১২ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৬ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার প্রস্তুতি


সুধীর বরণ মাঝি, শিক্ষক,

ডক্টর মালিকা কলেজ ,৭/এ, ধানমন্ডি

ঢাকা-১২০৯, মোবাইল- ০১৯১২-২৯৫০৮৫

.................................................................

প্রস্তুতি ৩য় অধ্যায়

১। এইচআইভি/ এইডস বলতে কী বোঝায় ? এইডসের লক্ষণসমূহ আলোচনা কর।

ভূমিকা ঃ মানুষের জীবন ধ্বংসের জন্য যুগে যুগে বিভিন্ন প্রাণঘাতি রোগের প্রাদুর্ভাব হয়েছে এইডস এদের মধ্যে একটি। সারা বিশ্বে এই ঘাতক ব্যাধি এইডস আশঙ্কাজনকভাবে বিস্তার লাভ করছে। ২০১০ সালের সরকারী তথ্য হিসাবে বাংলাদেশে এইচআইভিতে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৭৫০০ জন। আর বর্তমান বিশ্বে প্রতিদিন এই রোগে প্রায় ৬৮০০জন ব্যক্তি আক্রান্ত হচ্ছে।

এইচআইভি/ এইডস ঃ ১৯৮১সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম এইডস শনাক্ত হয়। এইচআইভি একটি ভাইরাসের নাম । এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগের নাম হলো এইডস। ঐওঠ এর পূর্ণ রূপ হলো ঐঁসধহ ওসসঁহব ফবভরপরবহপু ঠরৎঁং. এই ভাইরাস মানব দেহে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেয়। এই রোগের এখনো কোন কার্যকর ঔষধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। অকালমৃত্যুই এইডস রোগের শেষ পরিণতি । তাই একে ঘাতক ব্যাধি বা মরণব্যাধি বলা হয়।

রোগ বিস্তার ঃ এইচআইভি ভাইরাস মানবদেহের কয়েকটি তরল পদার্থে যেমন: রক্ত,রস, বীর্য ও মায়ের বুকের দুধে বেশি থাকে । ফলে মানব দেহের এই তরল পদার্থগুলোর আদান-প্রদানের মাধ্যমে এইচআইভি ছড়াতে পারে।

এইডসের লক্ষণসমূহ ঃ এইডসের নির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। তবে,এইডস আক্রন্ত ব্যক্তি অন্য যে রোগে আক্রান্তহয়,সে লক্ষণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্যহচ্ছে-

১।শরীরের ওজন দ্রুত হ্রাস পাওয়া।

২।অজানা কারণে দুই মাসের অধিক সময় জ্বর থাকা।

৩। দীর্ঘদিন ধরে শুকনো কাশি থাকা।

৪। দুইমাসের অধিক সময় ধরে পাতলা পায়খানা ।

৫। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ছত্রাকজনিত সংক্রমন দেখা দেওয়া।

৬। লসিকা গ্রন্থি ফুলে যওয়া।

৭।নিদ্রা কম ও দেহ দুর্বল হয়ে যায়।

৮।¯œায়ু আক্রান্ত হয়ে স্মরণ শক্তি ও বুদ্ধিমত্তা লোপ পায়।

যবানিকা ঃ পরিশেষে আমরা বলতে পারি এইডস একটি মরণব্যাধি । উপরে বর্ণিত কোন লক্ষণ দেখা গেলেই নিশ্চিত ভাবে বলা যাবেনা তিনি এইডস আক্রান্ত। তবে কোন ব্যক্তির এই সব লক্ষণ দেখা দিলে বিলম্ব না করে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রক্ত পরীক্ষা করে এইবিষয়ে নিশ্চিত হবে।

২। এইচআইভি/ এইডস থেকে রক্ষা পেতে আমাদের কী কী করা উচিৎ ?

ভূমিকা ঃ বাঁচতে হলে জানতে হবে। এইডস একটি মরণব্যাধি। অকালমৃত্যই যার শেষ পরিণতি। তবে এটা কোন ছোঁয়াছে রোগ নয়। আমরা সচেতন হলেই এইচআইভি/ এইডস থেকে রক্ষা পেতে পারি।

এইচআইভি/ এইডস ঃ এইডস এক ধরনের ভাইরাস জনিত রোগ। এই রোগের ভাইরাসটির নাম এইচআইভি। এই ভাইরাস মানব দেহে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেয়। এই রোগের এখনো কোন কার্যকর ঔষধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। অকালমৃত্যুই এইডস রোগের শেষ পরিণতি।

এইচআইভি/ এইডস থেকে রক্ষা পেতে করণীয় বা উপায় ঃ

১। অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ করা যাবে না।

২। অন্যের ব্যবহৃত সিরিঞ্জ ব্যবহার করা যাবে না।

৩। অন্যের ব্যবহৃত ব্লেড বা রেজার ব্যবহার করা যাবে না।

৪। অনিয়ন্ত্রিত,অনিরাপদ ও অনৈতিক যৌনমিলন করা যাবেনা।

৫। অপারেশনে পরিশুদ্ধ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।

৬। শিশুকে এইচআইভি জীবাণুবাহী বা এইডসে আক্রান্ত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো যাবেনা। ৭। এইচআইভি বা এইডস বিষয়ে মিডিয়াতে প্রচারের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

পরিশেষে আমরা বলতে পারি এইডস একটি ঘাতকব্যাধি । এইচআইভি/ এইডস কী,কীভাবে সংক্রমিত হয়,লক্ষণ,প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কী প্রভৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা ও সকলকে সচেতন করা প্রয়োজন। আমরা সচেতন হলেই এবং এর কারণগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারলেই,এইচআইভি/ এইডস থেকে রক্ষা পেতে পারি।

৩।এইচআইভি / এইডসকে ঘাতক ব্যাধি বলা হয় কেন ? আলোচনা কর।

ভূমিকা ঃ বাঁচতে হলে জানতে হবে। এইডস একটি মরণব্যাধি। অকালমৃত্যই যার শেষ পরিণতি। তবে এটা কোন ছোঁয়াছে রোগ নয়। আমরা সচেতন হলেই এইচআইভি/ এইডস থেকে রক্ষা পেতে পারি।

রোগ বিস্তার ঃ এইচআইভি ভাইরাস মানবদেহের কয়েকটি তরল পদার্থে যেমন: রক্ত,রস, বীর্য ও মায়ের বুকের দুধে বেশি থাকে । ফলে মানব দেহের এই তরল পদার্থগুলোর আদান-প্রদানের মাধ্যমে এইচআইভি ছড়াতে পারে।

ঘাতক ব্যাধি ঃ ১৯৮১সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম এইডস শনাক্ত হয়। এইচআইভি একটি ভাইরাসের নাম । এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগের নাম হলো এইডস। ঐওঠ এর পূর্ণ রূপ হলো ঐঁসধহ ওসসঁহব ফবভরপরবহপু ঠরৎঁং. এই ভাইরাস মানব দেহে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেয়। এই রোগের এখনো কোন কার্যকর ঔষধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। অকালমৃত্যুই এইডস রোগের শেষ পরিণতি । তাই একে ঘাতক ব্যাধি বা মরণব্যাধি বলা হয়।

উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে এই রোগের এখনো কোন কার্যকর ঔষধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি তাই এই রোগ থেকে বাঁচার জন্য আমাদেরকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৪।এইচআইভি /এইডস-এর প্রভাব আলোচনা কর।

ভূমিকা ঃ সারা বিশ্বে এই ঘাতক ব্যাধি এইডস আশঙ্কাজনকভাবে বিস্তার লাভ করছে। ২০১০ সালের সরকারী তথ্য হিসাবে বাংলাদেশে এইচআইভিতে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৭৫০০ জন। আর বর্তমান বিশ্বে প্রতিদিন এই রোগে প্রায় ৬৮০০জন ব্যক্তি আক্রান্ত হচ্ছে।