বৃহস্পতিবার রেওয়াজ অনুযায়ী দেশি-বিদেশি বিশিষ্টজন, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক সংসদ সদস্যদের স্মরণে সংসদে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়। অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিরোধিতা করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে বিরোধী দলের এমপিরা হট্টগোল ও ওয়াকআউট করেন। ভাষণের শুরুতে জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় জামায়াতের অনেক এমপি তাদের আসনে বসেই ছিলেন এবং দাঁড়াননি।
আজও সংসদে ওয়াকআউট করবেন কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সভাপতিমণ্ডলীর প্যানেলের সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, আপাতত আমরা সংসদে প্রশ্ন উত্থাপন করব। সরকার কী জবাব দেয়, তার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে অধিবেশন পরিচালনার জন্য পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন দেওয়া হয়। এতে সরকারি দল বিএনপির চারজন সদস্যের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর এ টি এম আজহারুল ইসলামকে রাখা হয়েছে।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সেই রায় বাতিল করে তাকে খালাস দেয়।
সানজানা








