১৩ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

এশিয়ার এসএমই গতিশীল করতে পুঁজি যোগান প্রয়োজন-এডিবি


অর্থনৈতিক রিপোর্টার॥ বাংলাদেশসহ এশিয়ার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) গতিশীল করতে পুঁজি যোগান প্রয়োজন। এটিই এখন এশিয়ার টেকসই প্রবৃদ্ধির প্রধান নিয়ামক, যা সাম্প্রতিক মন্দাবস্থা থেকে বিশ্ব অর্থনীতিকে টেনে তুলতে পারে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে। ‘দ্যা এশিয়া এসএমই ফাইন্যান্স মনিটর ২০১৪ৎ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি বুধবার প্রকাশ করা হয়। উন্নয়নশীল এশিয়ার ২০টি দেশের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে প্রতিবেদনে বলা হয়, গড়ে এশিয়ার দেশগুলোর ৯৬ শতাংশ শিল্পই এসএমই। এসকল শিল্প দেশগুলোতে ৬২ শতাংশ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। অথচ এই শিল্প অর্থনীতিতে মাত্র ৪২ শতাংশ অবদান রাখছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এশিয়ার দেশগুলোর সরকারগুলোর উচিত এই শিল্পকে সহায়তা করা, যাতে এই শিল্প আরও বেশি প্রতিযোগি হয়ে বৈশ্বিক ‘ভ্যালু চেইনে’ অংশগ্রহণ করতে পারে।

ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তিতে সীমিত সুযোগ এশিয়ার দেশগুলোর এসএমই’র প্রধান সমস্যা। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটর শুরুর পর থেকেই এখাতে ঋণ প্রদান কমছে। ২০১৪ সালে এশিয়ার এসএমই খাত মোট প্রদানকৃতি ঋণের মাত্র ১৮.৭ শতাংশ ঋণ পেয়েছে।

এ সমস্যা কাটাতে বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। কোন কোন দেশ (পাপুয়া নিউগিনি) ভ্রাম্যমান সম্পদকে জামানত হিসাবে গ্রহণের বিধান করছে, আবার কোন কোন দেশ (ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপিন্স) কোটা ব্যবস্থা চালু করে এসএমই খাতে ব্যাংক ঋণ প্রদান বাধ্যতামুলক করেছে। মঙ্গোলিয়া এবং কাজাখাস্তান পুন: অর্থায়ন স্কীম চালু করে এখানে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু এসব ব্যবস্থা এশিয়ার এসএমই খাতের বিকাশে পর্যাপ্ত নয়। এখাতের বিকাশে এশিয়ার দেশগুলো বিশেষ নিম্ন আয়ের দেশগুলোর উচিত জামানত ও ঋণ গ্যারান্টি ব্যবস্থা আরও সহজীকরণ করা, যাতে এসএমই শিল্প সহজে ঋণ পায়।