম না। এবারের ঈদে একটা চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম দশটা নাটক করার, দেখি কেমন হয়। এর মধ্যে জলকলঙ্ক, দুই অংশের শেষ এখানে, কানামাছি, বিকেল বেলার গল্প নাটকগুলোতে অনেক বেশি রেসপন্স পেয়েছি। বাকি নাটকগুলোতেও বেশ ভাল রেসপন্স পেয়েছি। আশা করি সামনে আরও ভাল কাজ করব।

শীর্ষ সংবাদ: