ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

বিল তুলে নিয়েছে ঠিকাদার

নাটোরে শেখ রাসেল শিশু পার্কের প্রাচীর নির্মাণে অনিয়ম

নিজস্ব সংবাদদাতা, নাটোর

প্রকাশিত: ০০:৪১, ২৪ মার্চ ২০২৪

নাটোরে শেখ রাসেল শিশু পার্কের প্রাচীর নির্মাণে অনিয়ম

দিঘাপতিয়া পূর্ব হাগুড়িয়া এলাকায় নির্মাণাধীন শেখ রাসেল শিশু পার্কের সীমানা প্রাচীর

সদর উপজেলায় শেখ রাসেল শিশু পার্কের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া অনিয়মের মধ্যে কাজ শেষ করা হলেও ইতোমধ্যেই বিল তুলে নিয়েছেন ঠিকাদার। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সত্যতা প্রমাণ হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
জানা গেছে, জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে ও এডিবির অর্থায়নে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে সদর উপজেলার নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের পাশে দিঘাপতিয়া পূর্ব হাগুড়িয়া এলাকায় নির্মাণাধীন শেখ রাসেল শিশু পার্কের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কাজটি ছিল ১২৩০ ফুটের। কাজ করা হয়েছে ১৫৩০ ফুট। তবে পার্কটির সীমানা প্রাচীর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন এলাকাবাসী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, প্রাচীর নির্মাণে অনিয়ম হয়েছে।

প্রাচীর নির্মাণে নি¤œœমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। সিডিউল অনুযায়ী গ্রেটবিমে ১৬ মিলি ও ব্যাচে ১৬ মিলি রড ব্যবহারের নির্দেশনা থাকলেও সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে ১২ মিলি রড। এছাড়া কলমের রডের রিং এর দূরত্ব দেওয়া হয়েছে দেড় ফুট পরপর।
দিঘাপতিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎ জানান, ৯ বিঘা জমিতে পার্কটির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। এলাকাবাসী অনিয়মের বিষয়ে জানিয়েছেন। ব্যাচে ও গ্রেটবিমে সিডিউল অনুযায়ী নির্ধারিত ১৬ মিলি রডের জায়গায় ১২ মিলি রড ব্যবহার করা হয়েছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স শফিকুল কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী সোহেল হোসেন জানান, আগে নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য কম ছিল এখন বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজ করতে গিয়ে আমার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। 
জেলা পরিষদের প্রকোশলী রেজাউল করিম জানান, কাজের সবই ঠিকা আছে। আমি নিজে দেখভাল করেছি। কাজটি পুরাতন ছিল তাই ঠিকাদার কিছু অনিয়ম করেছে। তবে এখন বলে লাভ নেই ঠিকাদার কাজের বিল তুলে নিয়েছে। জেলা পরিষদ প্রধান নির্বাহী মামুন ভূঁইয়া জানান, জেলা পরিষদের প্রকৌশলীরা কাজ তদারকির দায়িত্বে ছিলেন। ১৬ মিলি রডের জায়গায় ১২ মিলি রড ব্যবহারের সুযোগ নেই। তবে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন হলে ব্যাচ ও গ্রেটবিমের ঢালাই ভেঙ্গে দেখা হবে।

×