ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০ আশ্বিন ১৪২৯

‘হুল’ নাটকের নব মঞ্চায়ন ও আদিবাসীবিষয়ক সেমিনার

প্রকাশিত: ০৬:৫৭, ৩১ জানুয়ারি ২০১৬

‘হুল’ নাটকের নব মঞ্চায়ন ও আদিবাসীবিষয়ক সেমিনার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে আজ সন্ধ্যা ৭টায় লোকনাট্যদলের (টিএসসি) ২৬তম প্রযোজনা ‘হুল’ নাটকটির নব মঞ্চায়ন হবে। সাওতাল বিদ্রোহ অবলম্বনে ‘হুল’ নাটকটি রচনা করেছেন শামীম আহসান। নির্দেশনা দিয়েছেন ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু। নাটক মঞ্চায়ন উপলক্ষে ‘আদিবাসীদের অধিকার ও জীবনকর্ম’ শীর্ষক একটি আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। নাটক শুরুর আগে সন্ধ্যা ৬-২০ মিনিটে আলোচনা শুরু হবে। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ, গোলাম কুদ্দুছ, হাসান আরিফ, ঝুনা চৌধুরী, আক্তারুজ্জামান, আদিবাসী নেতা সঞ্জীব দ্রুং প্রমুখ। ‘হুল’ নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করবেন ফাহমিদা আলম পাখি, মিহির ব্যানার্জী, সাখাওয়াত খোকন, জিল্লুর রহমান, মাহবুব খাঁন, আশরাফ আহাদ, অনিক হাসান, ইমন বাশার, লিওন মেহেদি, ইমরান মহিউদ্দিন, স্বর্ণা সাবিহা, পিয়াল লুবনা, সম্পা সুমাইয়া, মেহেবী ইয়াসমীন, সজীব রেজওয়ান, রাহাত আরমান, অনয় খান, সারা জাহান, আরাফ, রাহাত কবীর রিকো। মঞ্চ ও আলোক পরিকল্পনা আমিনুর রহমান আজম, পোশাক, প্রচ্ছদ ও পোস্টার কিরীটি রঞ্জন বিশ্বাস, কোরিওগ্রাফি বিপাশা ঘোষ, ফাহমিদা আলম, মঞ্চ ব্যবস্থাপক মাহবুব খান, শান্তা প্রযোজনা সমন্বয়কারী ফাহমিদা আলম পাখি, সার্বিক তত্বাবধান মাহরুর রায়হান, মিহির, শিখা বোস। প্রযোজনা উপদেষ্টা ম. আবদুর রহিম, ইকবাল জামাল জুয়েল, আহমেদ হোসেন, ইমামুল হক কিসলু। প্রযোজনা অধিকর্তা- শামীম আহসান। নাটকের নব মঞ্চায়ন প্রসঙ্গে নির্দেশক ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু বলেন, লোকনাট্যদলের ২৬তম প্রযোজনা ‘হুল’ নাটকের নব মঞ্চায়ন হতে যাচ্ছে। এর আগে নাটকটিতে বহুসংখ্যক অভিনেতা ও অভিনেত্রী কাজ করেছিল। সময়ের দাবি অনুযায়ী পাত্র-পাত্রীর সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে। নাট্য প্রয়োগে আমি পূর্বে বাস্তবানুগ চরিত্র তৈরি করেছিলাম, কিন্তু যেহেতু এবার অল্প সংখ্যক অভিনেতা তাই বিশাল প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরতে আশ্রয় নিয়েছি সাজেসটিভ চরিত্র নির্মাণে। সেট, কস্টিউম, প্রপস ও মেকআপে তাই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে নাটকটি আগের চেয়ে গতিশীল ও শিল্পীত হবে বলে আমার বিশ্বাস। নাটক উপাস্থাপনার ক্ষেত্রে নাট্যকারের বর্ণনাত্মক রীতি আমি ঠিক রেখেছি। সব কিছুকে ছাপিয়ে আমি গুরুত্ব দিয়েছি বিষয়বস্তু উপস্থাপনাকে। কারণ নাটকের রীতির চেয়ে বিষয়বস্তু বড়, তাই দর্শকদের কাছে যাতে নবীন অভিনেতারা পৌঁছতে পারে আমি সে বিষয়টির উপর সমাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। সর্বোপরি দলের সকল নাট্যকর্মীর ঐকান্তিক শ্রম ও মেধার ফসল ‘হুল’ দর্শকদের গ্রহণযোগ্যতা পেলেই ওদের কষ্টার্জিত সাধনা ও চর্চা সফল হবে। সেই আমাদের প্রত্যাশা। নাটক প্রসঙ্গে নাট্যকার শামীম আহসান বলেন, ভাবতেই ভালো লাগছে আমার লেখা নাটকটি অবশেষে মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে। নাটক রচনায় অন্যদের সঙ্গে সাংবাদিক দীপঙ্কর গৌতমও অনেক সহযোগিতা করেছেন। দীর্ঘ সময় পরে নাটকটি আবারো মঞ্চস্থ হচ্ছে, এটি আমার জন্য আনন্দের সংবাদ। আগের বারের তুলনায় কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে, পূর্বে ঘাটতি ছিল এমন কিছু বিষয় সন্নিবেশিত হয়েছে। নাটকটি দর্শকদের ভাল লাগলে আমার শ্রম সার্থক হবে। জয় হোক মানুষের।