মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৮ আশ্বিন ১৪২৪, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

বজ্য ব্যাবস্থানায় কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৬, ০৫:৪৭ পি. এম.

স্টাফ রিপোর্টার॥ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আইন অনুসারে কি পদক্ষেপ নিয়েছে তা তিন মাসের মধ্যে জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট। বুধবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাই কোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুলসহ এ আদেশ দেয়।স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন-২০০৯ এর ৪১ ধারা অনুসারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।রুলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আইন অনুসারে কেন যথার্থ পদক্ষেপ নেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র, স্থানীয় সরকার সচিব, পরিবেশ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।পাশাপাশি ১৯ মে শুনানির জন্য পরবর্তী দিন রেখেছে আদালত।বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট আইন সুষ্ঠুভাবে পালন করা হচ্ছে না বলে গত ১০ জানুয়ারি জনস্বার্থে সুপ্রীমকোর্টের কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মহিদুল কবির রিট আবেদন করেন, যা বুধবার শুনানির জন্য ওঠে। আদালতে সৈয়দ মহিদুল কবির নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

আইনজীবী সৈয়দ মহিদুল বলেন, “২০০৯ সালের স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের তৃতীয় তফসিলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় করপোরেশনের রাস্তায় ডাস্টবিন স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা আছে। ১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনেও পরিবেশ সংরক্ষণে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা আছে।“২০ ধারায় আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধিমালা করা হবে, যার আলোকে ১৯৯৭ সালে বিধিমালা করা হয়।”স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও বিধিমালা বিবাদীরা সুষ্ঠুভাবে প্রতিপালন করছে না বলে রিট আবেদনটি করা হয়, বলেন সৈয়দ মহিদুল কবির।

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৬, ০৫:৪৭ পি. এম.

১০/০২/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

জাতীয়



শীর্ষ সংবাদ: